Tuesday, September 8, 2015

Bangladesh is one heck of full abundance


 Bangladesh is one heck of full abundance

In addition to natural disasters in Bangladesh, people have been oppressed by the ruling of the years
- Such as the British period (1757-1947)
  Pakistani regime (1947-1971)
  Torture is still no end.
Just in time, place the container has changed.

Although the war is a big event for the liberation of the country,
  But the fight for the rights of the people,
He did not get the right people in our country for 44 years.
The normal life of many people may not know what to do right,
You can not understand,
  Struggle for life and life to fighting for survival as well,
  The end of life is
  Go to the next generation of its line of his life to the struggle.
The poor suffering generation after generation in the life cycle is spent in the most human.
While the rulers or politicians ever was devoid of lust,
A ruling prince back another group of people who were in power before,
They continue to blame.
This is the main job of the state to blame
But it is irrational to blame their own failures is an easy way to hide what is not?

But no ruling political party or any positive steps taken today to change the fate of the common people.
Some are trying to improve the human destiny.
But its advantages are not permanent absence of political good will.

Good governance in the country, never did.
The political parties are an obstacle to good governance false pride, and pride themselves know the cause. The right to life has been neglected poor people all the time.
As a result, the fate of the people who worked for the development,
They like the fact that people are not seeking to work sincerely to believe.

Meanwhile, the people stood up for their right to a fair ever, although,
  He has not acted to implement the regime,
Rather than just demands of the people and the regime as anti-government protests were suppressed forever torture.
For example, Ibn Battuta (1304-1369) had told the story of his historic tour
And the situation of the oppressed people of concern to the country Khoration,

"Today the whole heck of favor '
-meaning One heck of full-abundance.

In such cases, much of the country sided with the rulers of the people who make it feel secure.
The long period in which the country is deprived of the rule of law.
Such people have to stay in the environment for a long time usury afraid to be thought of as the spirit of the place has an instinct, which is the father of disappointment.
Facilities father willing to many positions.
But deprived because of the pain.
I regret the fact that the father,
 This issue is about politics.
This is the true fate of the development.

But again, just for the convenience of the government.
The benefits expected by many to be the father of the position.
But deprived because of the pain.
The deprivation of the poor is more longer.
I regret the fact that the father,
  It is about the politics of the poor.
This is the true fate of the development.

The question that many of the unexpected,
A country (the suffering) of the people fought for in 1971?
  Life was?

While the United Nations, the United States and many other countries, including European Union countries and the international occurrence of this abnormal situation has expressed concern on several occasions.
But the ruling dismissed all concern with vanity,
Which is disappointing news for the people of Bangladesh.

The current reality is that the anti-government statement
Citizen of the country is falling into unexpected problems.
Bloggers are dying one after the other in Acre.
These deaths are not being taken any measures.
Having spoken with blame or guilt is the name of the commission of any terrorist.
The police failed to bring the perpetrators under the law.
The government is not doing anything to protect bloggers in government.
But the blame is laid on opponents.
Blogger murder tantamount to freedom of expression.
 So the question is why did life in 195
2 countries?

In this context, some people feel that the principle of their safety being in favor of the regime.
Although there are some good things in the country are involved in their own interest more.
Some people sided with the rulers, as part of instinct.
As for the rulers of their livelihood if they make a pact to achieve solvency feel blessed.
The issue involves improving the quality of their lives.

In this context, the natural human instinct or attempt to psychological well-being can not be blamed.
Or the rights and aspirations of the people can have a better fighting for survival.
However, deprived of the right people is not forgotten, wrong?
Most people in poor countries!

We're constantly digging canals flowing with the unfairness of its many waters.
In order to achieve their own advantage!
Meanwhile, those who benefit,
They also expressed praise for the regime and the opposition are encouraged to promote am opposed to evil or speak evil am opposed to the opponents of the right to own claims.
Repeatedly expressed our sick politics.
This trend has continued to the present from the past.
The sick a long time, we are living in a political environment.
Ill do not understand the environment you're in.
This is our golden Bengali.
From the ancient times.
There is no change in progress.

I think people are frustrated or say, there is no way to release from?
There is really no way of salvation?
There was a flash of light release in 1971.
Why then abated, its implementation is not.
I do not know what to think, do not worry.
 
No study of this issue is not important!
Where is the fault?
There is something wrong?
His solution is to kill the citizen as a war criminal?
In 1971, many people, were killed.
Now people are being killed in the war dragging in the background.
Killing people is not a solution.

But in 1971, according to the spirit of times.
Advantage 1971 war politics.
1971 does not implement the spirit.
That consciousness is not paralyzed.
What he will awaken consciousness?

Many of the country's current power-centered Governance can not accept.
Such was the spirit of the rule in 1971.

Another development has been the name of the new consciousness.
Without the implementation of the development aspirations of the people is what?
Where people's rights are neglected in the just!

 বাংলাদেশ প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ এক দোজক

বাংলাদেশের মানুষ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়াও হাজার বছর যাবত শাসক দ্বারা অত্যাচারিত হয়ে এসেছে
যেমনবৃটিশ আমল (1757-1947)
পাকিস্তানী আমল (1947-1971)
আজও অত্যাচারের কোন অবসান হচ্ছে না।
শুধু স্থান কাল পাত্রের পরিবর্তন হয়েছে।
সাধারণ মানুষের ভাগ্য ফেরেনি
যদিও মুক্তি যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হওয়া একটি বড় ঘটনা,
তবুও মানুষ যে অধিকারের জন্য মুক্তি যুদ্ধ করেছিল,
সে অধিকার অর্ধ শতাব্দির পরেও পায়নি দেশের জনগণ।
বাংলাদেশের কোটি মানুষ স্বাভাবিক জীবনের অধিকার কি ? তা জানতে পারেন না,
বুঝতে পারেন না,
জীবনভর জীবন সংগ্রাম করে ভালভাবে বেচেঁ থাকার জন্য,
একসময় জীবনের অবসান হয়,
রেখে যান তার পরবর্তী বংশধরদের তারই রেখা যাওয়া জীবন সংগ্রামের পথে
এই দ্ররিদ্র কষ্টের জীবন চক্রের ভিতরে বংশ পরস্পরায় আবর্তীত হতে থাকে অধিকাংশ মানুষের চীর বৈষম্যের জীবন।
যদিও যুগে যুগে শাসকদের বা রাজনীতিবিদদের আরাম আয়েশের কমতি দেখা যায়নি,
একদল শাসক অরেক দল শাসককে যারা ইতিপূর্বে শাসক হিসেবে ছিলেন,
তাদেরকে দোষারোপ করে যান অবিরত।
যেন এই দোষারোপ করা রাষ্ট্রের প্রধাণ কাজ
এরূপ যুক্তিহীন দোষারোপ করা নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার একটি সহজাত পন্থা হিসাবে প্রতীয়মান হয়।
কিন্তু কোন শাসক বা রাজনৈতিক দল দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আজো কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ নেননি বা নিতে পারেননি।
কেউ কেউ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে চেষ্টা করেছেন করছেন।
কিন্তু তার সুফল চিরস্থায়ী হয়নি রাজনৈতিক ভাল ইচ্ছার অভাবে।
দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হয়নি কখনো।
সুশাসনের অন্তরায় হলো রাজনৈতিক দল গুলোর ইগু, দেমাগ আর দম্ভের কারণ গুলো।
সাধারণ গরীব মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার অবহেলিত থেকেছে সব সময়।
ফলশ্রুতিতে যারা দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করেন ,
তারা আসলে জনগণের ভালো করার কাজটা মনে প্রাণে বিশ্বাসের সাথে করতে সচেষ্ট নহেন
এমতাবস্থায় কখনো ন্যায্য অধিকারের দাবীতে জনগণ সোচ্চার হলেও,
শাসকরা সে দাবী বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেননি,
উপরোন্তু জনগণের ন্যায্য দাবীকে সরকার বিরোধী আন্দোলন অখ্যায়িত করে শাসকরা দমন পীড়ণ করেছে যুগে যুগে
হাজার বছরের অতীত ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় ইবনে বতুতা (১৩০৪-১৩৬৯)তাঁর ঐতিহাসিক ভ্রমন কাহিনীতে বলেছিলেন-
বাংলাদেশের মানুষ অত্যাচারিত এবং এখানকার পরিস্থিতি উদ্বেগ জনক।খোরাসানিয়ারা এদেশ সম্পর্কে বলেন,
দোজকপুর আজ নেয়ামত `
-
অর্থাত প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ এক দোজক।
বর্তমানে দেশটা হয়েছে স্বজনপ্রীতি ,দুর্নীতি ,সুবিধাবাদী লুটপাটকারীদের দখলদারিত্বের দেশ।
দেশের এমন পরিস্থিতিতে অনেক লোকজন ক্ষমতাবান দখলদারিত্বের শাসকদের পক্ষ অবলম্বন করাকে নিজেদের গর্বিত নিরাপদ মনে করেন।
যা দেশকে দীর্ঘ মিয়াদী বৈষম্যের নাগপাশে বন্ধী আইনের শাসন হতে বঞ্চিত করার নামান্তর।
এরূপ দীর্ঘদিন অন্যায় অত্যাচারের ভীতিকর পরিবেশে থাকতে থাকতে সাধারণ জনগণের হতাশার সহজাত অভ্যাসের প্রবৃত্তি হিসাবে চিন্তা চেতনায় স্থান পেয়েছে,যা জন্য হতাশা জনক যে, এই পরিস্থিতিতে জনগণের নেতা সৃষ্টি হবার পথ রুদ্ধ হচ্ছে বিপরীতে দখলদারিত্বের লোকদের জনগণের উপর চাপিয়ে দিয়ে পূজা করার বাধ্যগত অভিশপ্ত সমাজ করা হচ্ছে
এই অবস্থায় অনেকে আবার শুধু সুবিধার জন্য সরকারের পক্ষ নেয়।
এই সুবিধা জনক অবস্থানে থাকা অনেকের কাছে কাঙ্খিত অরাধ্য হয়েছে
ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বৈষম্যের শিকার হয়ে কষ্টের জীবনে মুক্তি লাভের পথ কানাগলিতে পরিণত হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সুবিধাবাদীদের জীবন হচ্ছে ভোগ বিলাসের
কিন্তু বঞ্চিতদের কাছে কষ্টের কারন
কারণ গরীবদের বঞ্চনা আরো দীর্ঘতর হচ্ছে।
আর দু: জনক হলেও সত্যি যে,
এই সাধারণ জনগণের এই গরীবী হাল নিয়েই রাজনীতি হচ্ছে
ফলে ক্ষমতাসীনদের ভাগ্য উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু সাধারণ জনগণের সত্যিকারের ভাগ্য উন্নয়ন হচ্ছে না
এমন অনাকাংখিত পরিবেশ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রশ্ন করেন যে ,
এমন দেশের ( জনগণের বৈষম্যে কষ্ট ) দেশের জন্য কি ১০৭১ সালে মানুষ যুদ্ধ করেছিল ?
জীবন দিয়েছিল?
যদিও জাতিসংঘ,আমেরিকা ইউরোপিয় ইউনিয়ন সহ আরো অনেক দেশ পার্লামেন্ট আন্তর্জাতিক সংঘটন দেশের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের শাসক নিজেদের আত্মতুষ্টির পাশাপাশি সেগুলি দম্ভ ভরে উড়িয়ে দিয়েছেন,
যা বাংলাদেশের জনগণের জন্য হতাশার বার্তা
নিজ দেশের সরকার জনগণের জন্য রাজনীতি করেন না,নিজ দলের জন্য রাজনীতি করেন।তারা অন্য দেশের সু পরামর্শ বা নিন্দা মানতে রাজী নহেন
এদিকে বর্তমানের বাস্তবতা হলো সরকার বিরোধী বক্তব্য দেয়া হলে
দেশের নাগরীকগণ বিভিন্ন অনাকাঙ্খিত সমস্যার মধ্যে পতিত হচ্ছেন
অপর দিকে একর পর এক ভিন্ন মতাবলম্বীরা অত্যাচারিত হচ্ছেন, হত্যার শিকার হচ্ছেন,গুম করা হচ্ছে
সমস্ত মারবতাবিরুধী ঘটনা উদ্বেগ জনকভাবে বাড়ছে এবং হত্যা ঘটনার কোন নিরসন নেয়া হচ্ছে না কোন পদক্ষেপ আইনের শাসন উপেক্ষিত হচ্ছে
দোষ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বিরুদ্ধ কারো উপর বা দোষের সাথে উচ্চারিত হচ্ছে কাউকে সন্ত্রাসী, জঙ্গী আখ্যায়িত করার প্রচারণা , তারা আসলেই প্রকৃত সন্ত্রাসী, জঙ্গী কি না বিষয়টি স্পষ্ট নয়
দোষীদের পুলিশ আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হচ্ছে
সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা করার ক্ষেত্রে সরকার উপযুক্ত তেমন কিছু করছে না সরকার
বরং সরকারের সময়োচিত ব্যবস্থাপনার অভাবে জলে স্খলে পাহাড়ে প্রতি বছর প্রাণ হাড়াচ্ছেন শত হাজার লক্ষ বাঙালি
কিন্তু রাজনীতির দোষা দোষী চলে বিরামহীন, দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন বিরোধীদের উপর, সমাধানের চেয়ে সফলতার প্রচারণা বেশী।
আইন করে দমন করে মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে।
তাই প্রশ্ন হতে পারে এজন্য কি ১৯৫২ সালে জীবন দিয়েছিল দেশের মানুষ?
এই পরিপ্রেক্ষিতে কিছু লোক শাসকের পক্ষে সাফাই গাওয়াকে নিজেদের নিরাপত্তার মন্ত্র বলে মনে করেন।
যাতে দেশের কোন মঙ্গল না থাকলেও নিজেদের স্বার্থের বিষয় জড়িত থাকে বেশী।
আর কিছু মানুষ শাষকদের পক্ষ অবলম্বন করে, সহজাত সুবিধাবাদী প্রবৃত্তির অংশ হিসাবে।
শাসকদের পক্ষে থাকায় যদি তাদের জীবন যাপনে স্বচ্ছলতা অর্জন করে তাহালে তারা নিজেদের ধন্য মনে করেন।
কারণ এতে তাদের জীবন মান উন্নতির বিষয় জড়িত থাকে
এই প্রসঙ্গে বলা যায় ,স্বভাবতই মানুষের ভাল থাকার মানষিকতাকে বা প্রচেষ্টাকে দোষ দেয়া যায়না
মানুষদের পক্ষে ভালভাবে বেচেঁ থাকার আকাঙ্খা বা অধিকার থাকতেই পারে।
তবে দেশের অধিকার বঞ্চিত মানুষদের কথা ভুলে যাওয়া অন্যায় নয় কি ?
যে দেশের অধিকাংশ মানুষ গরীব !
এই অন্যায়ের খাল আমরা প্রতিনিয়ত খনন করছি বয়ে যাচ্ছে তার অজস্র জলধারা।
শুধু নিজেদের সুবিধা অর্জনের জন্য!
এমতাবস্থায় যারা লাভবান হচ্ছেন,
তারা শাসকদের পক্ষে স্তুতি প্রকাশ করেন এবং বিরোধীদের বিরোদ্ধে মন্দ কথা প্রচার করতে উতসাহিত হন অথবা বিরোধীদের বিরোদ্ধে মন্দ কথা বলে নিজেকে সত্য সঠিক বলে দাবী করেন।
যা আমাদের অসুস্থ রাজনীতিই প্রকাশ করে বার বার।
অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত চলে আসছে এই ধারা।
আর এই অসুস্থ রাজনীতির পরিবেশে চীরদিন আমরা বসবাস করছি।
বুঝতে পারছেন না অসুস্থ পরিবেশে বসবাস করছি।
এভাবেই চলছে আমাদের সোনার বাংলা।
সেই আদ্যিকাল হতে।
উন্নতির কোন পরিবর্তন নেই
অনেকে হতাশ হয়ে অথবা সত্যি ধারণা করে বলে থাকেন , থেকে মুক্তির কোন পথ নেই ?
সত্যিই কি মুক্তির কোন পথ নেই?
মুক্তির আলোক ঝলক দেখা দিয়েছিল ১৯৭১ সালে।
তারপর কেন নিভে গেল,হলো না তার বাস্তবায়ন।
তা জানার জন্য চিন্তা করা হয়না,ভাবনা করা হয় না।
গুরুত্বপূর্ন এই বিষয়টিরও কোন গবেষণা হয় না!
কোথায় গলদ ছিল ?
যুদ্ধাপরাধী হিসাবে দেশের নাগরীক হত্যা কি তার সমাধান?
১৯৭১ সালে অনেক মানুষ নিহত হয়েছেল
এখন সেই যুদ্ধের পটভূমি টেনে এনে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে
মানুষ হত্যা কোন সমাধান হতে পারে না।
কিন্তু ১৯৭১ সালের চেতনার কথা বলা হয় বার বার
১৯৭১ সালের চেতনার সুবিধার ক্ষমতায় থাকার রাজনীতি হয়।
১৯৭১ সালের চেতনার বৈষম্যহীন সমাজ বাস্তবায়ন হয়না।
যে চেতনা অবশ হয়ে ব্যর্থ হয়ে মারা যায় বার বার।
সে চেতনা জাগ্রত হবে কি করে ?
অনেকেই বর্তমানের ক্ষমতা কেন্দ্রীক দেশের শাষণ মেনে নিতে পারছেন না।
কারণ এইরূপ শাসন ব্যবস্থা ১৯৭১ সালের চেতনায় ছিল না
আরেক নতুন চেতনার নাম হয়েছে উন্নয়ন।
অপরিকল্পিত ভাবে গাছ কেটে পরিবেশ নষ্ট করে রাস্তা ব্রীজ এর উন্নয়ন নাকি দেশের উন্নয়ন।
যখন মানুষ পাযে হেঁটে দুর দুরান্তরে যাতায়াত করতো তখন মূল্যবোধে উন্নত ছিল সমাজ।
আজ কেন সামাজিক অবনতি ?
কারণ মানুষের বসবাবাসের পরিবেশ অপরিকল্পিত উন্নযনের নামে নষ্ট করা হচ্ছে।
এটা কি উন্নয়ন নাকি লুটপাট ?
সুষ্ঠু পরিবেশ জনগণের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন ছাড়া উন্নয়ন হয় কি করে?
যেখানে জনগণের বেঁচে থাকার পরিবেশ নষ্ট করে অধিকার গুলো বৈষম্যের অবহেলায় রাজনৈতিক ফায়দা লুটা হয় ?

Tuesday, September 8, 2015

Bangladesh is one heck of full abundance


 Bangladesh is one heck of full abundance

In addition to natural disasters in Bangladesh, people have been oppressed by the ruling of the years
- Such as the British period (1757-1947)
  Pakistani regime (1947-1971)
  Torture is still no end.
Just in time, place the container has changed.

Although the war is a big event for the liberation of the country,
  But the fight for the rights of the people,
He did not get the right people in our country for 44 years.
The normal life of many people may not know what to do right,
You can not understand,
  Struggle for life and life to fighting for survival as well,
  The end of life is
  Go to the next generation of its line of his life to the struggle.
The poor suffering generation after generation in the life cycle is spent in the most human.
While the rulers or politicians ever was devoid of lust,
A ruling prince back another group of people who were in power before,
They continue to blame.
This is the main job of the state to blame
But it is irrational to blame their own failures is an easy way to hide what is not?

But no ruling political party or any positive steps taken today to change the fate of the common people.
Some are trying to improve the human destiny.
But its advantages are not permanent absence of political good will.

Good governance in the country, never did.
The political parties are an obstacle to good governance false pride, and pride themselves know the cause. The right to life has been neglected poor people all the time.
As a result, the fate of the people who worked for the development,
They like the fact that people are not seeking to work sincerely to believe.

Meanwhile, the people stood up for their right to a fair ever, although,
  He has not acted to implement the regime,
Rather than just demands of the people and the regime as anti-government protests were suppressed forever torture.
For example, Ibn Battuta (1304-1369) had told the story of his historic tour
And the situation of the oppressed people of concern to the country Khoration,

"Today the whole heck of favor '
-meaning One heck of full-abundance.

In such cases, much of the country sided with the rulers of the people who make it feel secure.
The long period in which the country is deprived of the rule of law.
Such people have to stay in the environment for a long time usury afraid to be thought of as the spirit of the place has an instinct, which is the father of disappointment.
Facilities father willing to many positions.
But deprived because of the pain.
I regret the fact that the father,
 This issue is about politics.
This is the true fate of the development.

But again, just for the convenience of the government.
The benefits expected by many to be the father of the position.
But deprived because of the pain.
The deprivation of the poor is more longer.
I regret the fact that the father,
  It is about the politics of the poor.
This is the true fate of the development.

The question that many of the unexpected,
A country (the suffering) of the people fought for in 1971?
  Life was?

While the United Nations, the United States and many other countries, including European Union countries and the international occurrence of this abnormal situation has expressed concern on several occasions.
But the ruling dismissed all concern with vanity,
Which is disappointing news for the people of Bangladesh.

The current reality is that the anti-government statement
Citizen of the country is falling into unexpected problems.
Bloggers are dying one after the other in Acre.
These deaths are not being taken any measures.
Having spoken with blame or guilt is the name of the commission of any terrorist.
The police failed to bring the perpetrators under the law.
The government is not doing anything to protect bloggers in government.
But the blame is laid on opponents.
Blogger murder tantamount to freedom of expression.
 So the question is why did life in 195
2 countries?

In this context, some people feel that the principle of their safety being in favor of the regime.
Although there are some good things in the country are involved in their own interest more.
Some people sided with the rulers, as part of instinct.
As for the rulers of their livelihood if they make a pact to achieve solvency feel blessed.
The issue involves improving the quality of their lives.

In this context, the natural human instinct or attempt to psychological well-being can not be blamed.
Or the rights and aspirations of the people can have a better fighting for survival.
However, deprived of the right people is not forgotten, wrong?
Most people in poor countries!

We're constantly digging canals flowing with the unfairness of its many waters.
In order to achieve their own advantage!
Meanwhile, those who benefit,
They also expressed praise for the regime and the opposition are encouraged to promote am opposed to evil or speak evil am opposed to the opponents of the right to own claims.
Repeatedly expressed our sick politics.
This trend has continued to the present from the past.
The sick a long time, we are living in a political environment.
Ill do not understand the environment you're in.
This is our golden Bengali.
From the ancient times.
There is no change in progress.

I think people are frustrated or say, there is no way to release from?
There is really no way of salvation?
There was a flash of light release in 1971.
Why then abated, its implementation is not.
I do not know what to think, do not worry.
 
No study of this issue is not important!
Where is the fault?
There is something wrong?
His solution is to kill the citizen as a war criminal?
In 1971, many people, were killed.
Now people are being killed in the war dragging in the background.
Killing people is not a solution.

But in 1971, according to the spirit of times.
Advantage 1971 war politics.
1971 does not implement the spirit.
That consciousness is not paralyzed.
What he will awaken consciousness?

Many of the country's current power-centered Governance can not accept.
Such was the spirit of the rule in 1971.

Another development has been the name of the new consciousness.
Without the implementation of the development aspirations of the people is what?
Where people's rights are neglected in the just!

 বাংলাদেশ প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ এক দোজক

বাংলাদেশের মানুষ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়াও হাজার বছর যাবত শাসক দ্বারা অত্যাচারিত হয়ে এসেছে
যেমনবৃটিশ আমল (1757-1947)
পাকিস্তানী আমল (1947-1971)
আজও অত্যাচারের কোন অবসান হচ্ছে না।
শুধু স্থান কাল পাত্রের পরিবর্তন হয়েছে।
সাধারণ মানুষের ভাগ্য ফেরেনি
যদিও মুক্তি যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হওয়া একটি বড় ঘটনা,
তবুও মানুষ যে অধিকারের জন্য মুক্তি যুদ্ধ করেছিল,
সে অধিকার অর্ধ শতাব্দির পরেও পায়নি দেশের জনগণ।
বাংলাদেশের কোটি মানুষ স্বাভাবিক জীবনের অধিকার কি ? তা জানতে পারেন না,
বুঝতে পারেন না,
জীবনভর জীবন সংগ্রাম করে ভালভাবে বেচেঁ থাকার জন্য,
একসময় জীবনের অবসান হয়,
রেখে যান তার পরবর্তী বংশধরদের তারই রেখা যাওয়া জীবন সংগ্রামের পথে
এই দ্ররিদ্র কষ্টের জীবন চক্রের ভিতরে বংশ পরস্পরায় আবর্তীত হতে থাকে অধিকাংশ মানুষের চীর বৈষম্যের জীবন।
যদিও যুগে যুগে শাসকদের বা রাজনীতিবিদদের আরাম আয়েশের কমতি দেখা যায়নি,
একদল শাসক অরেক দল শাসককে যারা ইতিপূর্বে শাসক হিসেবে ছিলেন,
তাদেরকে দোষারোপ করে যান অবিরত।
যেন এই দোষারোপ করা রাষ্ট্রের প্রধাণ কাজ
এরূপ যুক্তিহীন দোষারোপ করা নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার একটি সহজাত পন্থা হিসাবে প্রতীয়মান হয়।
কিন্তু কোন শাসক বা রাজনৈতিক দল দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আজো কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ নেননি বা নিতে পারেননি।
কেউ কেউ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে চেষ্টা করেছেন করছেন।
কিন্তু তার সুফল চিরস্থায়ী হয়নি রাজনৈতিক ভাল ইচ্ছার অভাবে।
দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হয়নি কখনো।
সুশাসনের অন্তরায় হলো রাজনৈতিক দল গুলোর ইগু, দেমাগ আর দম্ভের কারণ গুলো।
সাধারণ গরীব মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার অবহেলিত থেকেছে সব সময়।
ফলশ্রুতিতে যারা দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করেন ,
তারা আসলে জনগণের ভালো করার কাজটা মনে প্রাণে বিশ্বাসের সাথে করতে সচেষ্ট নহেন
এমতাবস্থায় কখনো ন্যায্য অধিকারের দাবীতে জনগণ সোচ্চার হলেও,
শাসকরা সে দাবী বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেননি,
উপরোন্তু জনগণের ন্যায্য দাবীকে সরকার বিরোধী আন্দোলন অখ্যায়িত করে শাসকরা দমন পীড়ণ করেছে যুগে যুগে
হাজার বছরের অতীত ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় ইবনে বতুতা (১৩০৪-১৩৬৯)তাঁর ঐতিহাসিক ভ্রমন কাহিনীতে বলেছিলেন-
বাংলাদেশের মানুষ অত্যাচারিত এবং এখানকার পরিস্থিতি উদ্বেগ জনক।খোরাসানিয়ারা এদেশ সম্পর্কে বলেন,
দোজকপুর আজ নেয়ামত `
-
অর্থাত প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ এক দোজক।
বর্তমানে দেশটা হয়েছে স্বজনপ্রীতি ,দুর্নীতি ,সুবিধাবাদী লুটপাটকারীদের দখলদারিত্বের দেশ।
দেশের এমন পরিস্থিতিতে অনেক লোকজন ক্ষমতাবান দখলদারিত্বের শাসকদের পক্ষ অবলম্বন করাকে নিজেদের গর্বিত নিরাপদ মনে করেন।
যা দেশকে দীর্ঘ মিয়াদী বৈষম্যের নাগপাশে বন্ধী আইনের শাসন হতে বঞ্চিত করার নামান্তর।
এরূপ দীর্ঘদিন অন্যায় অত্যাচারের ভীতিকর পরিবেশে থাকতে থাকতে সাধারণ জনগণের হতাশার সহজাত অভ্যাসের প্রবৃত্তি হিসাবে চিন্তা চেতনায় স্থান পেয়েছে,যা জন্য হতাশা জনক যে, এই পরিস্থিতিতে জনগণের নেতা সৃষ্টি হবার পথ রুদ্ধ হচ্ছে বিপরীতে দখলদারিত্বের লোকদের জনগণের উপর চাপিয়ে দিয়ে পূজা করার বাধ্যগত অভিশপ্ত সমাজ করা হচ্ছে
এই অবস্থায় অনেকে আবার শুধু সুবিধার জন্য সরকারের পক্ষ নেয়।
এই সুবিধা জনক অবস্থানে থাকা অনেকের কাছে কাঙ্খিত অরাধ্য হয়েছে
ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বৈষম্যের শিকার হয়ে কষ্টের জীবনে মুক্তি লাভের পথ কানাগলিতে পরিণত হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সুবিধাবাদীদের জীবন হচ্ছে ভোগ বিলাসের
কিন্তু বঞ্চিতদের কাছে কষ্টের কারন
কারণ গরীবদের বঞ্চনা আরো দীর্ঘতর হচ্ছে।
আর দু: জনক হলেও সত্যি যে,
এই সাধারণ জনগণের এই গরীবী হাল নিয়েই রাজনীতি হচ্ছে
ফলে ক্ষমতাসীনদের ভাগ্য উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু সাধারণ জনগণের সত্যিকারের ভাগ্য উন্নয়ন হচ্ছে না
এমন অনাকাংখিত পরিবেশ পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রশ্ন করেন যে ,
এমন দেশের ( জনগণের বৈষম্যে কষ্ট ) দেশের জন্য কি ১০৭১ সালে মানুষ যুদ্ধ করেছিল ?
জীবন দিয়েছিল?
যদিও জাতিসংঘ,আমেরিকা ইউরোপিয় ইউনিয়ন সহ আরো অনেক দেশ পার্লামেন্ট আন্তর্জাতিক সংঘটন দেশের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের শাসক নিজেদের আত্মতুষ্টির পাশাপাশি সেগুলি দম্ভ ভরে উড়িয়ে দিয়েছেন,
যা বাংলাদেশের জনগণের জন্য হতাশার বার্তা
নিজ দেশের সরকার জনগণের জন্য রাজনীতি করেন না,নিজ দলের জন্য রাজনীতি করেন।তারা অন্য দেশের সু পরামর্শ বা নিন্দা মানতে রাজী নহেন
এদিকে বর্তমানের বাস্তবতা হলো সরকার বিরোধী বক্তব্য দেয়া হলে
দেশের নাগরীকগণ বিভিন্ন অনাকাঙ্খিত সমস্যার মধ্যে পতিত হচ্ছেন
অপর দিকে একর পর এক ভিন্ন মতাবলম্বীরা অত্যাচারিত হচ্ছেন, হত্যার শিকার হচ্ছেন,গুম করা হচ্ছে
সমস্ত মারবতাবিরুধী ঘটনা উদ্বেগ জনকভাবে বাড়ছে এবং হত্যা ঘটনার কোন নিরসন নেয়া হচ্ছে না কোন পদক্ষেপ আইনের শাসন উপেক্ষিত হচ্ছে
দোষ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বিরুদ্ধ কারো উপর বা দোষের সাথে উচ্চারিত হচ্ছে কাউকে সন্ত্রাসী, জঙ্গী আখ্যায়িত করার প্রচারণা , তারা আসলেই প্রকৃত সন্ত্রাসী, জঙ্গী কি না বিষয়টি স্পষ্ট নয়
দোষীদের পুলিশ আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হচ্ছে
সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা করার ক্ষেত্রে সরকার উপযুক্ত তেমন কিছু করছে না সরকার
বরং সরকারের সময়োচিত ব্যবস্থাপনার অভাবে জলে স্খলে পাহাড়ে প্রতি বছর প্রাণ হাড়াচ্ছেন শত হাজার লক্ষ বাঙালি
কিন্তু রাজনীতির দোষা দোষী চলে বিরামহীন, দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন বিরোধীদের উপর, সমাধানের চেয়ে সফলতার প্রচারণা বেশী।
আইন করে দমন করে মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে।
তাই প্রশ্ন হতে পারে এজন্য কি ১৯৫২ সালে জীবন দিয়েছিল দেশের মানুষ?
এই পরিপ্রেক্ষিতে কিছু লোক শাসকের পক্ষে সাফাই গাওয়াকে নিজেদের নিরাপত্তার মন্ত্র বলে মনে করেন।
যাতে দেশের কোন মঙ্গল না থাকলেও নিজেদের স্বার্থের বিষয় জড়িত থাকে বেশী।
আর কিছু মানুষ শাষকদের পক্ষ অবলম্বন করে, সহজাত সুবিধাবাদী প্রবৃত্তির অংশ হিসাবে।
শাসকদের পক্ষে থাকায় যদি তাদের জীবন যাপনে স্বচ্ছলতা অর্জন করে তাহালে তারা নিজেদের ধন্য মনে করেন।
কারণ এতে তাদের জীবন মান উন্নতির বিষয় জড়িত থাকে
এই প্রসঙ্গে বলা যায় ,স্বভাবতই মানুষের ভাল থাকার মানষিকতাকে বা প্রচেষ্টাকে দোষ দেয়া যায়না
মানুষদের পক্ষে ভালভাবে বেচেঁ থাকার আকাঙ্খা বা অধিকার থাকতেই পারে।
তবে দেশের অধিকার বঞ্চিত মানুষদের কথা ভুলে যাওয়া অন্যায় নয় কি ?
যে দেশের অধিকাংশ মানুষ গরীব !
এই অন্যায়ের খাল আমরা প্রতিনিয়ত খনন করছি বয়ে যাচ্ছে তার অজস্র জলধারা।
শুধু নিজেদের সুবিধা অর্জনের জন্য!
এমতাবস্থায় যারা লাভবান হচ্ছেন,
তারা শাসকদের পক্ষে স্তুতি প্রকাশ করেন এবং বিরোধীদের বিরোদ্ধে মন্দ কথা প্রচার করতে উতসাহিত হন অথবা বিরোধীদের বিরোদ্ধে মন্দ কথা বলে নিজেকে সত্য সঠিক বলে দাবী করেন।
যা আমাদের অসুস্থ রাজনীতিই প্রকাশ করে বার বার।
অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত চলে আসছে এই ধারা।
আর এই অসুস্থ রাজনীতির পরিবেশে চীরদিন আমরা বসবাস করছি।
বুঝতে পারছেন না অসুস্থ পরিবেশে বসবাস করছি।
এভাবেই চলছে আমাদের সোনার বাংলা।
সেই আদ্যিকাল হতে।
উন্নতির কোন পরিবর্তন নেই
অনেকে হতাশ হয়ে অথবা সত্যি ধারণা করে বলে থাকেন , থেকে মুক্তির কোন পথ নেই ?
সত্যিই কি মুক্তির কোন পথ নেই?
মুক্তির আলোক ঝলক দেখা দিয়েছিল ১৯৭১ সালে।
তারপর কেন নিভে গেল,হলো না তার বাস্তবায়ন।
তা জানার জন্য চিন্তা করা হয়না,ভাবনা করা হয় না।
গুরুত্বপূর্ন এই বিষয়টিরও কোন গবেষণা হয় না!
কোথায় গলদ ছিল ?
যুদ্ধাপরাধী হিসাবে দেশের নাগরীক হত্যা কি তার সমাধান?
১৯৭১ সালে অনেক মানুষ নিহত হয়েছেল
এখন সেই যুদ্ধের পটভূমি টেনে এনে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে
মানুষ হত্যা কোন সমাধান হতে পারে না।
কিন্তু ১৯৭১ সালের চেতনার কথা বলা হয় বার বার
১৯৭১ সালের চেতনার সুবিধার ক্ষমতায় থাকার রাজনীতি হয়।
১৯৭১ সালের চেতনার বৈষম্যহীন সমাজ বাস্তবায়ন হয়না।
যে চেতনা অবশ হয়ে ব্যর্থ হয়ে মারা যায় বার বার।
সে চেতনা জাগ্রত হবে কি করে ?
অনেকেই বর্তমানের ক্ষমতা কেন্দ্রীক দেশের শাষণ মেনে নিতে পারছেন না।
কারণ এইরূপ শাসন ব্যবস্থা ১৯৭১ সালের চেতনায় ছিল না
আরেক নতুন চেতনার নাম হয়েছে উন্নয়ন।
অপরিকল্পিত ভাবে গাছ কেটে পরিবেশ নষ্ট করে রাস্তা ব্রীজ এর উন্নয়ন নাকি দেশের উন্নয়ন।
যখন মানুষ পাযে হেঁটে দুর দুরান্তরে যাতায়াত করতো তখন মূল্যবোধে উন্নত ছিল সমাজ।
আজ কেন সামাজিক অবনতি ?
কারণ মানুষের বসবাবাসের পরিবেশ অপরিকল্পিত উন্নযনের নামে নষ্ট করা হচ্ছে।
এটা কি উন্নয়ন নাকি লুটপাট ?
সুষ্ঠু পরিবেশ জনগণের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন ছাড়া উন্নয়ন হয় কি করে?
যেখানে জনগণের বেঁচে থাকার পরিবেশ নষ্ট করে অধিকার গুলো বৈষম্যের অবহেলায় রাজনৈতিক ফায়দা লুটা হয় ?