Monday, April 10, 2017

বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না



বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না

কেষ্ট ঠাকুর অতিশয় ভক্তিতে ভগবানের কাছে প্রার্থণা করিয়া কহিলেন-
ভগবান সিংহ বিজাতীয় প্রাণি,নৌকার জয় হোক
ভগবান কহিলেন-,
সিংহ নেই ধান ?
কেষ্ট ঠাকুর হাতজোড় করে কহিলেন,-
ধান নেই ভগবান।
ভগবান কহিলেন ,-‘তথাস্তু!’
ভগবান বুঝলেন জানলেন যে, কেষ্ট ঠাকুরদের দেশে সিংহ নেই অতএব সিংহ দ্বারা ক্ষতির আশংকা নেই কেষ্ট ঠাকুর নৌকা চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন করে প্রার্থণা করেছেন কিন্তু ভগবান জানেন এই অসময়ে জল হলে কৃষকের ধানের ক্ষতি হতে পারে কিন্তু কেষ্ট ঠাকুরের ধান নেই কথাতে ভগবান বুঝিলেন ধানের ক্ষতি হবে না বা তার চেয়ে প্রয়োজন নৌকার চলাচল

Friday, April 7, 2017

পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?



পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?

বাংলাদেশে দুই রহমান এক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান এর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে গণতন্ত্রের অপূরণীয ক্ষতি হয় ।যদিও শেখ মজিবুর রহমান একদল বাকশাল  এবং সেনাবাহিনীর প্রতিদ্বন্দি রক্ষীবাহিনী গঠন না করলে গণতন্ত্র মুক্তি পেতে পারতো। পরকর্তীতে জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের মুক্তি দেন হয় ।রব উত্থান ঘটে অজকের আওয়ামলীগের কিন্তু জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে গণতন্ত্র দুষিত হয় । জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে বাংলাদেশে উত্থান ঘটে উত্তরাধিকারী সূত্রে পরিবারতন্ত্রের । আজকের দেশের জনগণ পরিবার তন্ত্রের হাতে বন্ধী।এই পরিবারতন্ত্রেও তত্বাবধায়রক নির্বচন পদ্ধতিতে গণতন্ত্র প্রত্যাশা করছিল জনগণ ।কিন্তু পরিবার তন্ত্রের জুজু চেপে বসেছে বাংলাদেশের ঘাড়ে ।যেনো এর থেকে পরিত্রাণের কোন উপায় নেই অসহায় জনগণের। পরিবারতন্ত্র কি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে বা পারবে ?এক কথায় বলা যেতে পারে না।বরং পরিবার তন্ত্রের পিতা মাতা স্ত্রী সন্তানদের স্তুতি প্রচারের মাধ্যম হয়েছে পরিবারতন্ত্র।পরিবারতন্ত্রে বৈষম্য.স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তণ করা হচ্ছে,সাথারণ জনগণকে করা হচ্ছে দয়ার পাত্র। এই অবস্থায় জনগণের ভোটের অধিকার বঞ্চিতের ৫ জানুয়ারীর মতো নির্বাচনে ক্ষমতায় আরোহন করাকে প্রত্যক্ষ ভাবে সংবিধানীক নীতি বলে ধরা হয় ,এখানে জনগণের অধিকার গৌণ।।

Friday, March 17, 2017

জনতা বুনে কল্পনায় ফানুস

জনতা বুনে কল্পনায় ফানুস

বাঘ মরা সিংহ রাজা
কার পাতে মাছ ভাজা?
মাছের লোভে মানুষ মারা
রক্তে সিক্ত মাটির ধরা ।


সিংহ পূরুষ গেল যে মরে
সিংহ মার্কা জয়ের সূরে
ডাঙ্গার নৌকা হেলে থাকে
নিশ্চিত জয়ে চিত্ত দোলে।

ত্যাজ্যবিত্তের জমিদারী
সুবিধাবাদী মহাজনী
ভোট দেয়ার খবরদারী
চীর বৈষম্যের নীতিধারী ।

লুটের বিত্তে মহাবুদ্ধি
জন সেবায় প্রতিবন্ধী
গরীব অস্পৃশ্যের আহাজারী
পূজারী মন কম জোরী ।

ভাষন প্রচারে মহৎ হৃদয়
মূল্যবোধের হয় ক্ষয়
সাধু বাবা নেংটা হয় !
সুন্নত তাতে কোথায় রয় ?

রাজা আসে রাজা যায়
জনগণের কি আসে যায় ?
চমৎকার ভাষনে ভাল মানুষ
জনতা বুনে কল্পনায় ফানুস !

Thursday, March 16, 2017

বঞ্চিত জনগণ সোনার বাংলাদেশ

বঞ্চিত জনগণ সোনার বাংলাদেশ

অসহায় মানুষ সত্ত্বা বৈষম্যে শৃঙ্খলিত
অধিকারহীন ভোটে গণতন্ত্র সম্পদ কুক্ষিগত
আপোষ চেতনা লালায়িত বিত্তের দৈত্য
দাম্ভিকের কি হয় কভু মনুষ্য চরিত্র ?


অন্যায়ে স্ফিত অর্থ বিত্ত অদম্য শক্তি
চেতনার অপশাসন মুজলুমের ভক্তি
লালসার সম্পদ ভোগী মাতাল খুনী
আদমের লোহিত পিচাশীয় মদির পানীয় ।

প্রতিবাদী ভীম চেন্ত্রাসী ভোগের কমতি
সতীর্থ বিনাশে রাবন চিত্ত পূজারী শক্তি
ভোগবাদী অঞ্জলী সম্প্রদান ভোগ নিমিত্ত
মহান দেবী প্রসন্ন নিশ্চিন্ত মদির উম্মত্ত ।

গরীবের কষ্ট দেবীর ক্ষমতার মহান আসন
বৈষম্যের সম্পদ দমন পীড়ণ হত্যা গুম শাসন
দেব দেবী স্তুতি আর চেতনা পূজারীময় দেশ
বিষম উন্নয়নে বঞ্চিত জনগণ সোনার বাংলাদেশ ?

Sunday, March 5, 2017

ভাঙ্গা বাঁধ


ভাঙ্গা বাঁধ

ঐ দেখা যায় ভাঙ্গা বাঁধ
ভাটির দেশের ধান
নয় ছয়ের যায়না ধাত
ধান ভাসায় বান ।

সম্মানী লোক মাটি কেটেছে
পানিতে নেমেছে কেউ
বানের পানি বাঁধ ভেঙ্গেছে
সাথে ছিল ডেউ ।

এই করেছি সেই করেছে
লুট পাটের ফিকির
ফসল হাড়িয়ে কৃষক মরেছে
মহৎ কাজের জিগীর ।

কান্না যাদের সারা জীবনে
খোঁজ রাখে কি কেউ ?
অন্ধকারের অসভ্য বনে
স্বার্থ লোভী ফেউ ।

কৃষক মরে বাংলাদেশে
লুট পাটের রাজনীতি
ফসল সদা পানিতে ভাসে
যায় কি দুর্নীতি ?

Saturday, February 25, 2017

বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ










বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ

ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী পদস্থ কর্মচারীদের স্যার বলিয়া সম্ভোধন করিবেন।
এমনকি উনারা যদি মহিলা হন তবুও ম্যাডাম বলা যাবে না।
আর যদি ভাই বোন বলে সম্ভোধন করেন তবে নিশ্চিত জানবেন আপনার কার্য হাসিল হইবেক লাই।
বরং লাঞ্চিত হবার সম্ভাবনা শতভাগ।
এক্ষত্রে তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী না ভেবে নতজানু ভাব প্রদর্শণে অবতার মনে করলে কার্য সিদ্ধি সহজ হতে পারে।
ঠিক যেমনটা নতজানু ভারত দাদার প্রতি বাংলাদেশ ।
অপরদিকে উনাদের সমপর্যায়ের বা উচ্চপর্যায়ের কেহ ভাই বলে সম্ভোধন করেন তবে তারা খুব খুশী হন।
জানবেন ইহাকেই বৈষম্য বলে,যাহা মুক্তি যুদ্ধের চেতনা ধারী নহে বিপরীতে পরিপন্থি এবং এখানেই মুক্তি যুদ্ধের চেতনা মার খায়।বৈষম্যের চীর শিকার হয়ে থাকে ভূক্তভোগী সাধারণ জনগণ।
বর্তমানে ভোগবাদী সমাজে এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট এমন প্রকট হয়েছে যে,অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে ঐ সমস্ত পদ মুষ্টিবদ্ধ করা হয়।
যেন জীবন যুদ্ধের মল্ল যুদ্ধ ।
এ অবস্থায় জনগণের সেবার চেয়ে বৈষম্যের আচরণে জনগণের ভূক্তভোগী হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক নয় কি ?
কাজেই বর্তমান প্রচলিত ব্যবস্থায় অর্জন করা জ্ঞানে পাওয়া জনস্বার্থের পদে মানব কল্যানের জন্য সেবা আশা করা যায় কিভাবে ?
যদিও এই জ্ঞান আন্তর্জাতিক মান দন্ডে অনেক পিছিয়ে,তবু গরীব দেশের গরীব জনগণের দেশে রাজা রাজা ভাব জন্মে।
যার প্রমাণ মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল রেজাল্টে মাষ্টার্স পাশ করে কানাডায় গিযে হোটেলের ডিস ওয়াস করাতে অথবা মাননীয় মন্ত্রীদের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর,ইউরোপ ,আমেরিকা গমন কিংবা সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ভারত গমন।
তাহলে একথা বলা যাবে না কেন ? যেন -
পদের অহংকার মোরে করিয়াছে মহান।
মানবসেবা লাভের ব্যবসায় দূরাচার।
পরিশিষ্ট
সরকারী কর্মচারীরা ক্ষমতাসীন নেতা কর্মীর দ্বারা অহরহ লাঞ্চিত হচ্ছেন।
এর জন্য কে দায়ী ।
কর্মচারীটি বিনা ভোটের নির্বাচনে ভোট কাষ্টিং দেখিয়ে তাদের ক্ষমতায় আরোহনে সাহায্য করার জন্য তাদের এই লাঞ্চিত হওয়ার জন্য দায়ী নয় কি ?
একই কারণে দম্ভের উক্তি হয়,-‘দেশের রাজা পুলিশ।’
এ অবস্খায় স্যারগণ মনে মনে রাজা বনে আচরণে রাজ ভাব প্রকাশ করতেই পারেন বৈষম্যের শিকার গরীব জনগণের প্রতি।
তাহলে এই মহাশয়গণ ,সরি স্যারগণের মনে মনে রাজা বনে যাবার ভাবনার চেতনা হলে জনগণের সেবক হবেন কি করে ?
তাই তারা জনগনের সেবা নামান্তরে ভাবান্তরে একটি সহজ পলিসি উদ্ভাবন করেছেন-,
যেমন,-‘সরকারের সেবা মানেই জনগণের সেবা।
আর জনগণের সেবা মানে পদোন্নতি সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি ।।
একজনের রাজনৈতিক ষ্ট্যাটাসের কমেন্টে লিখেছিলাম,-
‘দুর্নীতির চক্রে আবর্তীত রাজনীতি
পরিবার তন্ত্র তার চালিকা শক্তি ।’
-এই ব্যবস্থা আজকের ডিজিটাল যুগে জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া একটি যাতনা ময় যাঁতাকল নয় কি ?
যদি না হয় ,তবে কেন নয় ?
অতকিছুর পর বলতে চাই যে,-
সামাজিক বৈষম্য দূর হোক
৭১ এর চেতনা মুক্তি পাক।

Monday, April 10, 2017

বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না



বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না

কেষ্ট ঠাকুর অতিশয় ভক্তিতে ভগবানের কাছে প্রার্থণা করিয়া কহিলেন-
ভগবান সিংহ বিজাতীয় প্রাণি,নৌকার জয় হোক
ভগবান কহিলেন-,
সিংহ নেই ধান ?
কেষ্ট ঠাকুর হাতজোড় করে কহিলেন,-
ধান নেই ভগবান।
ভগবান কহিলেন ,-‘তথাস্তু!’
ভগবান বুঝলেন জানলেন যে, কেষ্ট ঠাকুরদের দেশে সিংহ নেই অতএব সিংহ দ্বারা ক্ষতির আশংকা নেই কেষ্ট ঠাকুর নৌকা চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন করে প্রার্থণা করেছেন কিন্তু ভগবান জানেন এই অসময়ে জল হলে কৃষকের ধানের ক্ষতি হতে পারে কিন্তু কেষ্ট ঠাকুরের ধান নেই কথাতে ভগবান বুঝিলেন ধানের ক্ষতি হবে না বা তার চেয়ে প্রয়োজন নৌকার চলাচল

Friday, April 7, 2017

পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?



পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?

বাংলাদেশে দুই রহমান এক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান এর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে গণতন্ত্রের অপূরণীয ক্ষতি হয় ।যদিও শেখ মজিবুর রহমান একদল বাকশাল  এবং সেনাবাহিনীর প্রতিদ্বন্দি রক্ষীবাহিনী গঠন না করলে গণতন্ত্র মুক্তি পেতে পারতো। পরকর্তীতে জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের মুক্তি দেন হয় ।রব উত্থান ঘটে অজকের আওয়ামলীগের কিন্তু জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে গণতন্ত্র দুষিত হয় । জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে বাংলাদেশে উত্থান ঘটে উত্তরাধিকারী সূত্রে পরিবারতন্ত্রের । আজকের দেশের জনগণ পরিবার তন্ত্রের হাতে বন্ধী।এই পরিবারতন্ত্রেও তত্বাবধায়রক নির্বচন পদ্ধতিতে গণতন্ত্র প্রত্যাশা করছিল জনগণ ।কিন্তু পরিবার তন্ত্রের জুজু চেপে বসেছে বাংলাদেশের ঘাড়ে ।যেনো এর থেকে পরিত্রাণের কোন উপায় নেই অসহায় জনগণের। পরিবারতন্ত্র কি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে বা পারবে ?এক কথায় বলা যেতে পারে না।বরং পরিবার তন্ত্রের পিতা মাতা স্ত্রী সন্তানদের স্তুতি প্রচারের মাধ্যম হয়েছে পরিবারতন্ত্র।পরিবারতন্ত্রে বৈষম্য.স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তণ করা হচ্ছে,সাথারণ জনগণকে করা হচ্ছে দয়ার পাত্র। এই অবস্থায় জনগণের ভোটের অধিকার বঞ্চিতের ৫ জানুয়ারীর মতো নির্বাচনে ক্ষমতায় আরোহন করাকে প্রত্যক্ষ ভাবে সংবিধানীক নীতি বলে ধরা হয় ,এখানে জনগণের অধিকার গৌণ।।

Friday, March 17, 2017

জনতা বুনে কল্পনায় ফানুস

জনতা বুনে কল্পনায় ফানুস

বাঘ মরা সিংহ রাজা
কার পাতে মাছ ভাজা?
মাছের লোভে মানুষ মারা
রক্তে সিক্ত মাটির ধরা ।


সিংহ পূরুষ গেল যে মরে
সিংহ মার্কা জয়ের সূরে
ডাঙ্গার নৌকা হেলে থাকে
নিশ্চিত জয়ে চিত্ত দোলে।

ত্যাজ্যবিত্তের জমিদারী
সুবিধাবাদী মহাজনী
ভোট দেয়ার খবরদারী
চীর বৈষম্যের নীতিধারী ।

লুটের বিত্তে মহাবুদ্ধি
জন সেবায় প্রতিবন্ধী
গরীব অস্পৃশ্যের আহাজারী
পূজারী মন কম জোরী ।

ভাষন প্রচারে মহৎ হৃদয়
মূল্যবোধের হয় ক্ষয়
সাধু বাবা নেংটা হয় !
সুন্নত তাতে কোথায় রয় ?

রাজা আসে রাজা যায়
জনগণের কি আসে যায় ?
চমৎকার ভাষনে ভাল মানুষ
জনতা বুনে কল্পনায় ফানুস !

Thursday, March 16, 2017

বঞ্চিত জনগণ সোনার বাংলাদেশ

বঞ্চিত জনগণ সোনার বাংলাদেশ

অসহায় মানুষ সত্ত্বা বৈষম্যে শৃঙ্খলিত
অধিকারহীন ভোটে গণতন্ত্র সম্পদ কুক্ষিগত
আপোষ চেতনা লালায়িত বিত্তের দৈত্য
দাম্ভিকের কি হয় কভু মনুষ্য চরিত্র ?


অন্যায়ে স্ফিত অর্থ বিত্ত অদম্য শক্তি
চেতনার অপশাসন মুজলুমের ভক্তি
লালসার সম্পদ ভোগী মাতাল খুনী
আদমের লোহিত পিচাশীয় মদির পানীয় ।

প্রতিবাদী ভীম চেন্ত্রাসী ভোগের কমতি
সতীর্থ বিনাশে রাবন চিত্ত পূজারী শক্তি
ভোগবাদী অঞ্জলী সম্প্রদান ভোগ নিমিত্ত
মহান দেবী প্রসন্ন নিশ্চিন্ত মদির উম্মত্ত ।

গরীবের কষ্ট দেবীর ক্ষমতার মহান আসন
বৈষম্যের সম্পদ দমন পীড়ণ হত্যা গুম শাসন
দেব দেবী স্তুতি আর চেতনা পূজারীময় দেশ
বিষম উন্নয়নে বঞ্চিত জনগণ সোনার বাংলাদেশ ?

Sunday, March 5, 2017

ভাঙ্গা বাঁধ


ভাঙ্গা বাঁধ

ঐ দেখা যায় ভাঙ্গা বাঁধ
ভাটির দেশের ধান
নয় ছয়ের যায়না ধাত
ধান ভাসায় বান ।

সম্মানী লোক মাটি কেটেছে
পানিতে নেমেছে কেউ
বানের পানি বাঁধ ভেঙ্গেছে
সাথে ছিল ডেউ ।

এই করেছি সেই করেছে
লুট পাটের ফিকির
ফসল হাড়িয়ে কৃষক মরেছে
মহৎ কাজের জিগীর ।

কান্না যাদের সারা জীবনে
খোঁজ রাখে কি কেউ ?
অন্ধকারের অসভ্য বনে
স্বার্থ লোভী ফেউ ।

কৃষক মরে বাংলাদেশে
লুট পাটের রাজনীতি
ফসল সদা পানিতে ভাসে
যায় কি দুর্নীতি ?

Saturday, February 25, 2017

বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ










বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ

ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী পদস্থ কর্মচারীদের স্যার বলিয়া সম্ভোধন করিবেন।
এমনকি উনারা যদি মহিলা হন তবুও ম্যাডাম বলা যাবে না।
আর যদি ভাই বোন বলে সম্ভোধন করেন তবে নিশ্চিত জানবেন আপনার কার্য হাসিল হইবেক লাই।
বরং লাঞ্চিত হবার সম্ভাবনা শতভাগ।
এক্ষত্রে তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী না ভেবে নতজানু ভাব প্রদর্শণে অবতার মনে করলে কার্য সিদ্ধি সহজ হতে পারে।
ঠিক যেমনটা নতজানু ভারত দাদার প্রতি বাংলাদেশ ।
অপরদিকে উনাদের সমপর্যায়ের বা উচ্চপর্যায়ের কেহ ভাই বলে সম্ভোধন করেন তবে তারা খুব খুশী হন।
জানবেন ইহাকেই বৈষম্য বলে,যাহা মুক্তি যুদ্ধের চেতনা ধারী নহে বিপরীতে পরিপন্থি এবং এখানেই মুক্তি যুদ্ধের চেতনা মার খায়।বৈষম্যের চীর শিকার হয়ে থাকে ভূক্তভোগী সাধারণ জনগণ।
বর্তমানে ভোগবাদী সমাজে এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট এমন প্রকট হয়েছে যে,অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে ঐ সমস্ত পদ মুষ্টিবদ্ধ করা হয়।
যেন জীবন যুদ্ধের মল্ল যুদ্ধ ।
এ অবস্থায় জনগণের সেবার চেয়ে বৈষম্যের আচরণে জনগণের ভূক্তভোগী হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক নয় কি ?
কাজেই বর্তমান প্রচলিত ব্যবস্থায় অর্জন করা জ্ঞানে পাওয়া জনস্বার্থের পদে মানব কল্যানের জন্য সেবা আশা করা যায় কিভাবে ?
যদিও এই জ্ঞান আন্তর্জাতিক মান দন্ডে অনেক পিছিয়ে,তবু গরীব দেশের গরীব জনগণের দেশে রাজা রাজা ভাব জন্মে।
যার প্রমাণ মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল রেজাল্টে মাষ্টার্স পাশ করে কানাডায় গিযে হোটেলের ডিস ওয়াস করাতে অথবা মাননীয় মন্ত্রীদের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর,ইউরোপ ,আমেরিকা গমন কিংবা সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ভারত গমন।
তাহলে একথা বলা যাবে না কেন ? যেন -
পদের অহংকার মোরে করিয়াছে মহান।
মানবসেবা লাভের ব্যবসায় দূরাচার।
পরিশিষ্ট
সরকারী কর্মচারীরা ক্ষমতাসীন নেতা কর্মীর দ্বারা অহরহ লাঞ্চিত হচ্ছেন।
এর জন্য কে দায়ী ।
কর্মচারীটি বিনা ভোটের নির্বাচনে ভোট কাষ্টিং দেখিয়ে তাদের ক্ষমতায় আরোহনে সাহায্য করার জন্য তাদের এই লাঞ্চিত হওয়ার জন্য দায়ী নয় কি ?
একই কারণে দম্ভের উক্তি হয়,-‘দেশের রাজা পুলিশ।’
এ অবস্খায় স্যারগণ মনে মনে রাজা বনে আচরণে রাজ ভাব প্রকাশ করতেই পারেন বৈষম্যের শিকার গরীব জনগণের প্রতি।
তাহলে এই মহাশয়গণ ,সরি স্যারগণের মনে মনে রাজা বনে যাবার ভাবনার চেতনা হলে জনগণের সেবক হবেন কি করে ?
তাই তারা জনগনের সেবা নামান্তরে ভাবান্তরে একটি সহজ পলিসি উদ্ভাবন করেছেন-,
যেমন,-‘সরকারের সেবা মানেই জনগণের সেবা।
আর জনগণের সেবা মানে পদোন্নতি সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি ।।
একজনের রাজনৈতিক ষ্ট্যাটাসের কমেন্টে লিখেছিলাম,-
‘দুর্নীতির চক্রে আবর্তীত রাজনীতি
পরিবার তন্ত্র তার চালিকা শক্তি ।’
-এই ব্যবস্থা আজকের ডিজিটাল যুগে জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া একটি যাতনা ময় যাঁতাকল নয় কি ?
যদি না হয় ,তবে কেন নয় ?
অতকিছুর পর বলতে চাই যে,-
সামাজিক বৈষম্য দূর হোক
৭১ এর চেতনা মুক্তি পাক।