Tuesday, September 29, 2015

ঈদুল আজহা গায়ে আতরের সুগন্ধ পাক পবিত্র ! আর বাতাসে ভেসে আসে দুর্গন্ধ নাপাক অপবিত্র!

ঈদুল আজহা গায়ে আতরের সুগন্ধ  পাক পবিত্র !আর বাতাসে ভেসে আসে দুর্গন্ধ নাপাক অপবিত্র!

ঈদুল আজহা ।
একটি পবিত্র দিন,আনন্দের দিন।এই পবিত্রতা দেহ মন থেকে ছড়িয়ে পরে আকাশে বাতাসে,সৃষ্টি কতর্দার দরবারে ।সকালে ঘুম থেকে উঠেই পরম পবিত্র সত্তার স্মরণে পবিত্রতা দিয়ে শুরু হয় ।গোসল করে পাক পবিত্র হয়ে ।পাক পবিত্র কাপড় পরিধান করা।পবিত্র সুগন্ধী আতর লাগিয়ে ঈদগাহ বা মসজিদে গিয়ে পবিত্রতার সাথে নামাজ আদায় করা হয় ।এই পবিত্র ঈদের দিনে মানুসের দেহ মন আকাশ বাতাস সবকিছু নির্মল হয়ে উঠে।মোসলমানরা অাল্লাহর নামে পশু কোরবানী করেন ।
তারপর সেই পশুর কিছু অংশ বিলিয়ে দেয়া হয় গরীবদের মাঝে।ধনীদের আঙ্গিনা হতে গোস্ত চলে যায় গরীবদের রান্না ঘরে।আল্লাহর অপার মহিমার অংশীদার হন গরীবরা।
রান্না করে তৃপ্তির সাথে আহার করেন সকল মোসলমানেরা।হাজার শুকুর গুজার করেন আল্লাহর ।

কিন্তু কোরবানী দেয়া পশুর রক্ত উচ্ছিষ্ট মাংস ঠিক মতো মাটিতে পুঁতে না রাখার করণে ছড়িয়ে পরে দুর্গদ্ধ্ ।আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে পরে অপবিত্রতা ।সে দুর্গন্ধের অপবিত্রতা কোরবানী দেয়া ধনী লোকের আঙ্গিনা হতে ছড়িয়ে পরে গরীবদের আঙ্গিনা পর্যন্ত।পথে ঘাটে রাস্তায় ছড়িয়ে পরে।অসুস্থ করে তোলে মানুষের মন।আর  বাযূ দোষনের দূগন্ধের অপবিত্রতায় বসবাস করে মানুষ ।নিমিশেই পবিত্র কোরবানীর আনন্দ রুপান্তরিত হয় অসুস্থ দুর্গন্ধে ।শুধু মাত্র কিছু সংখ্যক মানুষের সামান্য সচেতনতা অভাব ও দায়িত্বশীলতার অবহেলার কারণে।

সুগন্ধ পবিত্রতার অংশ,পরম নেকী অর্জনের সহায়ক।
দুর্গন্ধ অপবিত্রতার অংশ।দুর্গন্ধের অপর নাম পাপ ।
কিছু ধনী ব্যক্তি অনেক টাকা খরচ করে সুন্দর বাড়ী বানিয়েছেন ।
দেখলে নয়ন জুড়িয়ে যায় !
কিন্তু সে সুন্দর বাড়ী হতে ভেসে আসছে দূর্গন্ধ।
তখন বাড়ীটাকে ভাল লাগে না।বাড়ী ওয়ারার প্রতি বিরূপ ধারণা জন্মে।
মনে হয় সুন্দর বাড়ী হতে দূগন্ধের পাপী আত্মারা বের হয়ে আসছে।
সুগন্ধের বাতাসেরা ফরিয়াদ জানাতে চলে গেছে সৃষ্টিকর্তার কাছে।
পশু কোরবানী ম্লান করে দেয় দুগন্ধ ভরে যাওয়া বাতাস।
তাই কোরবানীর রক্ত উচ্ছিষ্ট হাড় মাংস এমন ভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলা উাচত।যাতে দূগন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশকে অবিত্র করে না ফেলে।আর  এই রকম অপবিত্রতার জন্য নিজেদের মর্যদা যেনো ক্ষুন্ন না হয়ে যায়।
পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অনুশীলন করুন ।তাতেই বুদ্ধি পেতে পারে মানুষ ও সমাজের মর্যদা।অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে দূর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ।আর প্রমানীত হয় সেমাজের মানুষ যথেষ্ট উন্নত নয়।
অন্য সমাজের মানুষ তাঁদের সম্পর্কে ভালো ধারণা নাও করতে পারে।
কাজেই উন্নত মানুষের পরিচয় দিতে পরিবেশ রাখুন নির্মল।
কারণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাই ঈমানের অঙ্গ ।

করনীয়-
১.কোরবানির  পশু জবেহ শেষে তার রক্ত ও  উচ্ছিষ্ট মাংস হাড়  অপসারণ করা।
২.কোরবানীর স্থানটিতে প্রয়োজনীয় পানি ঢেলে ভাল করে ধৌত করা ।
৩.পশুর রক্ত ও  উচ্ছিষ্ট মাংস হাড় মাটিতে গর্ত করে চাপা দেয়া।
৪.গর্তের মধ্যে কিছু চুন বা ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক, যেমন—ফাম-৩০ ইত্যাদি দেওয়া ।
যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় ।
৫. শিয়াল/কুকুর মাটি খুঁড়ে রক্ত ছড়াতে বা খেতে না পারে সেজন্য গর্তটি ভালমতো বন্ধ করে দেয়া।
৬.মাটিচাপার ওপরে কিছু মোটা তুষ ছিটিয়ে দিলে শেয়াল বা কুকুর মাটি গর্ত করে ময়লা তুলতে পারবে না।

করনীয় গুলো না করলে কি হতে পারে :-

১.পরিবেশ দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগ ছড়াবে,
২.চর্মজাতীয় রোগ উৎপত্তি হয়ে মানবদেহে বা পশুর শরীরে সংক্রমিত হতে পারে।
৩.কিছু ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি হয়ে খাদ্যের সঙ্গে মিশে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।
৪.সমাজ উন্নত সমাজ বলে পরিচিতি লাভ করবে না।


দুগন্ধ ছড়িয়ে  আপনি ভাল মানুষ হিসাবে পরিচিতি অর্জন করতে পারবেন না।
মোসলমান পরিচিতি হিসাবে অপর ধর্মের লোকদের কাছে বিরুপ ধারনা সৃষ্টি  হতে পারে।
সমাজও হবে অস্বাস্থ্যকর ।
যার জন্য সমাজের বাসিন্দা হিসাবে আপনি দায় এড়াতে পারেন না।
যা কোন মতেই কাম্য হতে পারে না।

অতএব পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাথুন।
অশেষ সোয়াবের ভাগীদার হোন ।

Tuesday, September 29, 2015

ঈদুল আজহা গায়ে আতরের সুগন্ধ পাক পবিত্র ! আর বাতাসে ভেসে আসে দুর্গন্ধ নাপাক অপবিত্র!

ঈদুল আজহা গায়ে আতরের সুগন্ধ  পাক পবিত্র !আর বাতাসে ভেসে আসে দুর্গন্ধ নাপাক অপবিত্র!

ঈদুল আজহা ।
একটি পবিত্র দিন,আনন্দের দিন।এই পবিত্রতা দেহ মন থেকে ছড়িয়ে পরে আকাশে বাতাসে,সৃষ্টি কতর্দার দরবারে ।সকালে ঘুম থেকে উঠেই পরম পবিত্র সত্তার স্মরণে পবিত্রতা দিয়ে শুরু হয় ।গোসল করে পাক পবিত্র হয়ে ।পাক পবিত্র কাপড় পরিধান করা।পবিত্র সুগন্ধী আতর লাগিয়ে ঈদগাহ বা মসজিদে গিয়ে পবিত্রতার সাথে নামাজ আদায় করা হয় ।এই পবিত্র ঈদের দিনে মানুসের দেহ মন আকাশ বাতাস সবকিছু নির্মল হয়ে উঠে।মোসলমানরা অাল্লাহর নামে পশু কোরবানী করেন ।
তারপর সেই পশুর কিছু অংশ বিলিয়ে দেয়া হয় গরীবদের মাঝে।ধনীদের আঙ্গিনা হতে গোস্ত চলে যায় গরীবদের রান্না ঘরে।আল্লাহর অপার মহিমার অংশীদার হন গরীবরা।
রান্না করে তৃপ্তির সাথে আহার করেন সকল মোসলমানেরা।হাজার শুকুর গুজার করেন আল্লাহর ।

কিন্তু কোরবানী দেয়া পশুর রক্ত উচ্ছিষ্ট মাংস ঠিক মতো মাটিতে পুঁতে না রাখার করণে ছড়িয়ে পরে দুর্গদ্ধ্ ।আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে পরে অপবিত্রতা ।সে দুর্গন্ধের অপবিত্রতা কোরবানী দেয়া ধনী লোকের আঙ্গিনা হতে ছড়িয়ে পরে গরীবদের আঙ্গিনা পর্যন্ত।পথে ঘাটে রাস্তায় ছড়িয়ে পরে।অসুস্থ করে তোলে মানুষের মন।আর  বাযূ দোষনের দূগন্ধের অপবিত্রতায় বসবাস করে মানুষ ।নিমিশেই পবিত্র কোরবানীর আনন্দ রুপান্তরিত হয় অসুস্থ দুর্গন্ধে ।শুধু মাত্র কিছু সংখ্যক মানুষের সামান্য সচেতনতা অভাব ও দায়িত্বশীলতার অবহেলার কারণে।

সুগন্ধ পবিত্রতার অংশ,পরম নেকী অর্জনের সহায়ক।
দুর্গন্ধ অপবিত্রতার অংশ।দুর্গন্ধের অপর নাম পাপ ।
কিছু ধনী ব্যক্তি অনেক টাকা খরচ করে সুন্দর বাড়ী বানিয়েছেন ।
দেখলে নয়ন জুড়িয়ে যায় !
কিন্তু সে সুন্দর বাড়ী হতে ভেসে আসছে দূর্গন্ধ।
তখন বাড়ীটাকে ভাল লাগে না।বাড়ী ওয়ারার প্রতি বিরূপ ধারণা জন্মে।
মনে হয় সুন্দর বাড়ী হতে দূগন্ধের পাপী আত্মারা বের হয়ে আসছে।
সুগন্ধের বাতাসেরা ফরিয়াদ জানাতে চলে গেছে সৃষ্টিকর্তার কাছে।
পশু কোরবানী ম্লান করে দেয় দুগন্ধ ভরে যাওয়া বাতাস।
তাই কোরবানীর রক্ত উচ্ছিষ্ট হাড় মাংস এমন ভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলা উাচত।যাতে দূগন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশকে অবিত্র করে না ফেলে।আর  এই রকম অপবিত্রতার জন্য নিজেদের মর্যদা যেনো ক্ষুন্ন না হয়ে যায়।
পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অনুশীলন করুন ।তাতেই বুদ্ধি পেতে পারে মানুষ ও সমাজের মর্যদা।অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে দূর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ।আর প্রমানীত হয় সেমাজের মানুষ যথেষ্ট উন্নত নয়।
অন্য সমাজের মানুষ তাঁদের সম্পর্কে ভালো ধারণা নাও করতে পারে।
কাজেই উন্নত মানুষের পরিচয় দিতে পরিবেশ রাখুন নির্মল।
কারণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাই ঈমানের অঙ্গ ।

করনীয়-
১.কোরবানির  পশু জবেহ শেষে তার রক্ত ও  উচ্ছিষ্ট মাংস হাড়  অপসারণ করা।
২.কোরবানীর স্থানটিতে প্রয়োজনীয় পানি ঢেলে ভাল করে ধৌত করা ।
৩.পশুর রক্ত ও  উচ্ছিষ্ট মাংস হাড় মাটিতে গর্ত করে চাপা দেয়া।
৪.গর্তের মধ্যে কিছু চুন বা ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক, যেমন—ফাম-৩০ ইত্যাদি দেওয়া ।
যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় ।
৫. শিয়াল/কুকুর মাটি খুঁড়ে রক্ত ছড়াতে বা খেতে না পারে সেজন্য গর্তটি ভালমতো বন্ধ করে দেয়া।
৬.মাটিচাপার ওপরে কিছু মোটা তুষ ছিটিয়ে দিলে শেয়াল বা কুকুর মাটি গর্ত করে ময়লা তুলতে পারবে না।

করনীয় গুলো না করলে কি হতে পারে :-

১.পরিবেশ দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগ ছড়াবে,
২.চর্মজাতীয় রোগ উৎপত্তি হয়ে মানবদেহে বা পশুর শরীরে সংক্রমিত হতে পারে।
৩.কিছু ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি হয়ে খাদ্যের সঙ্গে মিশে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।
৪.সমাজ উন্নত সমাজ বলে পরিচিতি লাভ করবে না।


দুগন্ধ ছড়িয়ে  আপনি ভাল মানুষ হিসাবে পরিচিতি অর্জন করতে পারবেন না।
মোসলমান পরিচিতি হিসাবে অপর ধর্মের লোকদের কাছে বিরুপ ধারনা সৃষ্টি  হতে পারে।
সমাজও হবে অস্বাস্থ্যকর ।
যার জন্য সমাজের বাসিন্দা হিসাবে আপনি দায় এড়াতে পারেন না।
যা কোন মতেই কাম্য হতে পারে না।

অতএব পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাথুন।
অশেষ সোয়াবের ভাগীদার হোন ।