Thursday, November 26, 2015

The digital analysis of the life of a farmer!

The digital analysis of the life of a farmer!

Agriculture is the main country Bangladesh
Farmers are the driving force of the economy of this country.
In a country with the survival of farmers live.
But the farmers are doing in the country?
Some of the conditions was known to talk with a farmer.

Many farmers in the country in the name of the farmer Dilakar Hussain
Shalla upazila in Sunamgonj district of Bangladesh lives in the village of Kashipur Dilakar Hussain said.
His four children.
Dilakara's own decimal ninety acres of land.
Decimal ninety acres of the land is the cost of producing fifteen thousand a year.
To produce an income of forty thousand years.
Profit (40,000-15,000) = 25000 taka.
The twenty-five thousand rupees to the family's not Dilakar Hussain.
The other ninety percent of the land is also based on an annual contract has grown.
Therefore, the owners had to pay fifteen thousand.
He was under contract farming with the exception of the cost of ten thousand taka.
In the land of its annual revenues (25000 + 10,000) = 35,000 taka.
I'm asking Dilakar Hossain, -
"How much of your monthly expenses?"
- "Ten thousand"
  Dilakar Hussain said.
I wanted to know -
- "One hundred and twenty thousand rupees you spend annually.
Where is the money and resources from the rest of you? "
He says that the answer to this question, as well as agricultural work, he has to buy rice.
The price of rice has increased income.
Last year, the per sack (four kilograms) of one hundred bags of rice purchased at Rs 450 to 400 million taka.
Some days later, which they sold at Rs 850 to 800 per sack was two lakh.
Dilakar Hossain said it was his gain of one lakh taka.
The family was left to spend.
Dilakar Hossain said that, in the current year, he bought rice fifty fifty thousand rupees at Rs 450-500.
But the market price of 450 rupees rice armor.
This year, due to an increase in the price of rice is his loss.
He is waiting for an increase in rice prices.
Dilakar Hossain said that his four children are in primary school.
Two small children and wish to enroll in primary school was private.
Private primary school teaching costs.
This year, due to the increase in rice prices in private primary school children can not be admitted.
According to him, the quality of public primary schools than private primary school.

I thought the government primary school teachers, educational opportunities and lower the quality of higher education which is why, despite having one of the great mysteries.

Dilakar Hossain said that,

- "He does not want his children to be farmers.
Boys and girls to read the text that he had hoped would serve Baal.
Dilakar Hussain's father was a farmer, though. "

But in contrast to the educational achievements of employment.
The complexity of corruption are nepotism.
This will fulfill the dream of a farmer father?

But the lack of employment opportunities as opposed to educational achievements.
The complexity of corruption are nepotism.
This will fulfill the dream of a farmer father?

Still, people hope, to fight for a better life.

Because the people struggling hometown.
Bangla

বাংলাদেশের একজন কৃষকের জীবনের ডিজিটাল বিশ্লেষণ!

বাংলাদেশে কৃষি প্রধাণ দেশ।
কৃষকরা এদেশের অর্নীতির অন্যতম চালিকা শক্তি।
এক কথায় বলা যায় কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।
কিন্তু কেমন আছেন দেশের কৃষকরা ?
একজন কৃষকের সাথে আলাপ করে কিছু পরিস্থিতি জানা গেল।

বাংলাদেশের অনেক কৃষকের মধ্যে একজন কৃষক নাম দিলকার হোসেন
বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে বসবাস করেন দিলকার হোসেন।
উনার চার ছেলে মেয়ে।
দিলকার হোসেনের নিজের জমি নব্বই শতাংশ।
নব্বই শতাংশ জমির বছরে ফসল উৎপাদন  খরচ হয় পনের হাজার টাকা।
উৎপাদিত ফসল হতে বছরে আয় হয় চল্লিশ হাজার টাকা।
লাভ হয় (৪০,০০০-১৫,০০০)=২৫,০০০ টাকা।
এই পঁচিশ হাজার টাকায় দিলকার হোসেনের সংসার চলে না ।
তাই তিনি অপরের আরো নব্বই শতাংশ জমি বাৎসরিক চুক্তি ভিত্তিক চাষ করেন।
এজন্য তাকে জমির মালিককে পনের হাজার টাকা দিতে হয়।
চুক্তি ভিত্তিক চাষ চাষ করে খরচ বাদে তিনি পান দশ হাজার টাকা।
জমি হতে তার বাৎসরিক আয় (২৫,০০০+১০,০০০)=৩৫,০০০ টাকা।
আমি দিলকার হোসনকে জিঞ্জাসা করলাম,-
‘ আপনার মাসিক ব্যয় কত?’
-‘দশহাজার টাকা’ জানালেন দিলকার হোসেন।
আমি জানতে চাইলাম,-
-‘ আপনার বাৎসরিক ব্যয় এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা।
বাকী টাকা কোথা থেকে সংস্থান হয় আপনার?’
এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন যে,কৃষি কাজ করার পাশাপাশি তিনি ধান কিনে রাখেন।
ধানের দাম বাড়লে তা বিক্রী করে আয় করেন।
গত বছর তিনি বস্তা প্রতি(চল্লিশ কিলোগ্রাম)৪০০ হতে ৪৫০ টাকা দরে একশত বস্তা ধান কিনেছিলেন এক লক্ষ টাকায়।
যা কিছু দিন পরে বস্তা প্রতি ৮০০ হতে ৮৫০ টাকা দরে বিক্রী করে দুই লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন।
দিলকার হোসেন জানান এতে তার লাভ হয়েছিল একলক্ষ টাকা।
এতে সংসারের খরচ মিটেছিল।
দিলকার হোসেন আরো জানান যে,বর্তমান বছরে তিনি  ৪৫০-৫০০ টাকা দরে পঞ্চাশ মন ধান কিনেছেন পঞ্চাশ হাজার টাকায়।
কিন্তু ধানের বর্মান বাজার মূল্য ৪৫০ টাকা।
এই বছরে ধানের মূল্য না বাড়ার কারণে তার  ক্ষতি হচ্ছে।
ধানের মূল্য বাড়ার জন্য তিনি অপেক্ষায় রয়েছেন।

দিলকার হোসেন জানান যে তার চারটি ছেলে মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে পড়ছে।
ছোট দুটি ছেলে মেয়েকে বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করানোর ইচ্ছা ছিল।
বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে পড়ানোর খরচ বেশী।
এ বছরে ধানের দাম না বাড়ার কারণে ছেলে মেয়েদের বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করানো সম্ভব হচ্চে না।
তার মতে সরকারী প্রাইমারী স্কুলের চেয়ে বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে পড়ার মান ভাল।

আমি ভাবলাম সরকারী প্রাইমারী স্কুলের টিচারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সুযোগ সুবিধা বেশী থাকা সত্বেও কেন পড়ালেখার মান কম তাহা এক বিরাট রহস্য।

দিলকার হোসেন বলেন যে,
-‘তিনি তার ছেলে মেয়েদের কৃষক হতে দিতে চান না।
ছেলে মেয়েরা লেখা পড়া করে বাল চাকুরী করবে এটাই তিনি আশা করেন।
যদিও দিলকার হোসেন এর পিতাও একজন কৃষক ছিলেন।’

কিন্তু বাংলাদেশে শিক্ষা অর্জনের বিপরীতে কর্মসংস্থানের প্রকট অভাব।
আছে দূর্নীতি স্বজনপ্রীতি আর হাজার জটিলতা।
এই অবস্থায় একজন কৃষক পিতার স্বপ্ন কি পূরণ হবে ?

তবু মানুষ আশা করে,ভাল জীবনের জন্য সংগ্রাম করে।
কারণ বাংলাদেশীয়রা আজন্ম সংগ্রামী জাতি।

ছবি-গ্রামের শিশুরা শাক তুলেছে রান্না করে খাবার জন্য।

Thursday, November 26, 2015

The digital analysis of the life of a farmer!

The digital analysis of the life of a farmer!

Agriculture is the main country Bangladesh
Farmers are the driving force of the economy of this country.
In a country with the survival of farmers live.
But the farmers are doing in the country?
Some of the conditions was known to talk with a farmer.

Many farmers in the country in the name of the farmer Dilakar Hussain
Shalla upazila in Sunamgonj district of Bangladesh lives in the village of Kashipur Dilakar Hussain said.
His four children.
Dilakara's own decimal ninety acres of land.
Decimal ninety acres of the land is the cost of producing fifteen thousand a year.
To produce an income of forty thousand years.
Profit (40,000-15,000) = 25000 taka.
The twenty-five thousand rupees to the family's not Dilakar Hussain.
The other ninety percent of the land is also based on an annual contract has grown.
Therefore, the owners had to pay fifteen thousand.
He was under contract farming with the exception of the cost of ten thousand taka.
In the land of its annual revenues (25000 + 10,000) = 35,000 taka.
I'm asking Dilakar Hossain, -
"How much of your monthly expenses?"
- "Ten thousand"
  Dilakar Hussain said.
I wanted to know -
- "One hundred and twenty thousand rupees you spend annually.
Where is the money and resources from the rest of you? "
He says that the answer to this question, as well as agricultural work, he has to buy rice.
The price of rice has increased income.
Last year, the per sack (four kilograms) of one hundred bags of rice purchased at Rs 450 to 400 million taka.
Some days later, which they sold at Rs 850 to 800 per sack was two lakh.
Dilakar Hossain said it was his gain of one lakh taka.
The family was left to spend.
Dilakar Hossain said that, in the current year, he bought rice fifty fifty thousand rupees at Rs 450-500.
But the market price of 450 rupees rice armor.
This year, due to an increase in the price of rice is his loss.
He is waiting for an increase in rice prices.
Dilakar Hossain said that his four children are in primary school.
Two small children and wish to enroll in primary school was private.
Private primary school teaching costs.
This year, due to the increase in rice prices in private primary school children can not be admitted.
According to him, the quality of public primary schools than private primary school.

I thought the government primary school teachers, educational opportunities and lower the quality of higher education which is why, despite having one of the great mysteries.

Dilakar Hossain said that,

- "He does not want his children to be farmers.
Boys and girls to read the text that he had hoped would serve Baal.
Dilakar Hussain's father was a farmer, though. "

But in contrast to the educational achievements of employment.
The complexity of corruption are nepotism.
This will fulfill the dream of a farmer father?

But the lack of employment opportunities as opposed to educational achievements.
The complexity of corruption are nepotism.
This will fulfill the dream of a farmer father?

Still, people hope, to fight for a better life.

Because the people struggling hometown.
Bangla

বাংলাদেশের একজন কৃষকের জীবনের ডিজিটাল বিশ্লেষণ!

বাংলাদেশে কৃষি প্রধাণ দেশ।
কৃষকরা এদেশের অর্নীতির অন্যতম চালিকা শক্তি।
এক কথায় বলা যায় কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।
কিন্তু কেমন আছেন দেশের কৃষকরা ?
একজন কৃষকের সাথে আলাপ করে কিছু পরিস্থিতি জানা গেল।

বাংলাদেশের অনেক কৃষকের মধ্যে একজন কৃষক নাম দিলকার হোসেন
বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে বসবাস করেন দিলকার হোসেন।
উনার চার ছেলে মেয়ে।
দিলকার হোসেনের নিজের জমি নব্বই শতাংশ।
নব্বই শতাংশ জমির বছরে ফসল উৎপাদন  খরচ হয় পনের হাজার টাকা।
উৎপাদিত ফসল হতে বছরে আয় হয় চল্লিশ হাজার টাকা।
লাভ হয় (৪০,০০০-১৫,০০০)=২৫,০০০ টাকা।
এই পঁচিশ হাজার টাকায় দিলকার হোসেনের সংসার চলে না ।
তাই তিনি অপরের আরো নব্বই শতাংশ জমি বাৎসরিক চুক্তি ভিত্তিক চাষ করেন।
এজন্য তাকে জমির মালিককে পনের হাজার টাকা দিতে হয়।
চুক্তি ভিত্তিক চাষ চাষ করে খরচ বাদে তিনি পান দশ হাজার টাকা।
জমি হতে তার বাৎসরিক আয় (২৫,০০০+১০,০০০)=৩৫,০০০ টাকা।
আমি দিলকার হোসনকে জিঞ্জাসা করলাম,-
‘ আপনার মাসিক ব্যয় কত?’
-‘দশহাজার টাকা’ জানালেন দিলকার হোসেন।
আমি জানতে চাইলাম,-
-‘ আপনার বাৎসরিক ব্যয় এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা।
বাকী টাকা কোথা থেকে সংস্থান হয় আপনার?’
এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন যে,কৃষি কাজ করার পাশাপাশি তিনি ধান কিনে রাখেন।
ধানের দাম বাড়লে তা বিক্রী করে আয় করেন।
গত বছর তিনি বস্তা প্রতি(চল্লিশ কিলোগ্রাম)৪০০ হতে ৪৫০ টাকা দরে একশত বস্তা ধান কিনেছিলেন এক লক্ষ টাকায়।
যা কিছু দিন পরে বস্তা প্রতি ৮০০ হতে ৮৫০ টাকা দরে বিক্রী করে দুই লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন।
দিলকার হোসেন জানান এতে তার লাভ হয়েছিল একলক্ষ টাকা।
এতে সংসারের খরচ মিটেছিল।
দিলকার হোসেন আরো জানান যে,বর্তমান বছরে তিনি  ৪৫০-৫০০ টাকা দরে পঞ্চাশ মন ধান কিনেছেন পঞ্চাশ হাজার টাকায়।
কিন্তু ধানের বর্মান বাজার মূল্য ৪৫০ টাকা।
এই বছরে ধানের মূল্য না বাড়ার কারণে তার  ক্ষতি হচ্ছে।
ধানের মূল্য বাড়ার জন্য তিনি অপেক্ষায় রয়েছেন।

দিলকার হোসেন জানান যে তার চারটি ছেলে মেয়ে প্রাইমারী স্কুলে পড়ছে।
ছোট দুটি ছেলে মেয়েকে বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করানোর ইচ্ছা ছিল।
বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে পড়ানোর খরচ বেশী।
এ বছরে ধানের দাম না বাড়ার কারণে ছেলে মেয়েদের বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করানো সম্ভব হচ্চে না।
তার মতে সরকারী প্রাইমারী স্কুলের চেয়ে বেসরকারী প্রাইমারী স্কুলে পড়ার মান ভাল।

আমি ভাবলাম সরকারী প্রাইমারী স্কুলের টিচারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সুযোগ সুবিধা বেশী থাকা সত্বেও কেন পড়ালেখার মান কম তাহা এক বিরাট রহস্য।

দিলকার হোসেন বলেন যে,
-‘তিনি তার ছেলে মেয়েদের কৃষক হতে দিতে চান না।
ছেলে মেয়েরা লেখা পড়া করে বাল চাকুরী করবে এটাই তিনি আশা করেন।
যদিও দিলকার হোসেন এর পিতাও একজন কৃষক ছিলেন।’

কিন্তু বাংলাদেশে শিক্ষা অর্জনের বিপরীতে কর্মসংস্থানের প্রকট অভাব।
আছে দূর্নীতি স্বজনপ্রীতি আর হাজার জটিলতা।
এই অবস্থায় একজন কৃষক পিতার স্বপ্ন কি পূরণ হবে ?

তবু মানুষ আশা করে,ভাল জীবনের জন্য সংগ্রাম করে।
কারণ বাংলাদেশীয়রা আজন্ম সংগ্রামী জাতি।

ছবি-গ্রামের শিশুরা শাক তুলেছে রান্না করে খাবার জন্য।