Thursday, November 19, 2015

The status of Turkish women

The status of Turkish women
The Adventures of Ibn Battuta Historical thriller
Turks body is shapely and strong.
Turks brave and hard-working.
However, the behavior is quite good.
Women look more beautiful than a male.
Moreover, mobility is often beautiful and attractive dress decorated Turkish women.
One of the beautiful carvings of women wear the crown.
The crown  Kulitaka's name is called.
A Is on top of a peacock feather on the crown.
Many are adorned with the crown jewels.
The vehicle window is open to mobility.
Turkish women the veil covering the face, there is no tradition.
After the Turkish market daughters to sail through independent way.
Sheep or milk of a Turkish woman came to the market.
Some of the Turkish market with a woman is a slave.
Her husband is a woman with a lot of men have appeared.
The husband of the clothes are not easily recognizable.
Because of the attractive woman is on her dress.
A male of Turkish leather garments.
Wear a hat on the head of the animal's hair and the name of the fan.
Turks in the area during the tour was a surprise for me too.
That is the status of Turkish women.
Turkish society, dignity of men more than women.
Some examples will be clear to the dignity of women.

Amir never recovered from the Crimea to salatiyake tamurera wife saw the car.
Amir's wife was in the car salatiya different.
The vehicle was designed with beautiful blue ribbons.
Amir's wife was in the car with us.
Amir's wife was in the car windows open.
Four beautiful maid was sitting in front of Amir’s wife, I saw .
They were engaged in charity salatiyara Amir’s spouse.
Amir's vehicle fleet had already left.
Amir's tent instead of a rest stop and saw his wife's car.
Amir's spouse
Khatun(Amir's spouse )came to the tent, he stopped the car and got out of the car.
At the time of his coming out of the car and ran the thirty Kanij (Servant girl)Khatun clothes with fringe highlights followed.
Amir arrived at the foot of racy Khatun stood up and bowed courteously.
The Khatun took him by the hand to his side.
Kanijara(Servant girls)were standing around at the time to come up with Khatun(Amir's wife).

At that time, the Turks were to come up with a favorite drink kumisa(drink).
Amir Khatoon stood to the side.
A nice cup of servants poured from the pot kumisera.
After the two sat down together in front of Amir's cup in his hand, stretched out his hands.
Amir took it very respectfully.
Khatun, then poured another cup kumisa gave Amir’s brother.
Amir's turn this time.
He gave his wife a cup and pour kumisa.
And everyone drank one kumisa.
Get kumisa Custodian, after the emir gave a very beautiful dress .
Amir gave it to his wife.
Khatun, a beautiful dress, with a servant girls went back to his tent.
Kanijara(servant girls )when the car runs out of the car to honor him, the hem of a garment (Amir's wife).
Turks in the middle of the women less than the value of this kind of enjoy the honor.
Here the cars they use for mobility.
Two women are nearly four Kaniz.
Some traders saw the woman in the car or taking the time to climb up the hem of the garment of the kanijara helped him down from the car.

তুর্কী নারীদের মান মর্যাদা

ইবনে বতুতার ঐতিহাসিক রোমাঞ্চকর অভিযান
তুর্কীরা সুঠাম দেহের অধিকারী এবং শক্তিশালী।
তুর্কীরা সাহসী ও পরিশ্রমী।
তবে আচার আচরণ বেশ শান্তশিষ্ট।
পূরুষদের চেয়ে নারীদের চেহারা সূরত বেশী সুন্দর।
তাছাড়া  চলাফেরার সময় প্রায়ই সুন্দর ও আকর্ষনীয় পোষাকে সজ্জিত থাকে তুর্কী নারীরা।
রমনীদের প্রত্যেকের মাথায় এক ধরণের সুন্দর কারুকাজ করা মুকুট পরিধান করে।
এই মুকুট গুলোকে কুলিতাক বলা হয়।
মুকুটের শীর্ষে গোজা থাকে একটি ময়ূরের পালক।
অনেক মুকুটে মণিমুক্তাও খচিত থাকে।
চলাফেরার সময় গাড়ির জানালা সাধারণত খোলাই থাকে।
তুর্কী রমণীদের মাঝে চাদর দিয়ে মুখ ঢাকার কোন রেওয়াজ নেই।
বাজার ঘাটে তুর্কী রমনীরা স্বাধীন ভাবেই চলা ফেরা করে।
অনেক তুর্কী রমণী  ভেড়া বা দুধ বিক্রী করার জন্য নিজেই বাজারে আসেন।
বাজারে আসলে তুর্কী রমণীর সঙ্গে কয়েকজন গোলামও থাকে।
অনেক সময় গোলামদের সঙ্গে রমণীর স্বামীও হাজির থাকে।
তবে সেই স্বামীকে সাধারণ পোষাকে সহজে চেনা না ।
কারণ স্ত্রীর মতো আকর্ষণীয় পোষাক তার গায়ে থাকে না।
সাধারণ তুর্কী পূরুষেরা চামড়ার তৈরী জামা পরে।
মাথায় পরিধান করে পশু লোমের তৈরী টুপি নাম কুলা।
তুর্কীদের এলাকায় সফর করার সময় একটা বিষয় আমার কাছে খুব অবাক লেগেছে।
সেটা হলো তুর্কী নারীদের মান মর্যাদা।
তুর্কীদের সমাজে পূরুষের চেয়ে নারীদের মর্যদা বেশী।
কিছু উদাহরণ থেকে নারীদের মর্যদার বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

ক্রিমিয়া থেকে আসার সময় আমির তুলুক তামুরের স্ত্রী সালতিয়াকে গাড়িতে দেখেছিলাম।
আমিরের স্ত্রী সালতিয়া আলাদা গাড়িতে যাচ্ছিলেন।
গাড়িটিকে সুন্দর নীল রঙের ঝালরে সাজানো হয়েছিল।
আমাদের গাড়িও আমিরের স্ত্রী গাড়ির সঙ্গে ছিল।
আমির পত্নীর গাড়ির জানালা খোলা ছিল।
আমি দেখেছি অপরূপ সাজে সজ্জিত অমিরের স্ত্রীর সামনে সুন্দর সুন্দর কাপড় পরা চারজন সুশ্রী কানিজ(দাসী) বসা ছিল।
এরা সবাই খাতুন সালতিয়ার খেদমতে নিয়োজিত ছিল।
আমিরের গাড়ির বহর এর আগেই রওয়ানা হয়েছিল।
কোন এক বিশ্রাম স্থলে আমিরের তাঁবুতে তাঁর খাতুনের গাড়ি থামতে দেখেছি ।
তাঁবুর কাছে এসে খাতুনের গাড়ী এসে থামলে তিনি গাড়ি থেকে নেমে আসলেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে আসা বিভিন্ন গাড়ি থেকে নেমে আসা ত্রিশ জন কানিজ ছুটে এসে খাতুনের পোষাকের আঁচল তুলে ধরে খাতুনের সঙ্গে সঙ্গে চলল।
খাতুন দৃপ্ত পায়ে এসে আমিরের সামনে এসে পৌঁছলে আমির সসম্মানে উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে সালাম জানালেন।
এরপর খাতুনের হাত ধরে তাঁকে নিজের পাশে বসালেন।
এ সময় খাতুনের সঙ্গে আসা কানিজরা চারপাশে দাড়িয়ে থাকল।

এ সময় তুর্কীদের প্রিয় পানীয় কুমিস নিয়ে আসা হলো।
খাতুন আমিরের পাশ থেকে উঠে দাঁড়ালেন।
খাদেমদের কাছ থেকে কুমিসের পাত্র নিয়ে একটি সুন্দর পেয়ালায় ঢাললেন।
তার পর দু’জানু জড়ো করে আমিরের সামনে বসে পেয়ালাটি তাঁর দিকে দু’হাতে বাড়িয়ে দিলেন।
আমিরও খুব সম্মানের সঙ্গে সেটি গ্রহণ করলেন।
ত্ররপর খাতুন আরেকটি পেয়ালায় কুমিস ঢেলে আমিরের ভাইয়ের হাতে দিলেন।

এবার আমিরের পালা।
তিনিও একটি পেয়ালায় কুমিস ঢেলে স্ত্রীর হাতে দিলেন।
এরপর সবাই এক সঙ্গে কুমিস পান করলেন।
পান পর্ব শেষে খাদেম একটি খুব সুন্দর পোশাক এনে আমিরের হাতে দিলেন।
আমির সেটি তাঁর স্ত্রীকে উপহার দিলেন।
খাতুন সুন্দর পোশাকটি নিয়ে  কানিজদের সঙ্গে নিজ তাঁবুতে ফিরে গেলেন।
গাড়িতে উঠার সময়ও কানিজরা খাতুনের পোশাকের ঝালর তুলে ধরে তাকে সম্মানে গাড়িতে উঠিয়ে দেয়।

মধ্যবিত্ত তুর্কীদের স্ত্রীরাও কম-বেশী এই ধরণের মান সম্মন ভোগ করেন।
এখানে সেখানে চলাফেরার জন্য তাঁরাও গাড়ি ব্যবহার করেন।
প্রায় মহিলারই দুই চার জন কানিজ থাকে।
কয়েকজন ব্যবসায়ীর স্ত্রীদের দেখেছি গাড়িতে উঠার সময় বা নামার সময় কানিজরা পোশাকের ঝালর তুলে ধরে তাকে গাড়ি থেকে নামতে সাহায্য করেছে।

Thursday, November 19, 2015

The status of Turkish women

The status of Turkish women
The Adventures of Ibn Battuta Historical thriller
Turks body is shapely and strong.
Turks brave and hard-working.
However, the behavior is quite good.
Women look more beautiful than a male.
Moreover, mobility is often beautiful and attractive dress decorated Turkish women.
One of the beautiful carvings of women wear the crown.
The crown  Kulitaka's name is called.
A Is on top of a peacock feather on the crown.
Many are adorned with the crown jewels.
The vehicle window is open to mobility.
Turkish women the veil covering the face, there is no tradition.
After the Turkish market daughters to sail through independent way.
Sheep or milk of a Turkish woman came to the market.
Some of the Turkish market with a woman is a slave.
Her husband is a woman with a lot of men have appeared.
The husband of the clothes are not easily recognizable.
Because of the attractive woman is on her dress.
A male of Turkish leather garments.
Wear a hat on the head of the animal's hair and the name of the fan.
Turks in the area during the tour was a surprise for me too.
That is the status of Turkish women.
Turkish society, dignity of men more than women.
Some examples will be clear to the dignity of women.

Amir never recovered from the Crimea to salatiyake tamurera wife saw the car.
Amir's wife was in the car salatiya different.
The vehicle was designed with beautiful blue ribbons.
Amir's wife was in the car with us.
Amir's wife was in the car windows open.
Four beautiful maid was sitting in front of Amir’s wife, I saw .
They were engaged in charity salatiyara Amir’s spouse.
Amir's vehicle fleet had already left.
Amir's tent instead of a rest stop and saw his wife's car.
Amir's spouse
Khatun(Amir's spouse )came to the tent, he stopped the car and got out of the car.
At the time of his coming out of the car and ran the thirty Kanij (Servant girl)Khatun clothes with fringe highlights followed.
Amir arrived at the foot of racy Khatun stood up and bowed courteously.
The Khatun took him by the hand to his side.
Kanijara(Servant girls)were standing around at the time to come up with Khatun(Amir's wife).

At that time, the Turks were to come up with a favorite drink kumisa(drink).
Amir Khatoon stood to the side.
A nice cup of servants poured from the pot kumisera.
After the two sat down together in front of Amir's cup in his hand, stretched out his hands.
Amir took it very respectfully.
Khatun, then poured another cup kumisa gave Amir’s brother.
Amir's turn this time.
He gave his wife a cup and pour kumisa.
And everyone drank one kumisa.
Get kumisa Custodian, after the emir gave a very beautiful dress .
Amir gave it to his wife.
Khatun, a beautiful dress, with a servant girls went back to his tent.
Kanijara(servant girls )when the car runs out of the car to honor him, the hem of a garment (Amir's wife).
Turks in the middle of the women less than the value of this kind of enjoy the honor.
Here the cars they use for mobility.
Two women are nearly four Kaniz.
Some traders saw the woman in the car or taking the time to climb up the hem of the garment of the kanijara helped him down from the car.

তুর্কী নারীদের মান মর্যাদা

ইবনে বতুতার ঐতিহাসিক রোমাঞ্চকর অভিযান
তুর্কীরা সুঠাম দেহের অধিকারী এবং শক্তিশালী।
তুর্কীরা সাহসী ও পরিশ্রমী।
তবে আচার আচরণ বেশ শান্তশিষ্ট।
পূরুষদের চেয়ে নারীদের চেহারা সূরত বেশী সুন্দর।
তাছাড়া  চলাফেরার সময় প্রায়ই সুন্দর ও আকর্ষনীয় পোষাকে সজ্জিত থাকে তুর্কী নারীরা।
রমনীদের প্রত্যেকের মাথায় এক ধরণের সুন্দর কারুকাজ করা মুকুট পরিধান করে।
এই মুকুট গুলোকে কুলিতাক বলা হয়।
মুকুটের শীর্ষে গোজা থাকে একটি ময়ূরের পালক।
অনেক মুকুটে মণিমুক্তাও খচিত থাকে।
চলাফেরার সময় গাড়ির জানালা সাধারণত খোলাই থাকে।
তুর্কী রমণীদের মাঝে চাদর দিয়ে মুখ ঢাকার কোন রেওয়াজ নেই।
বাজার ঘাটে তুর্কী রমনীরা স্বাধীন ভাবেই চলা ফেরা করে।
অনেক তুর্কী রমণী  ভেড়া বা দুধ বিক্রী করার জন্য নিজেই বাজারে আসেন।
বাজারে আসলে তুর্কী রমণীর সঙ্গে কয়েকজন গোলামও থাকে।
অনেক সময় গোলামদের সঙ্গে রমণীর স্বামীও হাজির থাকে।
তবে সেই স্বামীকে সাধারণ পোষাকে সহজে চেনা না ।
কারণ স্ত্রীর মতো আকর্ষণীয় পোষাক তার গায়ে থাকে না।
সাধারণ তুর্কী পূরুষেরা চামড়ার তৈরী জামা পরে।
মাথায় পরিধান করে পশু লোমের তৈরী টুপি নাম কুলা।
তুর্কীদের এলাকায় সফর করার সময় একটা বিষয় আমার কাছে খুব অবাক লেগেছে।
সেটা হলো তুর্কী নারীদের মান মর্যাদা।
তুর্কীদের সমাজে পূরুষের চেয়ে নারীদের মর্যদা বেশী।
কিছু উদাহরণ থেকে নারীদের মর্যদার বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

ক্রিমিয়া থেকে আসার সময় আমির তুলুক তামুরের স্ত্রী সালতিয়াকে গাড়িতে দেখেছিলাম।
আমিরের স্ত্রী সালতিয়া আলাদা গাড়িতে যাচ্ছিলেন।
গাড়িটিকে সুন্দর নীল রঙের ঝালরে সাজানো হয়েছিল।
আমাদের গাড়িও আমিরের স্ত্রী গাড়ির সঙ্গে ছিল।
আমির পত্নীর গাড়ির জানালা খোলা ছিল।
আমি দেখেছি অপরূপ সাজে সজ্জিত অমিরের স্ত্রীর সামনে সুন্দর সুন্দর কাপড় পরা চারজন সুশ্রী কানিজ(দাসী) বসা ছিল।
এরা সবাই খাতুন সালতিয়ার খেদমতে নিয়োজিত ছিল।
আমিরের গাড়ির বহর এর আগেই রওয়ানা হয়েছিল।
কোন এক বিশ্রাম স্থলে আমিরের তাঁবুতে তাঁর খাতুনের গাড়ি থামতে দেখেছি ।
তাঁবুর কাছে এসে খাতুনের গাড়ী এসে থামলে তিনি গাড়ি থেকে নেমে আসলেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে আসা বিভিন্ন গাড়ি থেকে নেমে আসা ত্রিশ জন কানিজ ছুটে এসে খাতুনের পোষাকের আঁচল তুলে ধরে খাতুনের সঙ্গে সঙ্গে চলল।
খাতুন দৃপ্ত পায়ে এসে আমিরের সামনে এসে পৌঁছলে আমির সসম্মানে উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে সালাম জানালেন।
এরপর খাতুনের হাত ধরে তাঁকে নিজের পাশে বসালেন।
এ সময় খাতুনের সঙ্গে আসা কানিজরা চারপাশে দাড়িয়ে থাকল।

এ সময় তুর্কীদের প্রিয় পানীয় কুমিস নিয়ে আসা হলো।
খাতুন আমিরের পাশ থেকে উঠে দাঁড়ালেন।
খাদেমদের কাছ থেকে কুমিসের পাত্র নিয়ে একটি সুন্দর পেয়ালায় ঢাললেন।
তার পর দু’জানু জড়ো করে আমিরের সামনে বসে পেয়ালাটি তাঁর দিকে দু’হাতে বাড়িয়ে দিলেন।
আমিরও খুব সম্মানের সঙ্গে সেটি গ্রহণ করলেন।
ত্ররপর খাতুন আরেকটি পেয়ালায় কুমিস ঢেলে আমিরের ভাইয়ের হাতে দিলেন।

এবার আমিরের পালা।
তিনিও একটি পেয়ালায় কুমিস ঢেলে স্ত্রীর হাতে দিলেন।
এরপর সবাই এক সঙ্গে কুমিস পান করলেন।
পান পর্ব শেষে খাদেম একটি খুব সুন্দর পোশাক এনে আমিরের হাতে দিলেন।
আমির সেটি তাঁর স্ত্রীকে উপহার দিলেন।
খাতুন সুন্দর পোশাকটি নিয়ে  কানিজদের সঙ্গে নিজ তাঁবুতে ফিরে গেলেন।
গাড়িতে উঠার সময়ও কানিজরা খাতুনের পোশাকের ঝালর তুলে ধরে তাকে সম্মানে গাড়িতে উঠিয়ে দেয়।

মধ্যবিত্ত তুর্কীদের স্ত্রীরাও কম-বেশী এই ধরণের মান সম্মন ভোগ করেন।
এখানে সেখানে চলাফেরার জন্য তাঁরাও গাড়ি ব্যবহার করেন।
প্রায় মহিলারই দুই চার জন কানিজ থাকে।
কয়েকজন ব্যবসায়ীর স্ত্রীদের দেখেছি গাড়িতে উঠার সময় বা নামার সময় কানিজরা পোশাকের ঝালর তুলে ধরে তাকে গাড়ি থেকে নামতে সাহায্য করেছে।