Friday, January 22, 2016

একটি অদ্ভুত স্বপ্ন ও খাব নামা

একটি অদ্ভুত স্বপ্ন ও খাব নামা

গত রাতে অদ্ভুত  স্বপ্ন দেখলাম ।দেখলাম অদ্ভুত এক বাসে চড়ে অজানা এক স্থানে চলে গিয়েছি।বাসের যাত্রীরা অজানা গন্তব্যে নিয়ে আসায় ড্রাইভার ও হেল্পারের প্রতি চরম বিরক্ত ছিল।কিন্তু তার চেয়ে অদ্ভুদ ব্যাপার হলো বাসের চালক ও কন্ডাক্টটরকে খুঁজে পাওয়া গেল না ।যেনো ভোজবাজির মতো হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে।সেখান অনেক অদ্ভুত বিষয় দেখলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে তার কিছু মনে পড়ল ।
যেমন-
স্বপ্ন ১।বাসায় আসার জন্য বাস যাত্রী হলাম ,কিন্তু নিদৃষ্ট কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌঁছালো না বাস,অজানা অপরিচিত গন্তব্যে পৌঁছে বাস।ফলে যাত্রীগণ অসন্তোষ্ট হয় ।অসন্তোষ্ট যাত্রীগণ অভিযোগ করার জন্য ড্রাইভার হেলপার কাউকেই খুঁজে পান না।
২।সেখানে দেখলাম গ্রামের কৃষকগণ গবাদি পশু গরু ছাগল পালন না করে গবাদি পশু হিসাবে হাতি লালন পালন করেন।
৩।জনসাধারণ সরকারী পাকা রাস্তায় হাঁটেন না বা চলাচল করেন না, কর্দমাক্ত রাস্তা বা ক্ষেতের আইল দিয়ে চলাচল করেন।
৪।কামারের দোকানের কামার সবজি বিক্রয় করেন ।তিনি আবার কোন গাড়ি চলবে,কোন গাড়ি চলবে না তার আদেশ নিষেধ করেন।তার আদেশ অমান্য করার কারো সাধ্যি নেই।
৫।বাজারে কোন থাকা খাবার হোটেল নেই।
৬।লোকজন অপরিচিতদের, এমনকি আমাকেও তাদের বাড়িতে থাকা খাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
৭।সরকারী পাকা সড়ক কোথা থেকে কোথায় গিয়েছে তার ঠিকানা জানেন না জনগণ ।
৮।কম্পিউটারের দোকানে বসেন ব্যাংক ম্যানেজার,তিনি আবার জনগণকে বিনা মূল্যে যেচে পড়ে চিকিৎসা করেন ।কিন্তু জনগন তার চিকিৎসা নিতে অনাগ্রহী।তবু জোর করে তিনি চিকিৎসা করেন।
৯।হরতালের দিন গাড়ি চলে ।হরতাল না হলে গাড়ি চলে না।তাই জনগণ অপেক্ষা করেন কোনদিন হরতাল হবে।আমি যেনো হরতালের দিন অজানা স্থানে চলে এসেছি।এখন হরতাল নেই তাই যেতে পারছি না।
১০।বিলে ঝিলে শাপলা ও পদ্ম ফুল দেখতে পাওয়া যায় না,দেখলাম হাতিরা সেখানে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে।দেখতে পেলাম শাপলা ও পদ্ম ফুটে রয়েছে ধনীর বাড়ির বাগানের টবে।

     গত রাতে আজগুবি এই সকল স্বপ্নে দেখলাম ।সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেক গুলো স্বপ্ন মনে পড়লো না। তার মধ্যে কিছু মনে পড়ল । কিছু স্বপ্ন লিপিবদ্ধ করতে সক্ষম হলাম।ভাবতে লাগলাম কেন এই গরমিলের স্বপ্ন গুলো দেখলাম?এর কি কোন অর্থ হতে পারে ?চিন্তা করে ব্যাখ্যা খুঁজতে লাগলাম।কিছু ব্যাখ্যাও পেয়ে গেলাম।ব্যাখ্যা গুলো সঠিক কিনা তার বিচারের ভার আপনাদের উপর রইলো ।উপরের স্বপ্নগুলোর ব্যাখ্যা নীচে আপনাদের জন্য দেয়া হলো ।এই স্বপ্ন গুলোর বিপরীতে আপনাদের ব্যাখ্যা কি হতে পারে ,তা’ জানানোর জন্য অনুরোধ রইলো।

স্বপ্নের ব্যাখ্যা -
১।যে আশা আকাঙ্খা নিয়ে জনগণ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল,সে আশা আকাঙ্খার বাস্তবায়ন হয় না।
২।কৃষকরা  বরাবর অবহেলিত,তাদের ভাগ্য উন্নয়ন হয় না।
৩।সড়ক উন্নয়নে অহেতুক তালবাহানার বিলম্ব জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে,নির্মীত সড়ক গুলো সহজেই ভেঙ্গে যায়,ভাঙ্গা সড়ক জনগণের জন্য ভোগান্তির কারণ হয় এবং সড়ক গুলো জনগণের জন্য নিরাপদ নয়।
৪।যোগ্য স্থানে যোগ্যদের অনুপস্থিত,দক্ষের চেয়ে পক্ষ বড় করে মানানো হচ্ছে ।
৫।অনুমোদনহীন হোটেলের খাবার জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।
৬।সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয়,আপন জনদের দ্বারা নিগৃহীত হচ্ছে মানুষ।
৭।দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কে জনগণের আগ্রহ অনুপস্থিত ।
৮।চিকিৎসা সেবা এখন ব্যবসা।
৯।হরতালের দিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপরতা বেশী থাকে,যা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অনুপস্থিত ।
কিন্তু স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়।
১০।শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।টাকা ছাড়া শিক্ষা অর্জন করা অসম্ভব ।

স্বপ্ন সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে খুব কম স্বপ্নই অসত্য হবে।”
তিনি আরো বলেন-
 “এটা এজন্যই হবে যে সে সময়টা নবুয়্যতের সময় ও প্রভাব থেকে অনেক দূরবর্তী হবে। ফলে বিশ্বাসীদেরকে সত্য স্বপ্নের মাধ্যমে কিছুটা পুষিয়ে দেয়া হবে, যা তাদের কাছে সুসংবাদ বয়ে আনবে অথবা তাদেরকে তাদের ঈমানের ব্যাপারে ধৈর্য ধরতে ও দৃঢ় থাকতে সাহায্য করবে।”

Friday, January 22, 2016

একটি অদ্ভুত স্বপ্ন ও খাব নামা

একটি অদ্ভুত স্বপ্ন ও খাব নামা

গত রাতে অদ্ভুত  স্বপ্ন দেখলাম ।দেখলাম অদ্ভুত এক বাসে চড়ে অজানা এক স্থানে চলে গিয়েছি।বাসের যাত্রীরা অজানা গন্তব্যে নিয়ে আসায় ড্রাইভার ও হেল্পারের প্রতি চরম বিরক্ত ছিল।কিন্তু তার চেয়ে অদ্ভুদ ব্যাপার হলো বাসের চালক ও কন্ডাক্টটরকে খুঁজে পাওয়া গেল না ।যেনো ভোজবাজির মতো হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে।সেখান অনেক অদ্ভুত বিষয় দেখলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে তার কিছু মনে পড়ল ।
যেমন-
স্বপ্ন ১।বাসায় আসার জন্য বাস যাত্রী হলাম ,কিন্তু নিদৃষ্ট কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌঁছালো না বাস,অজানা অপরিচিত গন্তব্যে পৌঁছে বাস।ফলে যাত্রীগণ অসন্তোষ্ট হয় ।অসন্তোষ্ট যাত্রীগণ অভিযোগ করার জন্য ড্রাইভার হেলপার কাউকেই খুঁজে পান না।
২।সেখানে দেখলাম গ্রামের কৃষকগণ গবাদি পশু গরু ছাগল পালন না করে গবাদি পশু হিসাবে হাতি লালন পালন করেন।
৩।জনসাধারণ সরকারী পাকা রাস্তায় হাঁটেন না বা চলাচল করেন না, কর্দমাক্ত রাস্তা বা ক্ষেতের আইল দিয়ে চলাচল করেন।
৪।কামারের দোকানের কামার সবজি বিক্রয় করেন ।তিনি আবার কোন গাড়ি চলবে,কোন গাড়ি চলবে না তার আদেশ নিষেধ করেন।তার আদেশ অমান্য করার কারো সাধ্যি নেই।
৫।বাজারে কোন থাকা খাবার হোটেল নেই।
৬।লোকজন অপরিচিতদের, এমনকি আমাকেও তাদের বাড়িতে থাকা খাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
৭।সরকারী পাকা সড়ক কোথা থেকে কোথায় গিয়েছে তার ঠিকানা জানেন না জনগণ ।
৮।কম্পিউটারের দোকানে বসেন ব্যাংক ম্যানেজার,তিনি আবার জনগণকে বিনা মূল্যে যেচে পড়ে চিকিৎসা করেন ।কিন্তু জনগন তার চিকিৎসা নিতে অনাগ্রহী।তবু জোর করে তিনি চিকিৎসা করেন।
৯।হরতালের দিন গাড়ি চলে ।হরতাল না হলে গাড়ি চলে না।তাই জনগণ অপেক্ষা করেন কোনদিন হরতাল হবে।আমি যেনো হরতালের দিন অজানা স্থানে চলে এসেছি।এখন হরতাল নেই তাই যেতে পারছি না।
১০।বিলে ঝিলে শাপলা ও পদ্ম ফুল দেখতে পাওয়া যায় না,দেখলাম হাতিরা সেখানে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে।দেখতে পেলাম শাপলা ও পদ্ম ফুটে রয়েছে ধনীর বাড়ির বাগানের টবে।

     গত রাতে আজগুবি এই সকল স্বপ্নে দেখলাম ।সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেক গুলো স্বপ্ন মনে পড়লো না। তার মধ্যে কিছু মনে পড়ল । কিছু স্বপ্ন লিপিবদ্ধ করতে সক্ষম হলাম।ভাবতে লাগলাম কেন এই গরমিলের স্বপ্ন গুলো দেখলাম?এর কি কোন অর্থ হতে পারে ?চিন্তা করে ব্যাখ্যা খুঁজতে লাগলাম।কিছু ব্যাখ্যাও পেয়ে গেলাম।ব্যাখ্যা গুলো সঠিক কিনা তার বিচারের ভার আপনাদের উপর রইলো ।উপরের স্বপ্নগুলোর ব্যাখ্যা নীচে আপনাদের জন্য দেয়া হলো ।এই স্বপ্ন গুলোর বিপরীতে আপনাদের ব্যাখ্যা কি হতে পারে ,তা’ জানানোর জন্য অনুরোধ রইলো।

স্বপ্নের ব্যাখ্যা -
১।যে আশা আকাঙ্খা নিয়ে জনগণ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল,সে আশা আকাঙ্খার বাস্তবায়ন হয় না।
২।কৃষকরা  বরাবর অবহেলিত,তাদের ভাগ্য উন্নয়ন হয় না।
৩।সড়ক উন্নয়নে অহেতুক তালবাহানার বিলম্ব জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে,নির্মীত সড়ক গুলো সহজেই ভেঙ্গে যায়,ভাঙ্গা সড়ক জনগণের জন্য ভোগান্তির কারণ হয় এবং সড়ক গুলো জনগণের জন্য নিরাপদ নয়।
৪।যোগ্য স্থানে যোগ্যদের অনুপস্থিত,দক্ষের চেয়ে পক্ষ বড় করে মানানো হচ্ছে ।
৫।অনুমোদনহীন হোটেলের খাবার জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।
৬।সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয়,আপন জনদের দ্বারা নিগৃহীত হচ্ছে মানুষ।
৭।দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কে জনগণের আগ্রহ অনুপস্থিত ।
৮।চিকিৎসা সেবা এখন ব্যবসা।
৯।হরতালের দিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপরতা বেশী থাকে,যা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অনুপস্থিত ।
কিন্তু স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়।
১০।শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।টাকা ছাড়া শিক্ষা অর্জন করা অসম্ভব ।

স্বপ্ন সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে খুব কম স্বপ্নই অসত্য হবে।”
তিনি আরো বলেন-
 “এটা এজন্যই হবে যে সে সময়টা নবুয়্যতের সময় ও প্রভাব থেকে অনেক দূরবর্তী হবে। ফলে বিশ্বাসীদেরকে সত্য স্বপ্নের মাধ্যমে কিছুটা পুষিয়ে দেয়া হবে, যা তাদের কাছে সুসংবাদ বয়ে আনবে অথবা তাদেরকে তাদের ঈমানের ব্যাপারে ধৈর্য ধরতে ও দৃঢ় থাকতে সাহায্য করবে।”