Friday, January 8, 2016

Bangladesh's poultry farm and a village life story

Bangladesh's poultry farm and a village life story

Nowadays, many people in the village to earn money for the duck farm.
Masuk Mia Chowdhury  is one of them, Late father abbach Mia Chowdhury,Bangalagao Village, Union Karimpur, sub-district Derai, district Sunamganj, Sylhet Division, Bangladesh.
He has a duck farm
Duck farms
1000 bought poultry chicks
With twenty-five thousand
taka.
Keeping the maintenance cost of fifty thousand taka.
In a hundred dead ducks.
The total cost, including the nurse (25000 + 50000) = 75000 taka.
The duck is now for sale.
Now on the market price of 140 taka each duck
One hundred twenty-six thousand taka, 900 duck price.
Masuk Mia Chowdhury has already sold 700 ducks have ninety-eight thousand taka.
Total revenue minus expenses (126000 - 75000) = 51000 taka.
Masuk Mia Chowdhury and small son meharaj care of the duck farm.
Meharaj local primary school in the third grade.
He helped his father during vacations.
Masuk with meharaj Mia's wife, three sons and three daughters.
  A total of eight members of the family.
15,000 taka  monthly cost of money is needed
The cost of 180000 taka par years.
(1 dollar = 80 taka)
 Masuk Mia Chowdhury family for cost extra (180000-51000) = 129000 need the money.
I'm asking Masuk Mia Chowdhury family spending extra money he earned to.

He said that,
The cows, the other was cultivated land
Additional income is so.


Regrets that the low price of rice this year.
So less money.
Masuk Mia daily for the maintenance of cultivation of the land is to cross a bamboo Sacco.
Bamboo bridge  was not easy for go.

He complained that,
The government does not help to improve his quality of life.
From his home in the sub-district Derai there is no road .
There is no electricity in his home.
He was barely making a living.
At one point he asked me -
Are you a member of a
non-governmental organization?
Are you help me?

I just said,
I came here to see you,
I came to find out,
How are you as a resident of a village in Bangladesh.

He said that,
He is not well.
When we see the rich live in luxury,
The powerless folks, did not find any meaning in life.
Yet the meaning of life and the lives of the children to find happiness.
Because this is our destiny! Said.

The disparity of wealth between rich and poor.
I heard him, could not give any answer
The gap between rich and poor may wonder how I started.

I think
Corruption-free country,
  The rule of law and
Justice
  Discrimination can be helpful.
With this thought, I think this is not enough.
Bangla

বাংলাদেশ এর গ্রামের একজন হাঁস খামারীর জীবন  কাহিনী

আজকাল গ্রামের অনেকেই টাকা আয়ের জন্য হাঁসের খামার করেন।
তাদের মধ্যে একজন মাসুক মিয়া চৌধুরী, পিতা মৃত আব্বাছ মিয়া চৌধুরী,গ্রাম বাঙ্গালগাও,ইউনিয়ন করিমপুর,সাব জেলা দিরাই,জেলা সুনামগঞ্জ,বিভাগ সিলেট,বাংলাদেশ।
তিনি তার হাঁসের খামারের জন্য এক হাজার হাঁসের ছানা কিনেছিলেন পঁচিশ হাজার টাকা দিয়ে ।
লালল পালন খরচ হয়েছে পঞ্চাশ হাজার টাকা।
এর মধ্যে একশত টি হাঁস মারা গিয়েছে ।
লালন পালন সহ মোট খরচ হয়েছে (২৫০০০+৫০০০০)=৭৫০০০ টাকা।
হাঁস গুলো এখন বিক্রয়ের জন্য বড় হয়েছে ।
এখন বাজারে প্রতিটি হাসের দাম ১৪০ টাকা
৯০০ টি হাঁসের দাম এক লক্ষ ছাব্বিশ হাজার টাকা।
ইতিমধ্যে মাসুক মিয়া চৌধুরী ৭০০ টি হাঁস বিক্রয় করে  আটানব্বই হাজার টাকা আয় করেছেন।
খরচ বাদে মোট আয় (১২৬০০০-৭৫০০০)=৫১০০০ টাকা।
ছোট ছেলে মেহরাজকে নিয়ে মাসুক মিয়া চৌধুরী তার হাঁসের খামার দেখাশুনা করেন।
মেহরাজ স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলে তৃতীয় শেনীতে পড়ে।
সে পড়ালেখার অবসরে বাবার কাজে সাহায্য করে।
মেহরাজ সহ মাসুক মিয়া চৌধুরীর এক স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে।
 মোট আট সদস্যের সংসার ।
প্রতি মাসে সংসারের ব্যয় হয় পনের হাজার টাকা।
বছরের সংসারের খরচ হয় এক লক্ষ আশি হাজার টাকা ।
সংসার খরচের জন্য মাসুক মিয়া চৌধুরীর অতিরিক্ত (১৮০০০০-৫১০০০)=১২৯০০০ টাকা প্রয়োজন।
আমি মাসুক মিয়া চৌধুরীকে জিঞ্জাসা করলাম তিনি সংসার খরচের অতিরিক্ত টাকা কিভাবে অর্জন করেন।
তিনি উত্তরে বললেন যে,হাঁস খামার ছাড়া তিনি গরু পারন করেন এবং আপরের জমি চাষ করে ফসল উৎপাদন করে সংসারের খরচ মিটান।
তার আক্ষেপ যে এ বছর ধানের দাম কম।
তাই টাকা আয় হয়েছে কম।
মাসুক মিয়া চাসের জমি দেখাশুনার জন্য প্রতিদিন একটি বাঁশের সাকো পার হতে হয়।
বাঁমের সাঁকো দিয়ে চলাচলা করা আমার কাছে সহজ মনে হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন যে,
তার জীবনের মান উন্নয়নের জন্য সরকার কোন সাহায্য করেন না।
তার বাড়ি হতে সাব জেলা দিরাই এ চলাচলের জন্য কোন রাস্তা নেই।
তার বাড়ীতে বিদ্যুৎ নেই ।
তিনি অতি কষ্টে জীবন নির্বাহ করছেন।
এক পর্যায়ে তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন –
আমি কোন এন জি ও এর সদস্য কি না?
তাকে কোন সাহায্য করতে পারবো কি ?
আমি শুধু বললাম যে,
আমি আপনাকে দেখতে এসেছি ,
জানতে এসেছি,
আপনি বাংলাদেশের একজন গ্রামের বাসিন্দা হিসাবে কেমন আছেন।
তিনি তখন জানালেন যে,
তিনি ভাল নেই।
যখন ধনীদের জীবন যাত্রা দেখেন,
তখন নিজেকে অসহায় ভাবেন,জীবনের কোন মানে খুঁজে পান না।
তবুও ছেলেমেয়েদের নিয়ে জীবন যাপন করে জীবনের মানে ও সুখ খুঁজেন।

কারণ এই আমাদের নিয়তি!বললেন তিনি।
বাংলাদেশে ধনী দরিদ্রের বৈষম্য অনেক ।
এই সম্পদের বৈষম্যের শিকার একজন মাসুক মিয়া চৌধুরীর জীবনের কথা শুনে আমি কোন উত্তর দিতে পারলাম না।
ভাবতে লাগলাম কিভাবে বাংলাদেশের ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর হতে পারে।
মনে হলো দূর্নীতি মুক্ত দেশ ও আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার বৈষম্য দূর করার সহায়ক হতে পারে।
সাথে সাথে এই মনে হলো,আমার এই ভাবনা যথেষ্ঠ নয়।

Friday, January 8, 2016

Bangladesh's poultry farm and a village life story

Bangladesh's poultry farm and a village life story

Nowadays, many people in the village to earn money for the duck farm.
Masuk Mia Chowdhury  is one of them, Late father abbach Mia Chowdhury,Bangalagao Village, Union Karimpur, sub-district Derai, district Sunamganj, Sylhet Division, Bangladesh.
He has a duck farm
Duck farms
1000 bought poultry chicks
With twenty-five thousand
taka.
Keeping the maintenance cost of fifty thousand taka.
In a hundred dead ducks.
The total cost, including the nurse (25000 + 50000) = 75000 taka.
The duck is now for sale.
Now on the market price of 140 taka each duck
One hundred twenty-six thousand taka, 900 duck price.
Masuk Mia Chowdhury has already sold 700 ducks have ninety-eight thousand taka.
Total revenue minus expenses (126000 - 75000) = 51000 taka.
Masuk Mia Chowdhury and small son meharaj care of the duck farm.
Meharaj local primary school in the third grade.
He helped his father during vacations.
Masuk with meharaj Mia's wife, three sons and three daughters.
  A total of eight members of the family.
15,000 taka  monthly cost of money is needed
The cost of 180000 taka par years.
(1 dollar = 80 taka)
 Masuk Mia Chowdhury family for cost extra (180000-51000) = 129000 need the money.
I'm asking Masuk Mia Chowdhury family spending extra money he earned to.

He said that,
The cows, the other was cultivated land
Additional income is so.


Regrets that the low price of rice this year.
So less money.
Masuk Mia daily for the maintenance of cultivation of the land is to cross a bamboo Sacco.
Bamboo bridge  was not easy for go.

He complained that,
The government does not help to improve his quality of life.
From his home in the sub-district Derai there is no road .
There is no electricity in his home.
He was barely making a living.
At one point he asked me -
Are you a member of a
non-governmental organization?
Are you help me?

I just said,
I came here to see you,
I came to find out,
How are you as a resident of a village in Bangladesh.

He said that,
He is not well.
When we see the rich live in luxury,
The powerless folks, did not find any meaning in life.
Yet the meaning of life and the lives of the children to find happiness.
Because this is our destiny! Said.

The disparity of wealth between rich and poor.
I heard him, could not give any answer
The gap between rich and poor may wonder how I started.

I think
Corruption-free country,
  The rule of law and
Justice
  Discrimination can be helpful.
With this thought, I think this is not enough.
Bangla

বাংলাদেশ এর গ্রামের একজন হাঁস খামারীর জীবন  কাহিনী

আজকাল গ্রামের অনেকেই টাকা আয়ের জন্য হাঁসের খামার করেন।
তাদের মধ্যে একজন মাসুক মিয়া চৌধুরী, পিতা মৃত আব্বাছ মিয়া চৌধুরী,গ্রাম বাঙ্গালগাও,ইউনিয়ন করিমপুর,সাব জেলা দিরাই,জেলা সুনামগঞ্জ,বিভাগ সিলেট,বাংলাদেশ।
তিনি তার হাঁসের খামারের জন্য এক হাজার হাঁসের ছানা কিনেছিলেন পঁচিশ হাজার টাকা দিয়ে ।
লালল পালন খরচ হয়েছে পঞ্চাশ হাজার টাকা।
এর মধ্যে একশত টি হাঁস মারা গিয়েছে ।
লালন পালন সহ মোট খরচ হয়েছে (২৫০০০+৫০০০০)=৭৫০০০ টাকা।
হাঁস গুলো এখন বিক্রয়ের জন্য বড় হয়েছে ।
এখন বাজারে প্রতিটি হাসের দাম ১৪০ টাকা
৯০০ টি হাঁসের দাম এক লক্ষ ছাব্বিশ হাজার টাকা।
ইতিমধ্যে মাসুক মিয়া চৌধুরী ৭০০ টি হাঁস বিক্রয় করে  আটানব্বই হাজার টাকা আয় করেছেন।
খরচ বাদে মোট আয় (১২৬০০০-৭৫০০০)=৫১০০০ টাকা।
ছোট ছেলে মেহরাজকে নিয়ে মাসুক মিয়া চৌধুরী তার হাঁসের খামার দেখাশুনা করেন।
মেহরাজ স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলে তৃতীয় শেনীতে পড়ে।
সে পড়ালেখার অবসরে বাবার কাজে সাহায্য করে।
মেহরাজ সহ মাসুক মিয়া চৌধুরীর এক স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে।
 মোট আট সদস্যের সংসার ।
প্রতি মাসে সংসারের ব্যয় হয় পনের হাজার টাকা।
বছরের সংসারের খরচ হয় এক লক্ষ আশি হাজার টাকা ।
সংসার খরচের জন্য মাসুক মিয়া চৌধুরীর অতিরিক্ত (১৮০০০০-৫১০০০)=১২৯০০০ টাকা প্রয়োজন।
আমি মাসুক মিয়া চৌধুরীকে জিঞ্জাসা করলাম তিনি সংসার খরচের অতিরিক্ত টাকা কিভাবে অর্জন করেন।
তিনি উত্তরে বললেন যে,হাঁস খামার ছাড়া তিনি গরু পারন করেন এবং আপরের জমি চাষ করে ফসল উৎপাদন করে সংসারের খরচ মিটান।
তার আক্ষেপ যে এ বছর ধানের দাম কম।
তাই টাকা আয় হয়েছে কম।
মাসুক মিয়া চাসের জমি দেখাশুনার জন্য প্রতিদিন একটি বাঁশের সাকো পার হতে হয়।
বাঁমের সাঁকো দিয়ে চলাচলা করা আমার কাছে সহজ মনে হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন যে,
তার জীবনের মান উন্নয়নের জন্য সরকার কোন সাহায্য করেন না।
তার বাড়ি হতে সাব জেলা দিরাই এ চলাচলের জন্য কোন রাস্তা নেই।
তার বাড়ীতে বিদ্যুৎ নেই ।
তিনি অতি কষ্টে জীবন নির্বাহ করছেন।
এক পর্যায়ে তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন –
আমি কোন এন জি ও এর সদস্য কি না?
তাকে কোন সাহায্য করতে পারবো কি ?
আমি শুধু বললাম যে,
আমি আপনাকে দেখতে এসেছি ,
জানতে এসেছি,
আপনি বাংলাদেশের একজন গ্রামের বাসিন্দা হিসাবে কেমন আছেন।
তিনি তখন জানালেন যে,
তিনি ভাল নেই।
যখন ধনীদের জীবন যাত্রা দেখেন,
তখন নিজেকে অসহায় ভাবেন,জীবনের কোন মানে খুঁজে পান না।
তবুও ছেলেমেয়েদের নিয়ে জীবন যাপন করে জীবনের মানে ও সুখ খুঁজেন।

কারণ এই আমাদের নিয়তি!বললেন তিনি।
বাংলাদেশে ধনী দরিদ্রের বৈষম্য অনেক ।
এই সম্পদের বৈষম্যের শিকার একজন মাসুক মিয়া চৌধুরীর জীবনের কথা শুনে আমি কোন উত্তর দিতে পারলাম না।
ভাবতে লাগলাম কিভাবে বাংলাদেশের ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর হতে পারে।
মনে হলো দূর্নীতি মুক্ত দেশ ও আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার বৈষম্য দূর করার সহায়ক হতে পারে।
সাথে সাথে এই মনে হলো,আমার এই ভাবনা যথেষ্ঠ নয়।