Saturday, December 31, 2016

সিটিকর্পোরেশনের ড্রেন

ফেলে দেয়া স্যান্ডেল
ফেলে দেয়া প্লাষ্টিক বোতল
ময়লা আবর্জনায় অচল
মশা মাছির জন্ম স্থান
দুর্গন্ধের স্থবির ভাগার
অস্বাস্থ্যকর সৃষ্ট পরিবেশের
মানুষদের অনুপযুক্ত বসবাসের
ফি বছরের কতো রকমের প্ল্যান
সিটিকর্পোরেশনের ড্রেন।

 

Friday, December 16, 2016

কবিতা লিখুন বিজয় মাসের

কবিতা লিখুন বিজয় মাসের

-‘একটা কবিতা লিখুন কবি।’
-‘থামুন প্লিজ ! আমি নইতো কবি।’
-‘তবে যে কবিতা লিখেন দেখি
প্লিজ ! একটা কবিতা লিখুন কবি !’
-‘কি লিখব আাজ এই দু:সময়ের ?’
-‘কবিতা লিখুন বিজয় মাসের ।’
মুক্তি যোদ্ধাদের বিজয়ের ?
যুদ্ধাপরাধীদের পরাজয়ের ?
বিনা ভোটে দখলদারী ক্ষমতা বিজয়ের ?
ভোটের অধিকার হাড়ানোর পরাজয়ের ?
উন্নয়নের কাব্যিক বিজয়ের ?
মানবতার করুণ পরাজয়ের ?
বিজয়ের কবিতায় কি বিজয় আসতে পারে ?
অবিচার অত্যাচারে যদি মানুষের অশ্রু ঝরে ?
বৈষম্যের কাহিনী সাত কাহন ?
মধ্যম আয়ের দেশের উন্নয়ন?
প্রচারিত গরীবের দশ টাকা সের চাল ?
লুটপাটে হয় দরিদ্রের অধিকার বানচাল ?
কবিতার ছন্দ কই কবিতা লিখব বিজয়ের ?
লুটপাটের নিশানায় পরে থাকে পরাজয়ের।
তাই আমি বিজয় সুফলের দেশ দেখতে পাই না,
বিজয়ের অনুষ্ঠান ছাড়া আর কিছু দেখতে পাই না।
যেমন, রহিমুদ্দি চাচাকে জিজ্ঞাসিলাম সেদিন,-
-‘চাচা জানেন কি বিজয় দিবস কোন দিন ?’
ফোকলা দাঁতে হেসে সরল উক্তি,- ‘মুর্খ আমি,
বাজান কি যে কও ! অতোকিছু কি জানি ?
তার চাইতে কও দেখিনি ,
সরকার সার বীজ দিবান কি ?’
ন্যায্য মূল্যে সার বীজ পাওয়াতে তার বিজয় ।
বৈষম্য বঞ্চনার লক্ষ চিত্র জীবনের জীবন্ত পরাজয়।
পরিশেষে আপনাকে আন্তরিক দু:খ জানাই,
বিজয়ের কবিতা বলুন কোথায় খুঁজে পাই ?

Thursday, December 15, 2016

Pen

Pen

Coming up pen
Soil from the inside
Broke the silence of the grave
Garbage to flee
Sewer be messy
Grouped pairs of rows
One, two or three hundred thousand million million
Today is the end of the pen?
What wonder! Irregularities lawlessness?
Other strange murmurs strange soul wakes up pen spandane
Office, courthouse are slowly around town.

Suddenly out of breath a sigh to the memory of the pen, -
The owner was a poet lover, kindness body that she
How many poems written in poetic rhythm magic touch
Moonlit darkness of the night to write a love letter to his beloved wizard
Had the care of his warm chest pocket
Alas, at the end of a day out of the blue ink pen
He threw the dust of the street poet with neglect!

I was the owner of the bar was the master of Justice
How farcical trial of the man sentenced to death
Has paralyzed me, I'll have to break blocks.
Is he blind-eyed judge or heartless!

I heart pleading my journalist pen
The ink was filled with pride defendant in the stomach.
Why rural decline pale yellow destroy
Why was not written for the victory song of humanity.
Why was beat to the rhythm of opposing moral soldier?
Vanity, deceit false pretense tosamodera winning facilities.

I owned up to other professionals
I have been using arbitrary unlimited corruption
Serve to protect the interests of the dominant power in the interest of the rich!
In contrast to the message of harassment apadaste deprivation of the poor!
The ink used in this immoral More
Teen anguished they lay on the bed of sand soil.

The question today is what I would like a pen?
What do you want, O pen queer but alas!
What voice was heard claims the pen, like blood ..
The vibrating ear to clear the screen, like blood red ink!
I want to write a new world civilization of humanity.
I want to bring back decorum of human behavior.

So, even if I am a fan
I'll give you a bag of fresh, warm blood.

We want it
I'll definitely red.
Scholarly hole in the skull,
Voice pierced politicians,
The judge cut ventricle,
Delving into corrupt heart,
Rapists lascivious eyes pierced ..
Stop, pen!
Anger burst out with a loud voice said!
  What cruel, inhuman violent chorus lyric!

Violent affront to the people of the Word Bank
In contrast to the confident and did not tolerate threats to human life.

In response to a pointed belly fat pen -
Humanity's epic compositions of the genre!
They argue that they do not understand inert waste
Today, the voice of the soul filthy.

Red, blue, green, yellow pen coming up
Assorted kind of pen, alas! Why rule defect?
Today's indictment pen
Today the cry of pen
I want them to human blood
Humanity wants to open.
A lot of people in need of fresh blood of the sea
Pasanda terrible inhuman demands strong heart!
They will be the people's blood ink!
People say that by the merciless pen?
The newly organized civilization what you write poetry?
Or the need for the innocent.
People in need of blood drip
Liter liter gallons of gallons of blood.
Poetry will be written in the blood of the people of the new humanity.

Pens alive today, has life
Non-stop coming up
Coming jump
Is rolled down.
Poets pen
Boyfriend girlfriend pen
Students pen
The common man pen
Pens for Professionals
Judge pen
Ministers, MPs pen
Prime Minister, the President's pen
Bribery and corruption pen
Digital pen
Hungry and thirsty all the pens ..

Earth's sea life today thirsting spent vibrating pen.
What is going to be a great defeat the curse of the sign?

Saturday, December 10, 2016

শান্তি বিরাজের সমাজ হোক দূর বৈষম্য।



ছায়াবীথি ছাইতন গাছের সুগন্ধ সূরভী
 বন পথে মন ভুলায় হঠাৎ ফুটন্ত করবী
মেঠো পথ চলে গেছে ছড়ানো ধূলায় বকুল
শেফালীর মৌ মৌ সুবাসে মন করে আকুল ।

ডাহুক ডাকে ক্ষণে মন উদাসী বিরহী
মাছরাঙা ঝাপ দেয় পুঁটিটা পায় কী ?
শুভ্র বকের দল দিগন্তসবুজ ধান ক্ষেত
ময়না সাথীরে ডেকে ডানা মেলে চকিত ।

রাখাল গরুর পাল লয়ে দেয় হাক
 ডিম পাড়া মুরগীর বিরামহীন ডাক
কৃষানীর ধান উড়ানো বাতাসের গুঞ্জন
শিশুদের পড়ার ছন্দ সমবেত উচ্চারণ।

শিশুর দল খেলে নিয়ে তার শখের গাড়ি
অসীম সম্ভাবনাময় জীবন দিবে যে পাড়ি
প্রিয় মাটিতে খেলাধূলা আত্মীক  ভালবাসা
ভবিষ্যত প্রজন্ম শিশুরা তারাই দেশের আশা।

মায়াময় সুন্দর এই চিত্র সোনার বাংলার
আজ কেন মানুষের চরিত্র স্বার্থ হিংসার ?
মানুষে মানুষে হোক গড়ে তোলা নীতি সাম্য
শান্তি বিরাজের সমাজ হোক দূর বৈষম্য।

Thursday, December 8, 2016

বচন


Tuesday, December 6, 2016

চাঁদনী রাতের ভূত

চাঁদনী রাতের ভূত

প্রায় সবাই ভুতে বিশ্বাস করেন।অনেক বলেন ভুত দেখেছেন।অনেকে বলেন দেখেননি আমি একবার ভুত দেখেছিলাম।এটি ভুত দর্শনের গল্প।আমার জীবনের ভুত দর্শনের একটি সত্য গল্প
আমি সে সময় মোহনগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে অধ্যয়নরত ছিলাম
একদিন কলেজে গিয়ে দেখলাম ক্লাস শেষে ঠাকুরকোনায় ষাড়ের লড়াই দেখার জন্য কয়েকজন সহপাঠি সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাকে জিজ্ঞাসা করলো যাবো কিনা ট্রেনে মোহনগঞ্জ হতে ঠাকুরকোনা ২০/২৫ মিনিটের পথ।৪ টার সময় ট্রেন।দিনান্তে ছটায় ফিরতি ট্রেন আছে। বাড়ি ফিরাতে সমস্যা হবে না।এক কথায় রাজী হয়ে গেলাম
বিকাল টার ট্রেন ধরে ঠাকুর কোনায় চলে গেলাম
সেখানে গিয়ে দেখলাম বিরাট একটি মাঠে অনেক মানুষের ভীরের মধ্যে মাঝ খানে খালি জায়গায় ষাড়ের লড়াই চলছে
সেখানে জানতে পারলাম এখন ছোট ছোট ষাড়দের লড়াই হচ্ছে পরে বড় ষাড়দের আকর্ষনীয় লড়াই হবে
সেখানে অনেক অস্থায়ী দোকানপাট গড়ে উঠেছে সর্বত্র মেলা মেলা ভাব যেনো ষাড়ের লড়াই উপলক্ষে বিশাল মেলার আয়োজন দোকানে দোকানে গরম গরম জিলাপী ,সিঙ্গারা ,ডালপুরী ভাজা হচ্ছে বাঁশের বেঞ্চ পাতা হয়েছে। বেঞ্চ বসে লোক জন আয়েশ করে গরম গরস ডালপুরী সিঙ্গারা খাচ্ছে।খিদে পেয়েছিল খুব। আমরা জিলাপী ডালপুরি খেলাম
এর মধ্যে বড় ষাড়দের লড়াই শুরু হল সেকী ভিষণ লড়াই, দেখার মতো !লড়াই দেখাতে মগ্ন হয়ে গেলাম লাল একটি সুন্দর ষাড় লড়াই করছে কালো একটি ষাড়ের সঙ্গে মনে মনে লালটাকে সার্পোর্ট করলাম।মানুষ অবচেতন মনে সুন্দরের পক্ষ নেয় যদিও কালোটা দেখতে অসুন্দর ছিল না।বিকালের পড়ন্ত রোদে লাল ষাড়টার শরীর হতে একটা বাড়তি সৌন্দর্য বিকরিত হচ্ছিল হয়তো এটাই আকর্ষণের কারণ।লাল রং কি সহজেই মানুষকে আকর্ষণ করে ? তবে রক্তপাত দেখলে মানুষ উদ্বিগ্ন হয়, আতংকিত হয় লালটা কালোটাকে শিং দিয়ে টেলে পিছনে নেয় তো,পরক্ষণে কালোটা লালটাকে পিছনে ঠেলে দেয় ষাড়েদের লড়াইয়ে অদ্ভুদ কৌশল মাঝে মধ্যে চলে শিং এর গুঁতো দেয়ার চেষ্টা।ষাড়দের অপূর্ব শারীরীক কসরত দারুণ উপভোগ্য। এমন সময় দূরে কোথাও ট্রেনের হুইসেলের শব্দ পেলাম বন্ধুরা ট্রেন আসার কথা বলে ষ্টেশনে যাবার তাগিদ দিল।আমি ষাড়ের লড়াইতে এতোটাই মোহাবিষ্ট মগ্ন ছিলাম যে,খেলার শেষ না দেখে যেতে ইচ্ছে করছিল না মোটেই।বললাম তোরা যা আমি আসছ্ সহপাঠী কাজল তাড়াতারি চলে আসার তাগিদ দিয়ে অন্যদের নিয়ে চলে গেল এগিয়ে দেয়ার জন্য কাজলের বাড়ি এখানেই চিন্তা কি ?ট্রেনের পূনরায় হুইসেলের সাথে সাথেই আমার সমর্থিত লাল রঙের ষাড়টার জয় হলো প্রতিপক্ষের কালো রঙের ষাড়টাকে রনে ভঙ্গ দিয়ে দৌড়ে যেতে দেখে আমিও ষ্টেশনের দিকে ভোঁ দৌড় দিলাম ষ্টেশনে এসে দেখলাম ট্রেন গতি সঞ্চার করে চলে যাচ্ছে। ট্রেন ফেল করলাম।হুইসেলটি ছিল ট্রেন ছেড়ে যাবার হুইসেল কাজলকে দেখতে পেলাম না।তার বাড়ি তল্লাটেই সমস্যা হলে তার বাড়ি যাওয়া যেতো কিন্তু সে গেলো কই ? হয়তো আমার দেরী দেখে জরুরী কোন কাজে চলে গেছে।কিন্তু তার থাকা উচিৎ ছিল ষ্টেশনে
ছোট রেল ষ্টেশন ঠাকুরকোনা চারিদিকে ক্রমশ সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে ধীরে ধীরে চারিদিক অন্ধকারের চাদর ডেকে দিচ্ছে চারপাশ সে সময় ঠাকুরকোনায় বিদ্যুৎ ছিল না।ষ্টেশন মাষ্টারের ঘরে হারিকেনের মৃদু আলো জানান দিল য়ে তিনি সেখানে আছেন।তাকে গিয়ে অতি আগ্রহে জিজ্ঞাসা করলাম পরবর্তী ট্রেন কটায় আসবে জনাব।তিনি নির্লিপ্তভাবে জানালেন পরের ট্রেন দশটায় আসবে, লেট করলে এগারোটাও বাজতে পারে।হতাশা হলাম।মনে হলো তিনি যেনো চান না আমি ভালো মতো বাড়ি ফিরি।আসলে ষ্টেশন মাষ্টার যা বলেছেন সেটাই সত্য। সে সময় ঠাকুরকোনা মোহনগঞ্জের মধ্যে যাতায়াতের জন্য ট্রেন ছাড়া অন্য কোন যানবাহনের প্রচলন ছিল না। ঠাকুরকোনা মোহনগঞ্জের রাস্তা ছিল কাঁচা এবং ভাঙ্গা হঠাৎ নিজেকে কিছুটা অসহায় মনে হলো।সবে শুরু হওয়া নভেম্বরের মাসের সন্ধ্যা কালীন শীত শীত ভাবটা একটু বেশী অনুভূত হতে লাগলো ভাবলাম এই পাড়াগাঁয়ে রাত দশটা মানে গভীর রাত রাত বারটায় মোহনগঞ্জে পৌঁছলে ধর্মপাশার রিক্সা পাওয়া যাবে তো ?পরক্ষনেই ভাবলাম হেঁটে চলে যাব ,বড় জোর এক দেড় ঘন্টা লাগতে পারে। কিন্তু চারিদিকে ঘোর অন্ধকার যাবো কি করে?একটি উসকে দেয়া সলতের কুপি বাতির আলো দৃষ্টিকে আকর্ষণ করলো উৎসের দিকে চেয়ে দেখলাম সেটি একটি টি ষ্টল সামনে তাজা পাকা কলা ঝুলছে,কেতলিতে ফুটন্ত চা,নল দিয়ে উড়ছে উষ্ণ বাস্পের মেঘ, গরম চা ফুটছে সামনে বেঞ্চ পাতা বেঞ্চে বসে কলা চা আর টোষ্ট খেলাম টি ষ্টলের বেঞ্চে বসা একজন লোকের সাথে আলাপ করলাম তার নাম করিম মিয়া পাশের গ্রামেই থাকেন।করিম মিয়া মোহনগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে পড়ুয়া কাজলদের বাড়ি চিনেন তার বাড়ি হতে দুই গ্রামের পরে রহিম মাতাব্বরের বাড়ি রহিম মাতাব্বরের বিরাট অবস্থা হালের বলদ জমি জমার অভাব নেই গ্রামের সাধারণ মানুষ গ্রামের ধনী মানুষদের গল্প ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে ভালবাসেন।কিন্তু বাস্তবতা হলো শহরের ধনী আর গ্রামের বিরাট ধনীর মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক সেটা জানেন না গ্রামের সরল মানুষেরা মাতাব্বরের কলেজ পড়ুয়া ছেলের নাম কাজল। করিম জানালেন রাত দশটার আগে আর কোন ট্রেন নেই।টি ষ্টলে মানুষের মধ্যে বসে থেকে নিজের সাহস শক্তি পেলাম,নাকি গরম চা পান করে সতেজতার অনুভব,দুটোই হতে পারে ভাবলাম।ভাবলাম কিভাবে মোহনগঞ্জ যাবো ,কাজলদের বাড়ি যাবো কি ? বাড়িতে মা চিন্তা করবেন না ? বলে আসিনি যে!এমন সময় দেখলাম গাছের ফাঁক দিয়ে বড় হলদেটে চাঁদ উঠছে।যেনো হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গা রক্ত চক্ষু চাহনী। মনে হলো চাঁদ নয় যেনো নতুন দিনের আশার আলো দেখলাম।পাশে বসা করিম মিয়ার নিকট মোহনগঞ্জ যাবার রাস্তাটি জানতে চাইলাম তিনি দোকানের পাশে দিয়ে রেল লাইনের সমান্তরালে চলে যাওয়া কাঁচা রাস্তাটি দেখিয়ে বললেন যে এই রাস্তাটি সোজা মোহনগঞ্জ গেছে,তবে মাঝে মধ্যে ভাঙ্গা থাকতে পারে,সবে পানি থেকে জেগেছে রাস্তা ঘাট তবে যেতে পারবেন আশা করিজানালেন করিম মিয়া।চাঁদনী রাত হেঁটে যেতে সমস্যা কি !অতএব দোকানের পাওয়া মিটিয়ে করিম নিকট হতে বিদায় নিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম যাবার সময় তিনি আল্লাহর নাম নিয়ে শুভ কামনা করলেন।করিম মিয়া লোকটি ভাল,শুভ কামনা করলো ,নাকি পথে কোন অশুভ কিছু আছে গ্রামের লোকেরা অশুভ অমঙ্গল বিষয়ে সরাসরি বলতে ভয় পায় ,সন্দেহ প্রবণতা উঁকি দিল মনে।চর্তুদিকে ঝলমলে জোছনা দেখে মনে সন্দেহের কিছু রইল না। ধবধবে মন ভালো করার মতো সাদা জোৎস্না হেঁটে যেতে ভালই লাগছে।কদাচিৎ রাস্তায় এক দুজনকে দেখা যাচ্ছে মানুষের চলচলা আছে ভয়ের কিছু নাই।প্রফুল্ল মনে হাঁটছি। অনেকটা পথ হেঁটে পিছনে ফেলে আসলাম। হঠাৎ জনশূন্য হয়ে গেল আশে পাশে কোর বাড়ি ঘর নেই দিগন্ত বিস্তৃত ধূ ধূ জোছনা ছাড়া কোন জনমানুষের চিহ্ন নেই এখানে গ্রাম গুলো দূরে দূরে একটু আগে গ্রামের ভিতর দিয়ে রাস্তা পার হয়ে এসেছি সেখানে ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম।একজন পড়ছিল,-“জোলেখা বাদশার মেয়ে,তার ভারি অহংকার…” গ্রামটি কি করিম মিয়ার গ্রাম ছিল করিম মিয়া বিবরণ মতে তাই হবে হয়তো ,কি জানি ?সম্ভবত। ঝিঁ ঝিঁ পোকার শব্দ ছাড়া কোন শব্দ নাই হঠাৎ করে মনে হলো রহস্য জনক ভৌতিক পরিবেশের আগমন হয়েছে।এমন মনে হওয়ার কারণ কি ? আমি কি ভয় পাচ্ছি ? সামনে দেখলাম রাস্তা ভাঙ্গা ,মেটো পথ চলে গিয়ে হাড়িয়ে গেছে সামনের নিচের ঝাপসা অন্ধকারে রাস্তার ভাঙ্গা ঢালু অংশে চলে এলাম উঁকি দিয়ে দেখলাম নীচটা ছায়াময় কুয়াশার ঝাপসা ছায়া ছায়া অস্পষ্ট, অন্ধকার !দিগন্তের তীর্যক চাঁদের আলো ভাল মতো পৌঁছেনি সেখানে। সন্দিগ্ন হলাম,রাস্তা ভাল তো ? যাওয়া যাবে তো !কেন জানি ভাবলাম রেল লাইন ধরে যাওয়া উচিৎ হবে !মনে পড়ল রেল লাইন ধরে যেতে বারণ করেছিলেন করিম মিয়া কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেছিলেন,গতকাল এক লোক ট্রেনের তলে কাটা পরে মারা গিয়েছে ভাবলাম তার কুসংস্কার মনের প্রকাশ ,নাকি অন্য কিছু ? পরক্ষণেই ভাবলাম এতাটা পথ পিছনে হেঁটে রেল লাইন ধরে যাওয়াতে কোন মানে হয় না।সামনে এগিয়ে দেখলাম মেঠো রাস্তাটি একটি জলাশয়ের কিনার দিয়ে আবার ভাঙ্গা রাস্তার অপর প্রান্তে উঠেছে।চাঁদের আলোতে দেখতে পেলাম অর্ধচন্দ্র মেঠোপথ জলাশয়ের গাঁ ঘেসে চলে গিয়েছে ভাঙ্গা রাস্তার প্রান্তে রাস্তাটি ধনুর মতো বেশ বাঁকানোভাবলাম সোজা গেলে তাড়াতাড়ি যাওয়া যাবে সোজা রাস্তা খুঁজতে গিয়ে দেখলাম সামনে জলা ভূমি, বামে সংলগ্ন কিছুটা উচু ভূমি সেখান দিয়ে আনায়াসে যাওয়া যায় উচুঁ ভূমির উপর দিয়ে যেতে উদ্যত হয়ে থমকে গেলাম নতুন বাঁশের খুটি পোতা একটি কবর গোরস্তান! হছাৎ গোরস্তান দেখে ভয় পেলাম মনে মনে চিন্তা করলাম গোরস্তানের আত্মাদের শান্তি বিনষ্ট করা যাবে না কিছুতেই। কবরটি কি আজকের ?কাঁচা বাঁশের একদম নতুন কবর,আজকের হতে পারে এমন সময় জলাশয়ে বেশ বড় একটি মাছ হঠাৎ শব্দ করে পানিতে গাঁই দিল।চমকে উঠলাম তার পর নীরব চারিদিকে সুনসান কিছুটা ভয় পেলাম ভাবলাম ভয় কিসের গোরস্তান পবিত্র জায়গা।কিন্তু আরো ভয় সামনে অপেক্ষা করছিল জানতাম না আমি।ধনুকবাঁকা মেঠো রাস্তা পার হলাম কোনোমতে অপর দিকের ভাঙ্গা প্রান্ত বেয়ে রাস্তায় উঠলাম স্বস্থির হাঁফ ছেড়ে হাটতে শুরু করলাম আচমকা দৃষ্টি সীমার বেশ খানিকটা দূরে দেখতে পেলাম একজন সাদাপোষাকধারী লোক এদিকে হেঁটে আসছেন।মানুষের অবয়ব যে কতোটা প্রাণবন্ত সাদা পোষাকের লোকাটকে দেখে জানলাম।যেনো ধরে প্রাণ ফিরে এলো যদিও ঠিক পথেই যাচ্ছি বলে মনে হচ্ছে তবুও ভাবলাম ঠিক পথে যাচ্ছি কিনা সেটা শুভ্র লেবাসধারীর নিকট হতে জেনে নেয়া দরকার।কিছুক্ষণ হাঁটার পর অবাক হয়ে দেখলাম সুভ্রলেবাসী আমার মধ্যে দূরত্ব কমছে না।তিনি কি আমার মতো একই দিকে যাচ্ছেন ?এজন্যই দূরত্ব কমছে না ?আমি কি জোরে হেঁটে উনাকে ধরব ?কথা বলা দরকার উনার সাথে শুভ্র লেবাসধারীর নিকটবর্তী হওয়ার জন্য জোর কদমে হাঁটা শুরু করলাম একটু পর লক্ষ্য করে দেখলাম আমাদের মধ্যে দূরত্ব মোটেই কমছে না অবাক কান্ড !জোড় কদমে হেঁটে চললাম কিন্তু আমাদের মাঝের দূরত্ব কমল না।খেয়াল করে দেখলাম লোকটির হাঁটার ভঙ্গি এদিকেই কারণ এদিক পানে মুখাবয়ব তাই স্বাক্ষী দিচ্ছে লোকটি কি শূন্যে সামনের দিকে হেঁটে পিছনে যাচ্ছেন ? আজব ব্যাপার !একটু অন্যমনষ্ক হয়ে পরলাম।ঘটনাটা ঘটল সে সময় হঠাৎ করে লোকটি পাশ দিযে স্যাৎ করে চলে গেল।আগর বাতি,গোলাপ জল আতরের গন্ধ পেলাম যেগুলি সাধারণত মৃতের লাসের কাফনে দেয়া হয়।মনে হল একটি মৃত লাস হীম শীতল বাতাস ছড়িয়ে এই মাত্র চলে গেল।ঝট করে পিছনে ফিরলাম আশ্চর্য চাদের আলোর বন্যায় কাউকে দেখতে পেরাম না।দূরে আবছা গোরস্থানটি দেখা যাচ্ছে মনে হলো সাদা একটি বন্তু নতুন কবরের কাছে গিযে মিলিযে গেল কয়েকটি ঝিঁঝিঁ পোকা হঠাৎ করে শব্দ করে উঠল পেছনে শুনতে পেলাম শেয়ালের ভৌতিক হাঁক।ভীষণ ভয় পেলাম চারিদিকে কেউ কোথাও নেই গ্রাম গুলি দূরে দূরে চাঁদের বন্যার আলোর ধূ ধূ প্রান্তর।ঝলমলে চাঁদনী রাত হলেও ভীষণ ভয়ের মাত্রা বেড়ে গেল শীড় দাড়ায় অনুভব করলাম ভয়ের ঠান্ডা স্রোত।লোমকূপগুলো দাড়িয়ে গেল দৌড় দিতে গিয়ে দেখলাম পা সরছে না।কিছুটা সাহস সঞ্চয় করে আস্তে আস্তে হাঁটতে লাগলাম।মনে হলো পিছনে অনুস্মরণ করে কেউ আসছে ভুত নয়তো ?


সাহস সঞ্চয়ের জন্য ভয়ার্ত নিচু স্বরে আউড়ালাম,-
ভুত আমার পুত
পেত্নি আমার ঝি
রাম লক্ষণ বুকে আছে
করবে আমায় কি?


ভয় কাটলো না ভয় শীত একসাথে বাড়তে লাগলো।হাত পা ঠান্ডা হতে লাগলো।যদি ভুতটা মোসলমান হয় তবেতো রাম লক্ষণের উপর ভরসা রাখা যায় না !মন্ত্রটা সংশোধন করা প্রয়োজন।
অস্ফুট ভয় লাগা স্বরে আবৃত্ত করলাম,-
ভুত আমার পুত
পেত্নি আমার ঝি
বুকে আছেন আল্লা নবী
করবে আমায় কি?


মনে হলো পিছন থেকে কেউ মজা করে ফ্যাঁস ফ্যাঁসে গলায় হাসল
মনে হলো পরিচিত কেউ ,মৃত।ঠান্ডা বাতাসের নি:শ্বাস ফেলছে ঘাড়ে !


ভিতর থেকে তাগিদ পেলাম দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হবে।পিছন ফিরে দেখব নাকি একবার ? যদি লাসটার মুখামুখি হয়ে যাই !যদি কথা বলতে চায় তবে কি হবে?লাসটা ভুত নিশ্চই ? যদি ঘাড় মটকে দেয় ?ভয়ে বুক টিব টিব করতে লাগল দয়াল আল্লাহ সহায় হোন-
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
সহসা সামনে পথের প্রান্তে একটি গ্রাম দেখতে পেলাম সব কিছু ভুলার ছলে বেহুশের মতো হাঁটতে লাগলাম গ্রামটার কাছে এস কিছুটা সাহস পেলাম।গ্রাম্য পথের বাঁক ঘুরে সহসা মোহনগঞ্জ শহরের আলো দেখতে পেলাম কিছুটা দূরে দেখতে পেলাম কয়েকজন লোক কথা বলতে বলতে হাট করে বাড়ি ফিরছেন ধরে প্রাণ ফিরে এলো।মনে হলো অপার্থিব অপিরচিত ভৌতিক কোন জগত হতে এই মাত্র পার্থিব পরিচিত জগতে ফিরে এলাম।ভুতটা কি পিছনে আছে ?সাহস করে পিছন ফিরে দেখলাম কেউ নেই
বাড়ি এসে গোসল করলাম।মনে হলো লাসের কাফনের আগর বাতি,গোলাপ জলের গন্ধ ,আতরের গন্ধ এখনো আশে পাশে বিরাজ করছে রাতের খাবার খাওয়াতে রুচী পেলাম না।খেতে পারলাম না।শীত শীত লাগছে।পানি পান করে লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লাম।কখন যেন ঘুমিয়ে পড়লাম জানিনা
রাতে স্বপ্ন দেখলাম এক গোরস্তানে একটি সদ্য মৃত লাস কবর থেকে বের হয়ে বাড়ি যেতে চাইছে।অন্য লাসেরা তাকে যেতে বাঁধা দিচ্ছে।বলছে এটা অনর্থের কারণ হবে কিন্তু লাসটি কারো কথা শুনল না গোরস্থান হতে বের হয়ে ঠাকুরকোনা-মোহনগঞ্জ রাস্তা ধরে হাঁটতে লাগল।এক স্থানে একজন পীর তাকে থামিয়ে দিল,ভৎর্শনা করলো তীব্রভাবে।পীরবাবা লাসটিকে নির্দেশ দিলেন নির্ধারিত কবরে ফিরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে আমার মনে হলো লাসটিকে আমি চিনি চেহেরার দিকে তাকিয়ে চমকে গেলাম। যে আমার সহপাঠি কাজল সে হাসছিল হঠাৎ বিকট ভয়ানক শব্দে হেসে উঠল ভীষণ ভয় পেয়ে জেগে উঠলাম সূর্য উঠি উঠি ভোর বেলা কাক ডাকছে কা কা করে একটু পরে চড়ুই পাখী গান করবে কিচির মিচির করে বিছানা থেকে নামতে গিয়ে অনুভব করলাম গায়ে ভীষন জ্বর
কয়েক দিন জ্বরে ভূগে সুস্থ্য হলাম।সুস্থ্য হয়ে কলেজে গিয়ে কাজলের খোঁজ করলাম।তার গ্রামের সহপাঠী কবির জানাল যে, কাজল দুইদিন আগে হঠাৎ বজ্রপাতে মারা গিয়েছে আমরা তার জানাজায় উপস্থিত ছিলাম জানাল কবির।মনে মনে ভাবলাম চারদিন আগে ষাড়ের লড়াই দেখার সময় কাজল আমার সঙ্গে ছিল কাজল যদি দুইদিন আগে মারা যায় তাহলে চারদিন আগে চাদনী রাতে কার সাথে দেখা হয়েছিল।এই কথা কাউকে বলতে পাররাম না কারণ ভিুতের গল্প কেউ বিশ্বাস করবে না পাগল ঠাউরাবে।সবাই উপহাসের পাত্র করে ফেলতে পারে তাই রাতের ঘটনাটি চেপে গেলাম তবুও সহপাঠী কাজল বিষয়ক জট আমার মাথার ভিতর ঘুরপাক খেতে লাগল ঘটনা কিছুতেই মিলাতে পারছিলাম না।ভাবলাম ঘটনার জট খোলার জন্য কাজলদের বাড়ি যাওয়া প্রয়োজন প্রস্তাব করার সাথে সাথে কয়েকজন সহপাঠি যেতে রাজী হয়ে গেল বিকালে কাজলদের বাড়ি গেলাম আমাদের দেখে তার মা খুব কান্নাকাটি করলেন।কাজলের সহপাঠী বলে তার বাবা আমাদের খাতির যত্ন করলেন।তার সাথে কাজলের কবর জিয়ারত করতে গেলাম কবর স্থানটা বাড়ি হতে একটু দূরে আশ্চর্য হয়ে দেখলাম সেই কবর স্থান সেই নতুন কবর কবরটি দেখিয়ে বাবা বললেন এই কাজলের কবর।আমরা কবর জিয়ারত করলাম কাজলের জন্য দোয়া করলাম ঝড়া পাতায় মচ মচ করে কারো চলার শব্দ শুনতে পেলাম।চমকে গেরাম !দেখলাম সবাই আমার মতোই চমকে গেছে।কাজলের বাবা অভয় দিয়ে বললেন যে, কিছুনা ,পাজী শিয়াল।মানুষের সাড়া পেয়ে পালাচ্ছে।বাবার কথায় ভয়চা কমল।ভাবলাম এই শিয়ালটাই কি সেদিন রাতে ডেকেছিল ?হয়তো কেন ডেকেছিল?অসহায় হয়ে ভাবলাম জীবনে রহস্যের উত্তর জানা যায় না
কাজলের বাবাকে জিজ্ঞাসা করলাম,-“এই কবরটা কবে দেয়া হয়েছে?”
তিনি বিছুটা অবাক হয়ে জানালেন,-
তুমি জাননা,কাজল পরশুদিন হঠাৎ বজ্রপাতে মারা গিয়েছে।পরশুদিনেই কবর দেয়া হয়েছে।
আমি আর কোন কথা বললাম না। ভাবলাম চারদিন আগের রাতে আমি এই কবরটি দেখেছি কাজলের লাস চারদিন আগে চাঁদনী রাতে রাস্তায় হাঁটতে দেখেছি।কিন্তু সেটা কি কাজলের লাস ছিল নাকি ভুত ছিল।তবে স্বপ্নে কাজলকে দেখেছি এটা কি ভাবে সম্ভব ?
সারটা পথ ভেবেও এই রহস্যের কূল কিনারা করতে পারছিলাম না।কাজল যে মারা যাবে এই কথাটা অন্য উপায়ে আমাকে জানিয়ে দিল কি কেউ ?কিন্তু কে সে ?কোন অশরীরি আত্মা ? তার কি উদ্দেশ্য ছিল ?আমি কি কাজলকে বাঁচাতে পারতাম ? সেদিন ষ্টেশনে কোন কারণে অনুপস্থিত ছিল সে ? কাজলদের বাড়ি গেলে কি কাজলকে বাঁচানো যেতো? সে রহস্য আজো মনে পড়ে,কিন্তু রহস্যের জট আজো পরিষ্কার হয়নি।এই ভূত রহস্য কাহিনী আজো চীর রহস্য হয়ে রয়েছে আমার জীবনে

Saturday, December 31, 2016

সিটিকর্পোরেশনের ড্রেন

ফেলে দেয়া স্যান্ডেল
ফেলে দেয়া প্লাষ্টিক বোতল
ময়লা আবর্জনায় অচল
মশা মাছির জন্ম স্থান
দুর্গন্ধের স্থবির ভাগার
অস্বাস্থ্যকর সৃষ্ট পরিবেশের
মানুষদের অনুপযুক্ত বসবাসের
ফি বছরের কতো রকমের প্ল্যান
সিটিকর্পোরেশনের ড্রেন।

 

Friday, December 16, 2016

কবিতা লিখুন বিজয় মাসের

কবিতা লিখুন বিজয় মাসের

-‘একটা কবিতা লিখুন কবি।’
-‘থামুন প্লিজ ! আমি নইতো কবি।’
-‘তবে যে কবিতা লিখেন দেখি
প্লিজ ! একটা কবিতা লিখুন কবি !’
-‘কি লিখব আাজ এই দু:সময়ের ?’
-‘কবিতা লিখুন বিজয় মাসের ।’
মুক্তি যোদ্ধাদের বিজয়ের ?
যুদ্ধাপরাধীদের পরাজয়ের ?
বিনা ভোটে দখলদারী ক্ষমতা বিজয়ের ?
ভোটের অধিকার হাড়ানোর পরাজয়ের ?
উন্নয়নের কাব্যিক বিজয়ের ?
মানবতার করুণ পরাজয়ের ?
বিজয়ের কবিতায় কি বিজয় আসতে পারে ?
অবিচার অত্যাচারে যদি মানুষের অশ্রু ঝরে ?
বৈষম্যের কাহিনী সাত কাহন ?
মধ্যম আয়ের দেশের উন্নয়ন?
প্রচারিত গরীবের দশ টাকা সের চাল ?
লুটপাটে হয় দরিদ্রের অধিকার বানচাল ?
কবিতার ছন্দ কই কবিতা লিখব বিজয়ের ?
লুটপাটের নিশানায় পরে থাকে পরাজয়ের।
তাই আমি বিজয় সুফলের দেশ দেখতে পাই না,
বিজয়ের অনুষ্ঠান ছাড়া আর কিছু দেখতে পাই না।
যেমন, রহিমুদ্দি চাচাকে জিজ্ঞাসিলাম সেদিন,-
-‘চাচা জানেন কি বিজয় দিবস কোন দিন ?’
ফোকলা দাঁতে হেসে সরল উক্তি,- ‘মুর্খ আমি,
বাজান কি যে কও ! অতোকিছু কি জানি ?
তার চাইতে কও দেখিনি ,
সরকার সার বীজ দিবান কি ?’
ন্যায্য মূল্যে সার বীজ পাওয়াতে তার বিজয় ।
বৈষম্য বঞ্চনার লক্ষ চিত্র জীবনের জীবন্ত পরাজয়।
পরিশেষে আপনাকে আন্তরিক দু:খ জানাই,
বিজয়ের কবিতা বলুন কোথায় খুঁজে পাই ?

Thursday, December 15, 2016

Pen

Pen

Coming up pen
Soil from the inside
Broke the silence of the grave
Garbage to flee
Sewer be messy
Grouped pairs of rows
One, two or three hundred thousand million million
Today is the end of the pen?
What wonder! Irregularities lawlessness?
Other strange murmurs strange soul wakes up pen spandane
Office, courthouse are slowly around town.

Suddenly out of breath a sigh to the memory of the pen, -
The owner was a poet lover, kindness body that she
How many poems written in poetic rhythm magic touch
Moonlit darkness of the night to write a love letter to his beloved wizard
Had the care of his warm chest pocket
Alas, at the end of a day out of the blue ink pen
He threw the dust of the street poet with neglect!

I was the owner of the bar was the master of Justice
How farcical trial of the man sentenced to death
Has paralyzed me, I'll have to break blocks.
Is he blind-eyed judge or heartless!

I heart pleading my journalist pen
The ink was filled with pride defendant in the stomach.
Why rural decline pale yellow destroy
Why was not written for the victory song of humanity.
Why was beat to the rhythm of opposing moral soldier?
Vanity, deceit false pretense tosamodera winning facilities.

I owned up to other professionals
I have been using arbitrary unlimited corruption
Serve to protect the interests of the dominant power in the interest of the rich!
In contrast to the message of harassment apadaste deprivation of the poor!
The ink used in this immoral More
Teen anguished they lay on the bed of sand soil.

The question today is what I would like a pen?
What do you want, O pen queer but alas!
What voice was heard claims the pen, like blood ..
The vibrating ear to clear the screen, like blood red ink!
I want to write a new world civilization of humanity.
I want to bring back decorum of human behavior.

So, even if I am a fan
I'll give you a bag of fresh, warm blood.

We want it
I'll definitely red.
Scholarly hole in the skull,
Voice pierced politicians,
The judge cut ventricle,
Delving into corrupt heart,
Rapists lascivious eyes pierced ..
Stop, pen!
Anger burst out with a loud voice said!
  What cruel, inhuman violent chorus lyric!

Violent affront to the people of the Word Bank
In contrast to the confident and did not tolerate threats to human life.

In response to a pointed belly fat pen -
Humanity's epic compositions of the genre!
They argue that they do not understand inert waste
Today, the voice of the soul filthy.

Red, blue, green, yellow pen coming up
Assorted kind of pen, alas! Why rule defect?
Today's indictment pen
Today the cry of pen
I want them to human blood
Humanity wants to open.
A lot of people in need of fresh blood of the sea
Pasanda terrible inhuman demands strong heart!
They will be the people's blood ink!
People say that by the merciless pen?
The newly organized civilization what you write poetry?
Or the need for the innocent.
People in need of blood drip
Liter liter gallons of gallons of blood.
Poetry will be written in the blood of the people of the new humanity.

Pens alive today, has life
Non-stop coming up
Coming jump
Is rolled down.
Poets pen
Boyfriend girlfriend pen
Students pen
The common man pen
Pens for Professionals
Judge pen
Ministers, MPs pen
Prime Minister, the President's pen
Bribery and corruption pen
Digital pen
Hungry and thirsty all the pens ..

Earth's sea life today thirsting spent vibrating pen.
What is going to be a great defeat the curse of the sign?

Saturday, December 10, 2016

শান্তি বিরাজের সমাজ হোক দূর বৈষম্য।



ছায়াবীথি ছাইতন গাছের সুগন্ধ সূরভী
 বন পথে মন ভুলায় হঠাৎ ফুটন্ত করবী
মেঠো পথ চলে গেছে ছড়ানো ধূলায় বকুল
শেফালীর মৌ মৌ সুবাসে মন করে আকুল ।

ডাহুক ডাকে ক্ষণে মন উদাসী বিরহী
মাছরাঙা ঝাপ দেয় পুঁটিটা পায় কী ?
শুভ্র বকের দল দিগন্তসবুজ ধান ক্ষেত
ময়না সাথীরে ডেকে ডানা মেলে চকিত ।

রাখাল গরুর পাল লয়ে দেয় হাক
 ডিম পাড়া মুরগীর বিরামহীন ডাক
কৃষানীর ধান উড়ানো বাতাসের গুঞ্জন
শিশুদের পড়ার ছন্দ সমবেত উচ্চারণ।

শিশুর দল খেলে নিয়ে তার শখের গাড়ি
অসীম সম্ভাবনাময় জীবন দিবে যে পাড়ি
প্রিয় মাটিতে খেলাধূলা আত্মীক  ভালবাসা
ভবিষ্যত প্রজন্ম শিশুরা তারাই দেশের আশা।

মায়াময় সুন্দর এই চিত্র সোনার বাংলার
আজ কেন মানুষের চরিত্র স্বার্থ হিংসার ?
মানুষে মানুষে হোক গড়ে তোলা নীতি সাম্য
শান্তি বিরাজের সমাজ হোক দূর বৈষম্য।

Tuesday, December 6, 2016

চাঁদনী রাতের ভূত

চাঁদনী রাতের ভূত

প্রায় সবাই ভুতে বিশ্বাস করেন।অনেক বলেন ভুত দেখেছেন।অনেকে বলেন দেখেননি আমি একবার ভুত দেখেছিলাম।এটি ভুত দর্শনের গল্প।আমার জীবনের ভুত দর্শনের একটি সত্য গল্প
আমি সে সময় মোহনগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে অধ্যয়নরত ছিলাম
একদিন কলেজে গিয়ে দেখলাম ক্লাস শেষে ঠাকুরকোনায় ষাড়ের লড়াই দেখার জন্য কয়েকজন সহপাঠি সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাকে জিজ্ঞাসা করলো যাবো কিনা ট্রেনে মোহনগঞ্জ হতে ঠাকুরকোনা ২০/২৫ মিনিটের পথ।৪ টার সময় ট্রেন।দিনান্তে ছটায় ফিরতি ট্রেন আছে। বাড়ি ফিরাতে সমস্যা হবে না।এক কথায় রাজী হয়ে গেলাম
বিকাল টার ট্রেন ধরে ঠাকুর কোনায় চলে গেলাম
সেখানে গিয়ে দেখলাম বিরাট একটি মাঠে অনেক মানুষের ভীরের মধ্যে মাঝ খানে খালি জায়গায় ষাড়ের লড়াই চলছে
সেখানে জানতে পারলাম এখন ছোট ছোট ষাড়দের লড়াই হচ্ছে পরে বড় ষাড়দের আকর্ষনীয় লড়াই হবে
সেখানে অনেক অস্থায়ী দোকানপাট গড়ে