Monday, February 29, 2016

ধর্ষণের শীর্ষে থাকা ১০ দেশ, কোন মুসলিম দেশ নেই

ধর্ষণের শীর্ষে থাকা ১০ দেশ, কোন মুসলিম দেশ নেই
বিশ্বজুড়ে ক্রমশই ধর্ষণ বা নারী নিগ্রহের মতো ঘটনা বেড়ে চলেছে। উন্নত দেশগুলোতে সেই সব ধর্ষণের খবর নজরে আসলেও অনুন্নত দেশগুলিতে অধিকাংশ ধর্ষণের খবর চাপা পড়ে যায়। সম্মানহানির ভয়ে অনুন্নত দেশে অনেক মহিলাই ধষর্ণ বা যৌ ন নিগ্রহের খবর পুলিশে জানান না। ফলে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন ঘটে চলা ধর্ষণের বা নারী নিগ্রহের ঘটনার তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করা বেশ কঠিন। তবু সরকারি এবং বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার সমীক্ষায় যে তথ্য উঠে আসে তা রীতিমতো চোখ কপালে ওঠার মতো।
 দেখে নেওয়া যাক ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার ঘটনায় শীর্ষে থাকা ১০ দেশের তালিকা।
 ১. দক্ষিণ আফ্রিকা তালিকার শীর্ষে থাকা এই দেশে প্রতিবছর পাঁচ লক্ষ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ আফ্রিকার ৪০ শতাংশ মহিলা জীবনে একবার ধর্ষিত হয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী ৯ জন ধর্ষিতার মধ্যে মাত্র এক জন পুলিশে খবর দেন।
 ২. সুইডেন ধর্ষণের ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকার পরই রয়েছে সুইডেন। প্রতিলাখে ৫৩.২ শতাংশ মহিলা ধর্ষিত হন। ধর্ষণের ঘটনাও বেড়েছেও লাফিয়ে লাফিয়ে। ১৯৭৫ সালে যেখানে সংখ্যাটা ছিল ৪২১ জন, সেখানে ২০১৪ সালে ধর্ষণের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৬,৬২০-তে।
 ৩. যুক্তরাষ্ট্র জর্জ ম্যাসন বিশ্ববিদ্যায়ের সমীক্ষা অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি তিন জন মহিলার মধ্যে এক জন তাঁদের জীবনে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন। সে দেশে ১৯ শতাংশ মহিলা এবং ২ শতাংশ পুরুষ তাদের জীবনে অন্তত একবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
 ৪. ইংল্যান্ড এক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী এ দেশে ধর্ষণের সময় শুধু পুরুষের লিঙ্গ ব্যবহার করা হয় না। আঙুল বা অন্য কোনো বস্তু ব্যবহার করে ধর্ষণ করা হয়। ২০১৩ সালে প্রকাশিত হওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর ইংল্যান্ড এবং ওয়ালসে ৮৫ হাজার মানুষ ধর্ষিত হন।
 ৫. ভারত জাতীয় ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ভারতে প্রতি ২০ মিনিটে একজন নারী ধর্ষিতা হন। অধিকাংশ নিগৃহীতার বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।
 ৬. নিউজিল্যান্ড এ দেশের ন্যায় মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত রির্পোট অনুযায়ী প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর একজন যৌন হেনস্থার শিকার হন। এই রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, প্রতি তিন জন বালিকার মধ্যে একজন এবং প্রতি ছয়জন বালকের মধ্যে ১ জন তাদের ১৬ বছর বয়েসের আগেই যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছে।
 ৭. কানাডা  একটি সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কানাডায় প্রতিবছর ৪ লাখের বেশি মানুষ যৌন হেনস্থার শিকার হন। প্রতি চারজন মহিলার মধ্যে অন্তত এক জন তাদের জীবনে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ পুলিশের রিপোর্ট করেন। 
৮. অস্ট্রেলিয়া একটি সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি ৬ জন মহিলার মধ্যে ১ জন ধর্ষণের শিকার হন। ২০১২ সালে ৫১,২০০ জন তাদের ১৮ বছর বয়েসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
 ৯. জিম্বাবুয়ে এ দেশে প্রতি ৯০ মিনিটে একজন মহিলা ধর্ষণের শিকার হন। জিম্বাবুয়ের সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতিমাসে ৫০০ জন এবং দিনে ৬ জন মহিলা ধর্ষণের শিকার হন।
 ১০. ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড একটি মানবাধিকার সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী ডেনমার্কে ৫২ শতাংশ মহিলা এবং ফিনল্যান্ডে ৩৭ শতাংশ মহিলা ধর্ষণের শিকার হন।

-আমার দেশ

Monday, February 29, 2016

ধর্ষণের শীর্ষে থাকা ১০ দেশ, কোন মুসলিম দেশ নেই

ধর্ষণের শীর্ষে থাকা ১০ দেশ, কোন মুসলিম দেশ নেই
বিশ্বজুড়ে ক্রমশই ধর্ষণ বা নারী নিগ্রহের মতো ঘটনা বেড়ে চলেছে। উন্নত দেশগুলোতে সেই সব ধর্ষণের খবর নজরে আসলেও অনুন্নত দেশগুলিতে অধিকাংশ ধর্ষণের খবর চাপা পড়ে যায়। সম্মানহানির ভয়ে অনুন্নত দেশে অনেক মহিলাই ধষর্ণ বা যৌ ন নিগ্রহের খবর পুলিশে জানান না। ফলে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন ঘটে চলা ধর্ষণের বা নারী নিগ্রহের ঘটনার তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করা বেশ কঠিন। তবু সরকারি এবং বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার সমীক্ষায় যে তথ্য উঠে আসে তা রীতিমতো চোখ কপালে ওঠার মতো।
 দেখে নেওয়া যাক ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার ঘটনায় শীর্ষে থাকা ১০ দেশের তালিকা।
 ১. দক্ষিণ আফ্রিকা তালিকার শীর্ষে থাকা এই দেশে প্রতিবছর পাঁচ লক্ষ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ আফ্রিকার ৪০ শতাংশ মহিলা জীবনে একবার ধর্ষিত হয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী ৯ জন ধর্ষিতার মধ্যে মাত্র এক জন পুলিশে খবর দেন।
 ২. সুইডেন ধর্ষণের ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকার পরই রয়েছে সুইডেন। প্রতিলাখে ৫৩.২ শতাংশ মহিলা ধর্ষিত হন। ধর্ষণের ঘটনাও বেড়েছেও লাফিয়ে লাফিয়ে। ১৯৭৫ সালে যেখানে সংখ্যাটা ছিল ৪২১ জন, সেখানে ২০১৪ সালে ধর্ষণের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৬,৬২০-তে।
 ৩. যুক্তরাষ্ট্র জর্জ ম্যাসন বিশ্ববিদ্যায়ের সমীক্ষা অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি তিন জন মহিলার মধ্যে এক জন তাঁদের জীবনে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন। সে দেশে ১৯ শতাংশ মহিলা এবং ২ শতাংশ পুরুষ তাদের জীবনে অন্তত একবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
 ৪. ইংল্যান্ড এক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী এ দেশে ধর্ষণের সময় শুধু পুরুষের লিঙ্গ ব্যবহার করা হয় না। আঙুল বা অন্য কোনো বস্তু ব্যবহার করে ধর্ষণ করা হয়। ২০১৩ সালে প্রকাশিত হওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর ইংল্যান্ড এবং ওয়ালসে ৮৫ হাজার মানুষ ধর্ষিত হন।
 ৫. ভারত জাতীয় ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ভারতে প্রতি ২০ মিনিটে একজন নারী ধর্ষিতা হন। অধিকাংশ নিগৃহীতার বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।
 ৬. নিউজিল্যান্ড এ দেশের ন্যায় মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত রির্পোট অনুযায়ী প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর একজন যৌন হেনস্থার শিকার হন। এই রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, প্রতি তিন জন বালিকার মধ্যে একজন এবং প্রতি ছয়জন বালকের মধ্যে ১ জন তাদের ১৬ বছর বয়েসের আগেই যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছে।
 ৭. কানাডা  একটি সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কানাডায় প্রতিবছর ৪ লাখের বেশি মানুষ যৌন হেনস্থার শিকার হন। প্রতি চারজন মহিলার মধ্যে অন্তত এক জন তাদের জীবনে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ পুলিশের রিপোর্ট করেন। 
৮. অস্ট্রেলিয়া একটি সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি ৬ জন মহিলার মধ্যে ১ জন ধর্ষণের শিকার হন। ২০১২ সালে ৫১,২০০ জন তাদের ১৮ বছর বয়েসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
 ৯. জিম্বাবুয়ে এ দেশে প্রতি ৯০ মিনিটে একজন মহিলা ধর্ষণের শিকার হন। জিম্বাবুয়ের সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতিমাসে ৫০০ জন এবং দিনে ৬ জন মহিলা ধর্ষণের শিকার হন।
 ১০. ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড একটি মানবাধিকার সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী ডেনমার্কে ৫২ শতাংশ মহিলা এবং ফিনল্যান্ডে ৩৭ শতাংশ মহিলা ধর্ষণের শিকার হন।

-আমার দেশ