Saturday, February 25, 2017

বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ










বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ

ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী পদস্থ কর্মচারীদের স্যার বলিয়া সম্ভোধন করিবেন।
এমনকি উনারা যদি মহিলা হন তবুও ম্যাডাম বলা যাবে না।
আর যদি ভাই বোন বলে সম্ভোধন করেন তবে নিশ্চিত জানবেন আপনার কার্য হাসিল হইবেক লাই।
বরং লাঞ্চিত হবার সম্ভাবনা শতভাগ।
এক্ষত্রে তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী না ভেবে নতজানু ভাব প্রদর্শণে অবতার মনে করলে কার্য সিদ্ধি সহজ হতে পারে।
ঠিক যেমনটা নতজানু ভারত দাদার প্রতি বাংলাদেশ ।
অপরদিকে উনাদের সমপর্যায়ের বা উচ্চপর্যায়ের কেহ ভাই বলে সম্ভোধন করেন তবে তারা খুব খুশী হন।
জানবেন ইহাকেই বৈষম্য বলে,যাহা মুক্তি যুদ্ধের চেতনা ধারী নহে বিপরীতে পরিপন্থি এবং এখানেই মুক্তি যুদ্ধের চেতনা মার খায়।বৈষম্যের চীর শিকার হয়ে থাকে ভূক্তভোগী সাধারণ জনগণ।
বর্তমানে ভোগবাদী সমাজে এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট এমন প্রকট হয়েছে যে,অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে ঐ সমস্ত পদ মুষ্টিবদ্ধ করা হয়।
যেন জীবন যুদ্ধের মল্ল যুদ্ধ ।
এ অবস্থায় জনগণের সেবার চেয়ে বৈষম্যের আচরণে জনগণের ভূক্তভোগী হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক নয় কি ?
কাজেই বর্তমান প্রচলিত ব্যবস্থায় অর্জন করা জ্ঞানে পাওয়া জনস্বার্থের পদে মানব কল্যানের জন্য সেবা আশা করা যায় কিভাবে ?
যদিও এই জ্ঞান আন্তর্জাতিক মান দন্ডে অনেক পিছিয়ে,তবু গরীব দেশের গরীব জনগণের দেশে রাজা রাজা ভাব জন্মে।
যার প্রমাণ মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল রেজাল্টে মাষ্টার্স পাশ করে কানাডায় গিযে হোটেলের ডিস ওয়াস করাতে অথবা মাননীয় মন্ত্রীদের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর,ইউরোপ ,আমেরিকা গমন কিংবা সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ভারত গমন।
তাহলে একথা বলা যাবে না কেন ? যেন -
পদের অহংকার মোরে করিয়াছে মহান।
মানবসেবা লাভের ব্যবসায় দূরাচার।
পরিশিষ্ট
সরকারী কর্মচারীরা ক্ষমতাসীন নেতা কর্মীর দ্বারা অহরহ লাঞ্চিত হচ্ছেন।
এর জন্য কে দায়ী ।
কর্মচারীটি বিনা ভোটের নির্বাচনে ভোট কাষ্টিং দেখিয়ে তাদের ক্ষমতায় আরোহনে সাহায্য করার জন্য তাদের এই লাঞ্চিত হওয়ার জন্য দায়ী নয় কি ?
একই কারণে দম্ভের উক্তি হয়,-‘দেশের রাজা পুলিশ।’
এ অবস্খায় স্যারগণ মনে মনে রাজা বনে আচরণে রাজ ভাব প্রকাশ করতেই পারেন বৈষম্যের শিকার গরীব জনগণের প্রতি।
তাহলে এই মহাশয়গণ ,সরি স্যারগণের মনে মনে রাজা বনে যাবার ভাবনার চেতনা হলে জনগণের সেবক হবেন কি করে ?
তাই তারা জনগনের সেবা নামান্তরে ভাবান্তরে একটি সহজ পলিসি উদ্ভাবন করেছেন-,
যেমন,-‘সরকারের সেবা মানেই জনগণের সেবা।
আর জনগণের সেবা মানে পদোন্নতি সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি ।।
একজনের রাজনৈতিক ষ্ট্যাটাসের কমেন্টে লিখেছিলাম,-
‘দুর্নীতির চক্রে আবর্তীত রাজনীতি
পরিবার তন্ত্র তার চালিকা শক্তি ।’
-এই ব্যবস্থা আজকের ডিজিটাল যুগে জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া একটি যাতনা ময় যাঁতাকল নয় কি ?
যদি না হয় ,তবে কেন নয় ?
অতকিছুর পর বলতে চাই যে,-
সামাজিক বৈষম্য দূর হোক
৭১ এর চেতনা মুক্তি পাক।

Saturday, February 25, 2017

বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ










বৈষম্যের অনিয়মের যাঁতাকলে বঞ্চিত জনগণ

ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী পদস্থ কর্মচারীদের স্যার বলিয়া সম্ভোধন করিবেন।
এমনকি উনারা যদি মহিলা হন তবুও ম্যাডাম বলা যাবে না।
আর যদি ভাই বোন বলে সম্ভোধন করেন তবে নিশ্চিত জানবেন আপনার কার্য হাসিল হইবেক লাই।
বরং লাঞ্চিত হবার সম্ভাবনা শতভাগ।
এক্ষত্রে তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী না ভেবে নতজানু ভাব প্রদর্শণে অবতার মনে করলে কার্য সিদ্ধি সহজ হতে পারে।
ঠিক যেমনটা নতজানু ভারত দাদার প্রতি বাংলাদেশ ।
অপরদিকে উনাদের সমপর্যায়ের বা উচ্চপর্যায়ের কেহ ভাই বলে সম্ভোধন করেন তবে তারা খুব খুশী হন।
জানবেন ইহাকেই বৈষম্য বলে,যাহা মুক্তি যুদ্ধের চেতনা ধারী নহে বিপরীতে পরিপন্থি এবং এখানেই মুক্তি যুদ্ধের চেতনা মার খায়।বৈষম্যের চীর শিকার হয়ে থাকে ভূক্তভোগী সাধারণ জনগণ।
বর্তমানে ভোগবাদী সমাজে এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট এমন প্রকট হয়েছে যে,অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে ঐ সমস্ত পদ মুষ্টিবদ্ধ করা হয়।
যেন জীবন যুদ্ধের মল্ল যুদ্ধ ।
এ অবস্থায় জনগণের সেবার চেয়ে বৈষম্যের আচরণে জনগণের ভূক্তভোগী হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক নয় কি ?
কাজেই বর্তমান প্রচলিত ব্যবস্থায় অর্জন করা জ্ঞানে পাওয়া জনস্বার্থের পদে মানব কল্যানের জন্য সেবা আশা করা যায় কিভাবে ?
যদিও এই জ্ঞান আন্তর্জাতিক মান দন্ডে অনেক পিছিয়ে,তবু গরীব দেশের গরীব জনগণের দেশে রাজা রাজা ভাব জন্মে।
যার প্রমাণ মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল রেজাল্টে মাষ্টার্স পাশ করে কানাডায় গিযে হোটেলের ডিস ওয়াস করাতে অথবা মাননীয় মন্ত্রীদের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর,ইউরোপ ,আমেরিকা গমন কিংবা সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ভারত গমন।
তাহলে একথা বলা যাবে না কেন ? যেন -
পদের অহংকার মোরে করিয়াছে মহান।
মানবসেবা লাভের ব্যবসায় দূরাচার।
পরিশিষ্ট
সরকারী কর্মচারীরা ক্ষমতাসীন নেতা কর্মীর দ্বারা অহরহ লাঞ্চিত হচ্ছেন।
এর জন্য কে দায়ী ।
কর্মচারীটি বিনা ভোটের নির্বাচনে ভোট কাষ্টিং দেখিয়ে তাদের ক্ষমতায় আরোহনে সাহায্য করার জন্য তাদের এই লাঞ্চিত হওয়ার জন্য দায়ী নয় কি ?
একই কারণে দম্ভের উক্তি হয়,-‘দেশের রাজা পুলিশ।’
এ অবস্খায় স্যারগণ মনে মনে রাজা বনে আচরণে রাজ ভাব প্রকাশ করতেই পারেন বৈষম্যের শিকার গরীব জনগণের প্রতি।
তাহলে এই মহাশয়গণ ,সরি স্যারগণের মনে মনে রাজা বনে যাবার ভাবনার চেতনা হলে জনগণের সেবক হবেন কি করে ?
তাই তারা জনগনের সেবা নামান্তরে ভাবান্তরে একটি সহজ পলিসি উদ্ভাবন করেছেন-,
যেমন,-‘সরকারের সেবা মানেই জনগণের সেবা।
আর জনগণের সেবা মানে পদোন্নতি সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি ।।
একজনের রাজনৈতিক ষ্ট্যাটাসের কমেন্টে লিখেছিলাম,-
‘দুর্নীতির চক্রে আবর্তীত রাজনীতি
পরিবার তন্ত্র তার চালিকা শক্তি ।’
-এই ব্যবস্থা আজকের ডিজিটাল যুগে জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া একটি যাতনা ময় যাঁতাকল নয় কি ?
যদি না হয় ,তবে কেন নয় ?
অতকিছুর পর বলতে চাই যে,-
সামাজিক বৈষম্য দূর হোক
৭১ এর চেতনা মুক্তি পাক।