Monday, April 10, 2017

বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না



বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না

কেষ্ট ঠাকুর অতিশয় ভক্তিতে ভগবানের কাছে প্রার্থণা করিয়া কহিলেন-
ভগবান সিংহ বিজাতীয় প্রাণি,নৌকার জয় হোক
ভগবান কহিলেন-,
সিংহ নেই ধান ?
কেষ্ট ঠাকুর হাতজোড় করে কহিলেন,-
ধান নেই ভগবান।
ভগবান কহিলেন ,-‘তথাস্তু!’
ভগবান বুঝলেন জানলেন যে, কেষ্ট ঠাকুরদের দেশে সিংহ নেই অতএব সিংহ দ্বারা ক্ষতির আশংকা নেই কেষ্ট ঠাকুর নৌকা চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন করে প্রার্থণা করেছেন কিন্তু ভগবান জানেন এই অসময়ে জল হলে কৃষকের ধানের ক্ষতি হতে পারে কিন্তু কেষ্ট ঠাকুরের ধান নেই কথাতে ভগবান বুঝিলেন ধানের ক্ষতি হবে না বা তার চেয়ে প্রয়োজন নৌকার চলাচল

অপর দিকে মীনগণ ভগবানের নিকট প্রার্থণা করলো,-
হে ভগবান,মানুষ খুনের রক্তে আমাদের আবাস স্থল বিল অপবিত্র হয়ে গেছে।এ অবস্থায় আমরা কিছু খেতে পারছি না ,দীর্ঘদিন যাবত অনাহারে কষ্টে আছি।আপনি দয়া করে পর্যাপ্ত খাদ্য অন্বেষণ করার জন্য বিরাট এলাকা প্লাবিত করে দিন।
ভগবান ভেবে দেখলেন ,কেষ্ট ঠাকুর মীনদের প্রার্থণা প্রায় একরকম।
অতএব তিনি আদেশ করলেন,-
প্রার্থণা মঞ্জুর হোক।

ভগবানের নির্দেশে চৈত্র মাসে বানের জলে কৃষকের ধানী জমি তলিয়ে গেল।
কৃষকেরা সর্বশান্ত হলো।
তাদের দু: কষ্টের সীমা রহিল না
যাহা আগামী এক বছর যাবত প্রলম্বিত থাকবে।
এভাবে দেশের সাধারণ জনগণের দুঃখ থাকে বারো বারোমাস

কারণ বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না

Monday, April 10, 2017

বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না



বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না

কেষ্ট ঠাকুর অতিশয় ভক্তিতে ভগবানের কাছে প্রার্থণা করিয়া কহিলেন-
ভগবান সিংহ বিজাতীয় প্রাণি,নৌকার জয় হোক
ভগবান কহিলেন-,
সিংহ নেই ধান ?
কেষ্ট ঠাকুর হাতজোড় করে কহিলেন,-
ধান নেই ভগবান।
ভগবান কহিলেন ,-‘তথাস্তু!’
ভগবান বুঝলেন জানলেন যে, কেষ্ট ঠাকুরদের দেশে সিংহ নেই অতএব সিংহ দ্বারা ক্ষতির আশংকা নেই কেষ্ট ঠাকুর নৌকা চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন করে প্রার্থণা করেছেন কিন্তু ভগবান জানেন এই অসময়ে জল হলে কৃষকের ধানের ক্ষতি হতে পারে কিন্তু কেষ্ট ঠাকুরের ধান নেই কথাতে ভগবান বুঝিলেন ধানের ক্ষতি হবে না বা তার চেয়ে প্রয়োজন নৌকার চলাচল

অপর দিকে মীনগণ ভগবানের নিকট প্রার্থণা করলো,-
হে ভগবান,মানুষ খুনের রক্তে আমাদের আবাস স্থল বিল অপবিত্র হয়ে গেছে।এ অবস্থায় আমরা কিছু খেতে পারছি না ,দীর্ঘদিন যাবত অনাহারে কষ্টে আছি।আপনি দয়া করে পর্যাপ্ত খাদ্য অন্বেষণ করার জন্য বিরাট এলাকা প্লাবিত করে দিন।
ভগবান ভেবে দেখলেন ,কেষ্ট ঠাকুর মীনদের প্রার্থণা প্রায় একরকম।
অতএব তিনি আদেশ করলেন,-
প্রার্থণা মঞ্জুর হোক।

ভগবানের নির্দেশে চৈত্র মাসে বানের জলে কৃষকের ধানী জমি তলিয়ে গেল।
কৃষকেরা সর্বশান্ত হলো।
তাদের দু: কষ্টের সীমা রহিল না
যাহা আগামী এক বছর যাবত প্রলম্বিত থাকবে।
এভাবে দেশের সাধারণ জনগণের দুঃখ থাকে বারো বারোমাস

কারণ বাংলাদেশের কেষ্ট ঠাকুররা সাধারণ জনগণের জন্য প্রার্থণা করেন না