Friday, April 7, 2017

পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?



পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?

বাংলাদেশে দুই রহমান এক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান এর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে গণতন্ত্রের অপূরণীয ক্ষতি হয় ।যদিও শেখ মজিবুর রহমান একদল বাকশাল  এবং সেনাবাহিনীর প্রতিদ্বন্দি রক্ষীবাহিনী গঠন না করলে গণতন্ত্র মুক্তি পেতে পারতো। পরকর্তীতে জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের মুক্তি দেন হয় ।রব উত্থান ঘটে অজকের আওয়ামলীগের কিন্তু জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে গণতন্ত্র দুষিত হয় । জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে বাংলাদেশে উত্থান ঘটে উত্তরাধিকারী সূত্রে পরিবারতন্ত্রের । আজকের দেশের জনগণ পরিবার তন্ত্রের হাতে বন্ধী।এই পরিবারতন্ত্রেও তত্বাবধায়রক নির্বচন পদ্ধতিতে গণতন্ত্র প্রত্যাশা করছিল জনগণ ।কিন্তু পরিবার তন্ত্রের জুজু চেপে বসেছে বাংলাদেশের ঘাড়ে ।যেনো এর থেকে পরিত্রাণের কোন উপায় নেই অসহায় জনগণের। পরিবারতন্ত্র কি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে বা পারবে ?এক কথায় বলা যেতে পারে না।বরং পরিবার তন্ত্রের পিতা মাতা স্ত্রী সন্তানদের স্তুতি প্রচারের মাধ্যম হয়েছে পরিবারতন্ত্র।পরিবারতন্ত্রে বৈষম্য.স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তণ করা হচ্ছে,সাথারণ জনগণকে করা হচ্ছে দয়ার পাত্র। এই অবস্থায় জনগণের ভোটের অধিকার বঞ্চিতের ৫ জানুয়ারীর মতো নির্বাচনে ক্ষমতায় আরোহন করাকে প্রত্যক্ষ ভাবে সংবিধানীক নীতি বলে ধরা হয় ,এখানে জনগণের অধিকার গৌণ।।


অর্থাৎ বিদ্যমান পরিবারতন্ত্র মানুষের অধিকার বঞ্চিত করে দয়ার পাত্র হতে বাধ্য করে
সমাজে দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি প্রতিষ্ঠা হয় , ফলে মানুষদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়ে দরিদ্রের চক্রে আবর্তীত করে চীরকাল
পরিবার তন্ত্রে অযোগ্যরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসে শাসন করার সুযোগ পায়
অযোগ্য চাপিয়ে দেয়া শাসনে বোধ শক্তি হাড়িয়ে ফেলে সাধারণ মানুষ
রকম যুক্তিহীন পরিবেশে সুবিধা ভোগীরা ব্যাপক সুবিধা লাভ করে, বঞ্চিত হতে থাকে সাধারণ মানুষ
একটি পরিবারের দীর্ঘকাল ক্ষমতা সুবিধা ভোগ করার কারণে সাধারণ মানুষদের সার্বিকভাবে অধিকার বঞ্চিত হওয়ার পথ নিশ্চিত করে
পাশাপাশি শাসকদের কাছ থেকে নিত্য নতুন উদ্ভট দাবি , পন্থা বচনে অভ্যস্ত হতে বাধ্য হয় অসহায় জনগণ


পরিবার তন্ত্র কিছু সংখ্যক সুবিধাভোগীদের তোষামোদ স্তুতি মাধ্যমে সহজ স্বার্থ সিদ্ধি লাভের মাধ্যম হয় বিপরীতে ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হয় জনগণ।কিন্তু এই বঞ্চিত জনগণকে নিয়েই চলে রাজনীতি।
একটি দরিদ্র দেশে এই অশুভ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন চলার কারনে পশ্চাদপদ জনপদ চীরদিন বঞ্চিত থাকছে
বিপরীতে প্রতিষ্ঠা হচ্ছে স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি
ফলে দেশ সার্বিকভাবে উন্নতি লাভে ব্যর্থ হচ্ছে


পরিবার তন্ত্রের ব্যাপারে বলা যায় জনকল্যান মূলক নয় এমন পরিবার তন্ত্রের উত্থান বৃটিশ আমলে
বৃটিশরা এদশে শাসন শোষন করার সুবিধার জন্য আইন করে পরিবার তন্ত্র সৃষ্টি করলেও,চলে যাবার সময় পূনরায় আইন করে উচ্ছেদ করে যায় কারণ এই দোষের ভাগীদার তারা হতে চাননি
কিন্তু বৃটিশদের সেই ফেলে দেয়া মানষিকতায় বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে
যার কবল থেকে সাধারণ মানুষের কোন পরিত্রাণ নেই এই কারণে যে,
এই পরিবার তন্ত্রের উত্থানে আজ সাধারণ মানুষের অংশ গ্রহণ উল্লাস দেখার মতো,
যেনো বোকার স্বর্গ বাস


সাধারণ জনগণের বোধহীন,অধিকারহীন এই আচরণের প্রসংগে সঙ্গত কারণে উদাহরণ দেয়া যায় যে,
একজন বাদাম বিক্রেতা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন।অতএব আজকের আমেরিকা পৃথিবী সেরা
অথবা একজন চা বিক্রেতা ভারতের প্রধান মন্ত্রী হতে পারেন।ভারত গণতন্ত্রের দেশ
কিন্তু বাংলাদেশের একজন কৃষক প্রধাণ মন্ত্রী হতে পারবেন না,-একথা একবাক্যে নিশ্চই সবাই বিশ্বাস করবেন
প্রধাণ মন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বাস জনিত এই ব্যর্থতা হলো পরিবার তন্ত্রের বিষবৃক্ষ
এই বিষবৃক্ষ জনমানুষের নেতা সৃষ্টিতে স্থায়ী প্রতিবন্ধকতার বিপরীতে স্বার্থবাদী সুবিধাভোগী চাটুকার শ্রেনী সৃষ্টি করছে।নিজেদের অর্জনই যাদের প্রধাণ বিশ্বাস,দেশ বা দেশের মানুষ তাদের কাছে গৌণ


পরিবার তন্ত্রের এই বিষবৃক্ষ একটি জাতির স্বাভাবিক চিন্তা চেতনা মনন বিকাশে অন্তরায়
বিপরীতে পরিবার তন্ত্রের গুটি কয়েক সুবিধাভোগীদের সকল সুবিধা অর্জন আর তাদের বিপুল সুবিধা অর্জনের বিপরীতে তাদের দ্বারা চাপিয়ে দেয়া চেতনায় জাতি প্রতিবন্ধী হওয়ার পথে
এই কারণে বলা কি যায় না সাধারণ জনগণের মুক্তি নেই , অভাগা বাংলাদেশ ?


অতএব কেন দাবী করা যাবে না ?-
পরিবার তন্ত্র মুক্ত বাংলাদেশ চাই ।।

ছবি-ভাটী অঞ্চলে বানের পানিতে ফসল ডুবে গেছে, রাস্তার অপর পাশের অবশিষ্ট কিছু ফসল রক্ষার জন্য ফসলী জমি নষ্ট করে(ডুবন্ত ধান সহ মাটি) মাটি উত্তোলন করে রাস্তার উপর বাঁধ দিয়ে ফসল রক্ষা করার যান্ত্রীক কসরত।অথচ রাস্তাটা একটু উচুঁ করে দিলেই এর স্থায়ী সমাধাণ হতো।অপর দিকে সরকারের মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠান গুলোর সমন্বয়হীনতার প্রমাণ । আরো প্রমাণ করে যে এখানে গণতন্ত্রের চর্চা করা হয়নি । পরিবারতন্ত্র এভাবেই এক তরফাভাবে জনগণের অধিকার ক্ষুন্ন করে দু;খ দুর্দশায় পতিত করার কারণ হয়।কারণ পরিবার তন্ত্র কখনো সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে না।

Friday, April 7, 2017

পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?



পরিবার তন্ত্র বনাম গণতন্ত্র , তারচেয়ে বড় কেন নয় সাধারণ মানুষের অধিকার তন্ত্র ?

বাংলাদেশে দুই রহমান এক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান এর অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে গণতন্ত্রের অপূরণীয ক্ষতি হয় ।যদিও শেখ মজিবুর রহমান একদল বাকশাল  এবং সেনাবাহিনীর প্রতিদ্বন্দি রক্ষীবাহিনী গঠন না করলে গণতন্ত্র মুক্তি পেতে পারতো। পরকর্তীতে জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের মুক্তি দেন হয় ।রব উত্থান ঘটে অজকের আওয়ামলীগের কিন্তু জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে গণতন্ত্র দুষিত হয় । জেলারেল হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের স্বৈর তন্ত্রের কারণে বাংলাদেশে উত্থান ঘটে উত্তরাধিকারী সূত্রে পরিবারতন্ত্রের । আজকের দেশের জনগণ পরিবার তন্ত্রের হাতে বন্ধী।এই পরিবারতন্ত্রেও তত্বাবধায়রক নির্বচন পদ্ধতিতে গণতন্ত্র প্রত্যাশা করছিল জনগণ ।কিন্তু পরিবার তন্ত্রের জুজু চেপে বসেছে বাংলাদেশের ঘাড়ে ।যেনো এর থেকে পরিত্রাণের কোন উপায় নেই অসহায় জনগণের। পরিবারতন্ত্র কি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে বা পারবে ?এক কথায় বলা যেতে পারে না।বরং পরিবার তন্ত্রের পিতা মাতা স্ত্রী সন্তানদের স্তুতি প্রচারের মাধ্যম হয়েছে পরিবারতন্ত্র।পরিবারতন্ত্রে বৈষম্য.স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তণ করা হচ্ছে,সাথারণ জনগণকে করা হচ্ছে দয়ার পাত্র। এই অবস্থায় জনগণের ভোটের অধিকার বঞ্চিতের ৫ জানুয়ারীর মতো নির্বাচনে ক্ষমতায় আরোহন করাকে প্রত্যক্ষ ভাবে সংবিধানীক নীতি বলে ধরা হয় ,এখানে জনগণের অধিকার গৌণ।।


অর্থাৎ বিদ্যমান পরিবারতন্ত্র মানুষের অধিকার বঞ্চিত করে দয়ার পাত্র হতে বাধ্য করে
সমাজে দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি প্রতিষ্ঠা হয় , ফলে মানুষদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়ে দরিদ্রের চক্রে আবর্তীত করে চীরকাল
পরিবার তন্ত্রে অযোগ্যরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসে শাসন করার সুযোগ পায়
অযোগ্য চাপিয়ে দেয়া শাসনে বোধ শক্তি হাড়িয়ে ফেলে সাধারণ মানুষ
রকম যুক্তিহীন পরিবেশে সুবিধা ভোগীরা ব্যাপক সুবিধা লাভ করে, বঞ্চিত হতে থাকে সাধারণ মানুষ
একটি পরিবারের দীর্ঘকাল ক্ষমতা সুবিধা ভোগ করার কারণে সাধারণ মানুষদের সার্বিকভাবে অধিকার বঞ্চিত হওয়ার পথ নিশ্চিত করে
পাশাপাশি শাসকদের কাছ থেকে নিত্য নতুন উদ্ভট দাবি , পন্থা বচনে অভ্যস্ত হতে বাধ্য হয় অসহায় জনগণ


পরিবার তন্ত্র কিছু সংখ্যক সুবিধাভোগীদের তোষামোদ স্তুতি মাধ্যমে সহজ স্বার্থ সিদ্ধি লাভের মাধ্যম হয় বিপরীতে ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হয় জনগণ।কিন্তু এই বঞ্চিত জনগণকে নিয়েই চলে রাজনীতি।
একটি দরিদ্র দেশে এই অশুভ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন চলার কারনে পশ্চাদপদ জনপদ চীরদিন বঞ্চিত থাকছে
বিপরীতে প্রতিষ্ঠা হচ্ছে স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি
ফলে দেশ সার্বিকভাবে উন্নতি লাভে ব্যর্থ হচ্ছে


পরিবার তন্ত্রের ব্যাপারে বলা যায় জনকল্যান মূলক নয় এমন পরিবার তন্ত্রের উত্থান বৃটিশ আমলে
বৃটিশরা এদশে শাসন শোষন করার সুবিধার জন্য আইন করে পরিবার তন্ত্র সৃষ্টি করলেও,চলে যাবার সময় পূনরায় আইন করে উচ্ছেদ করে যায় কারণ এই দোষের ভাগীদার তারা হতে চাননি
কিন্তু বৃটিশদের সেই ফেলে দেয়া মানষিকতায় বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে
যার কবল থেকে সাধারণ মানুষের কোন পরিত্রাণ নেই এই কারণে যে,
এই পরিবার তন্ত্রের উত্থানে আজ সাধারণ মানুষের অংশ গ্রহণ উল্লাস দেখার মতো,
যেনো বোকার স্বর্গ বাস


সাধারণ জনগণের বোধহীন,অধিকারহীন এই আচরণের প্রসংগে সঙ্গত কারণে উদাহরণ দেয়া যায় যে,
একজন বাদাম বিক্রেতা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন।অতএব আজকের আমেরিকা পৃথিবী সেরা
অথবা একজন চা বিক্রেতা ভারতের প্রধান মন্ত্রী হতে পারেন।ভারত গণতন্ত্রের দেশ
কিন্তু বাংলাদেশের একজন কৃষক প্রধাণ মন্ত্রী হতে পারবেন না,-একথা একবাক্যে নিশ্চই সবাই বিশ্বাস করবেন
প্রধাণ মন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বাস জনিত এই ব্যর্থতা হলো পরিবার তন্ত্রের বিষবৃক্ষ
এই বিষবৃক্ষ জনমানুষের নেতা সৃষ্টিতে স্থায়ী প্রতিবন্ধকতার বিপরীতে স্বার্থবাদী সুবিধাভোগী চাটুকার শ্রেনী সৃষ্টি করছে।নিজেদের অর্জনই যাদের প্রধাণ বিশ্বাস,দেশ বা দেশের মানুষ তাদের কাছে গৌণ


পরিবার তন্ত্রের এই বিষবৃক্ষ একটি জাতির স্বাভাবিক চিন্তা চেতনা মনন বিকাশে অন্তরায়
বিপরীতে পরিবার তন্ত্রের গুটি কয়েক সুবিধাভোগীদের সকল সুবিধা অর্জন আর তাদের বিপুল সুবিধা অর্জনের বিপরীতে তাদের দ্বারা চাপিয়ে দেয়া চেতনায় জাতি প্রতিবন্ধী হওয়ার পথে
এই কারণে বলা কি যায় না সাধারণ জনগণের মুক্তি নেই , অভাগা বাংলাদেশ ?


অতএব কেন দাবী করা যাবে না ?-
পরিবার তন্ত্র মুক্ত বাংলাদেশ চাই ।।

ছবি-ভাটী অঞ্চলে বানের পানিতে ফসল ডুবে গেছে, রাস্তার অপর পাশের অবশিষ্ট কিছু ফসল রক্ষার জন্য ফসলী জমি নষ্ট করে(ডুবন্ত ধান সহ মাটি) মাটি উত্তোলন করে রাস্তার উপর বাঁধ দিয়ে ফসল রক্ষা করার যান্ত্রীক কসরত।অথচ রাস্তাটা একটু উচুঁ করে দিলেই এর স্থায়ী সমাধাণ হতো।অপর দিকে সরকারের মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠান গুলোর সমন্বয়হীনতার প্রমাণ । আরো প্রমাণ করে যে এখানে গণতন্ত্রের চর্চা করা হয়নি । পরিবারতন্ত্র এভাবেই এক তরফাভাবে জনগণের অধিকার ক্ষুন্ন করে দু;খ দুর্দশায় পতিত করার কারণ হয়।কারণ পরিবার তন্ত্র কখনো সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে না।