Wednesday, November 16, 2016

ফলে স্টিকার থাকে কেন? জেনে নিন ফলের স্টিকার সম্পর্কে ।


ফলে স্টিকার থাকে কেন?
সুপার মার্কেট বা কোনো ফলপট্টি থেকে আপেল, নাশপাতি বা অন্য যেকোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয় খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে সাত পাঁচ না-ভেবে, খুব ভালো বলে ধরে নিয়ে অনেক সময় বেশি দাম দিয়েও কিনে ফেলেন
অনেক ফলের গায়েই স্টিকার লাগানো থাকে বিশেষত আপেল বা মালটার গায়ে স্টিকার থাকেই

এই স্টিকারটির সুন্দর একটা নাম আছে-প্রাইস লুকআপ কোড সংক্ষেপে পিএলইউ কোড বিভিন্ন ফলের ওপর থাকা স্টিকারের ওপরের সংখ্যা বারকোড ফলের পরিচয়, ধরন উৎপাদন পদ্ধতিসহ নানা তথ্য বহন করে যা দেখে সহজেই আপনি ফলের গুণাগুন বুঝতে পারবেন

যদি আপেলের গায়ে বিভিন্ন কোড লেখা থাকে, যেমন ৪১৩১, ৪১৩৩, ৪০১৭ ইত্যাদি প্রত্যেকটা সংখ্যার মানে কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন এখানে ফুজি আপেল হলে ৪১৩১, গালা আপেল হলে ৪১৩৩, সবুজ রঙের আপেল হলে ৪০১৭ স্টিকার লাগানো হয় চার সংখ্যার কোড মানে প্রচলিত পদ্ধতিতে আপেল চাষ হয়েছে প্রথম সংখ্যাটি এর আগে যদি আরো একটি সংখ্যা থাকে তবে ভিন্ন পদ্ধতি বোঝায় ৪১৩১ মানে ফুজি আপেল ঠিকই কিন্তু ৮৪১৩১ মানে প্রচলিত পদ্ধতিতে নয়, জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে এটি উৎপাদন করা হয়েছে না হয়ে যদি লেখা হতো তবে সেটিও ফুজি আপেল কিন্তু কোনো কিটনাশক ব্যবহার ছাড়াই উৎপাদিত

ক্রেতারা যাতে সহজেই বুঝতে পারেন, এজন্য এমন কোড লেখা হয়ে থাকে এটাই আন্তর্জাতিক নিয়ম কোনো কোনো স্টিকারে অর্গানিক, জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড(জিএম), ন্যাচারাল ইত্যাদিও লেখা থাকে


জেনে নিন ফলের স্টিকার সম্পর্কে

. স্টিকারে যদি দেখেন সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে বা দিয়ে, এর মানে হল, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে যার অর্থ, রাসায়নিক সারে চাষ হয়েছে

. যদি কোনো ফলের গায়ে সংখ্যার কোড দেয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে হাজার হাজার বছর আগেও যে ভাবে চাষ হতো, সে ভাবেই মানে, কোনোরকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক দেয়া হয় না জৈবপদ্ধতিতে চাষ হয়

. স্টিকারে যদি ডিজিট কোড থাকে এবং শুরুটা সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড
স্টিকার ভালো করে না-দেখে আর ফল কিনবেন না

ফলের স্টিকার ফলের সঙ্গেই খাওয়া যায় ?
ফল খাওয়ার সময় ছোট্ট স্টিকারটা ফেলে দেন ? মজার কথা হল ফলের ওপর লাগানো স্টিকার ফলের সঙ্গেই খেয়ে ফেলতে পারেন কারণ, ওগুলোকে সেভাবেই তৈরি করা হয় এমনকী পেছনে লাগানো আঁঠাও আসলে খাদ্যবস্তু ফলে স্টিকার তুলে ফল খাওয়ার কোনও দরকার নেই তবে বংলাদেশের কিছু বাজারের ফলগুলোতে অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক ভুলভাল ষ্টিকার লাগানো হয় যা ফলের সাথে সম্পর্কযুক্ত না হওয়ায় ফলের গুণাগুণ বা পরিচিতি জানা সম্ভব হয় না জাতীয় ষ্টিকারগুলো খাওয়া যাবে না

 খাওয়ার আগে ফলটা ভাল করে ধুয়ে নেবেন
আমাদের দেশে ফলে রাসায়নিক দ্রব্য ফর্মালিন ব্যবহার করা হয় ফলের আকর্ষনীয় রঙের জন্য, ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর জন্য,পাকানোর জন্য দীর্ঘদিন তাজা রাখার জন্য অসাধুব্যবসায়ীরারা এটা করেন যাতে ফল যাতে নষ্ট না হয় এবং অনায়াসে যাতে বিক্রয় কার যায়এই বিষয়ে অনেকেই মনে করেন এত দেখা দেখি করে ফল কেনা সম্ভব নয় অনেকে মনে মনে এটা মেনেই নিয়েছেন, প্রকাশ্যে বলে থাকেন আল্লাহর নাম নিয়ে যা খাচ্ছি তাতেই শুকরিয়াএটা ঠিক হতে পারে কি? খাওয়ার আগে ফলটা অবশ্যই ভাল করে ধুয়ে নেয়া উচিৎ তাই আপনাদের জন্য পরামর্শ হলো ,- যখন ফল কিনে খাবেনই বা খেতে হয়, সেক্ষেত্রে ফলটা বাসায় নিয়ে বালতির ভেতরে কমপক্ষে ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন তাহলে অন্তত উপরে ব্যবহৃত কোন রাসায়নিক পদার্থ থাকলে সেটা পানির সাথে মিশে তলানিতে জমা হবে নিরাপদে ফল খেতে পারবেন

আপেলের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট কোড
ফলের প্রত্যেক প্রজাতির আন্তর্জাতিক মানক অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট নম্বর আছে যেমন ধরা যাক, গোটা বিশ্বে বিভিন্ন প্রজাতির আপেল পাওয়া যায়, প্রত্যেক আপেলের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট কোড ফলে ভুল হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই তবে শুধু তাই নয়, প্রত্যেক কোডের রয়েছে গভীর মর্মার্থ

যেমন ধরুন, আপেলের ওপর স্টিকারে লেখা নম্বরটি যদি পাঁচ সংখ্যার হয় এবং প্রথম সংখ্যাটা যদি হয় , তবে ফলটি প্রাকৃতিক আবার যদি, পাঁচ সংখ্যার নম্বরটি শুরু হয় দিয়ে, তার মানে ফলটি কৃত্রিম প্রজাতির মানে GMO. আবার চার সংখ্যার নম্বর দিয়ে শুরু হলে বুঝবেন, ফলটি পুরনো পদ্ধতিতে চাষ করা হয়েছে, প্রাকৃতিক সার কীটনাশক ব্যবহার করে
নিয়মিত ফল খান, সুস্থ্য থাকুন

Wednesday, November 16, 2016

ফলে স্টিকার থাকে কেন? জেনে নিন ফলের স্টিকার সম্পর্কে ।


ফলে স্টিকার থাকে কেন?
সুপার মার্কেট বা কোনো ফলপট্টি থেকে আপেল, নাশপাতি বা অন্য যেকোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয় খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে সাত পাঁচ না-ভেবে, খুব ভালো বলে ধরে নিয়ে অনেক সময় বেশি দাম দিয়েও কিনে ফেলেন
অনেক ফলের গায়েই স্টিকার লাগানো থাকে বিশেষত আপেল বা মালটার গায়ে স্টিকার থাকেই

এই স্টিকারটির সুন্দর একটা নাম আছে-প্রাইস লুকআপ কোড সংক্ষেপে পিএলইউ কোড বিভিন্ন ফলের ওপর থাকা স্টিকারের ওপরের সংখ্যা বারকোড ফলের পরিচয়, ধরন উৎপাদন পদ্ধতিসহ নানা তথ্য বহন করে যা দেখে সহজেই আপনি ফলের গুণাগুন বুঝতে পারবেন

যদি আপেলের গায়ে বিভিন্ন কোড লেখা থাকে, যেমন ৪১৩১, ৪১৩৩, ৪০১৭ ইত্যাদি প্রত্যেকটা সংখ্যার মানে কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন এখানে ফুজি আপেল হলে ৪১৩১, গালা আপেল হলে ৪১৩৩, সবুজ রঙের আপেল হলে ৪০১৭ স্টিকার লাগানো হয় চার সংখ্যার কোড মানে প্রচলিত পদ্ধতিতে আপেল চাষ হয়েছে প্রথম সংখ্যাটি এর আগে যদি আরো একটি সংখ্যা থাকে তবে ভিন্ন পদ্ধতি বোঝায় ৪১৩১ মানে ফুজি আপেল ঠিকই কিন্তু ৮৪১৩১ মানে প্রচলিত পদ্ধতিতে নয়, জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে এটি উৎপাদন করা হয়েছে না হয়ে যদি লেখা হতো তবে সেটিও ফুজি আপেল কিন্তু কোনো কিটনাশক ব্যবহার ছাড়াই উৎপাদিত

ক্রেতারা যাতে সহজেই বুঝতে পারেন, এজন্য এমন কোড লেখা হয়ে থাকে এটাই আন্তর্জাতিক নিয়ম কোনো কোনো স্টিকারে অর্গানিক, জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড(জিএম), ন্যাচারাল ইত্যাদিও লেখা থাকে


জেনে নিন ফলের স্টিকার সম্পর্কে

. স্টিকারে যদি দেখেন সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে বা দিয়ে, এর মানে হল, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে যার অর্থ, রাসায়নিক সারে চাষ হয়েছে

. যদি কোনো ফলের গায়ে সংখ্যার কোড দেয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে হাজার হাজার বছর আগেও যে ভাবে চাষ হতো, সে ভাবেই মানে, কোনোরকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক দেয়া হয় না জৈবপদ্ধতিতে চাষ হয়

. স্টিকারে যদি ডিজিট কোড থাকে এবং শুরুটা সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড
স্টিকার ভালো করে না-দেখে আর ফল কিনবেন না

ফলের স্টিকার ফলের সঙ্গেই খাওয়া যায় ?
ফল খাওয়ার সময় ছোট্ট স্টিকারটা ফেলে দেন ? মজার কথা হল ফলের ওপর লাগানো স্টিকার ফলের সঙ্গেই খেয়ে ফেলতে পারেন কারণ, ওগুলোকে সেভাবেই তৈরি করা হয় এমনকী পেছনে লাগানো আঁঠাও আসলে খাদ্যবস্তু ফলে স্টিকার তুলে ফল খাওয়ার কোনও দরকার নেই তবে বংলাদেশের কিছু বাজারের ফলগুলোতে অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক ভুলভাল ষ্টিকার লাগানো হয় যা ফলের সাথে সম্পর্কযুক্ত না হওয়ায় ফলের গুণাগুণ বা পরিচিতি জানা সম্ভব হয় না জাতীয় ষ্টিকারগুলো খাওয়া যাবে না

 খাওয়ার আগে ফলটা ভাল করে ধুয়ে নেবেন
আমাদের দেশে ফলে রাসায়নিক দ্রব্য ফর্মালিন ব্যবহার করা হয় ফলের আকর্ষনীয় রঙের জন্য, ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর জন্য,পাকানোর জন্য দীর্ঘদিন তাজা রাখার জন্য অসাধুব্যবসায়ীরারা এটা করেন যাতে ফল যাতে নষ্ট না হয় এবং অনায়াসে যাতে বিক্রয় কার যায়এই বিষয়ে অনেকেই মনে করেন এত দেখা দেখি করে ফল কেনা সম্ভব নয় অনেকে মনে মনে এটা মেনেই নিয়েছেন, প্রকাশ্যে বলে থাকেন আল্লাহর নাম নিয়ে যা খাচ্ছি তাতেই শুকরিয়াএটা ঠিক হতে পারে কি? খাওয়ার আগে ফলটা অবশ্যই ভাল করে ধুয়ে নেয়া উচিৎ তাই আপনাদের জন্য পরামর্শ হলো ,- যখন ফল কিনে খাবেনই বা খেতে হয়, সেক্ষেত্রে ফলটা বাসায় নিয়ে বালতির ভেতরে কমপক্ষে ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন তাহলে অন্তত উপরে ব্যবহৃত কোন রাসায়নিক পদার্থ থাকলে সেটা পানির সাথে মিশে তলানিতে জমা হবে নিরাপদে ফল খেতে পারবেন

আপেলের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট কোড
ফলের প্রত্যেক প্রজাতির আন্তর্জাতিক মানক অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট নম্বর আছে যেমন ধরা যাক, গোটা বিশ্বে বিভিন্ন প্রজাতির আপেল পাওয়া যায়, প্রত্যেক আপেলের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট কোড ফলে ভুল হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই তবে শুধু তাই নয়, প্রত্যেক কোডের রয়েছে গভীর মর্মার্থ

যেমন ধরুন, আপেলের ওপর স্টিকারে লেখা নম্বরটি যদি পাঁচ সংখ্যার হয় এবং প্রথম সংখ্যাটা যদি হয় , তবে ফলটি প্রাকৃতিক আবার যদি, পাঁচ সংখ্যার নম্বরটি শুরু হয় দিয়ে, তার মানে ফলটি কৃত্রিম প্রজাতির মানে GMO. আবার চার সংখ্যার নম্বর দিয়ে শুরু হলে বুঝবেন, ফলটি পুরনো পদ্ধতিতে চাষ করা হয়েছে, প্রাকৃতিক সার কীটনাশক ব্যবহার করে
নিয়মিত ফল খান, সুস্থ্য থাকুন